Monday, May 4, 2026

29/1> 'ওঁ'-- ऊं-- ॐ--কারের ভাবনা::--(1--12)

 

29/1> 'ওঁ'-- ऊं-- ॐ--কারের ভাবনা::--
      2> প্রণব -'ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ--
       3>★★ওঁ এবং ঔঁ-কার এদের মাঝে 
                পার্থক্য কি?
      4>★★ওম = প্রণব।
      5> ||--শিক্ষণীয় বিষয় =ऊँ= -||
      6>" ওঁ"-- "ॐ" উচ্চারণের রহস্য::---
     7>" ওঁ "কার ও শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ
           দেবের ব্যাখ্যা:---
     8>সব মন্ত্র কেন ওম দিয়ে শুরু হয়::--

      9>ओम् हिंदी में om (ॐ)
     10>ॐ का जाप::--
     11>||शिक्षनीय बिषय " ऊँ "=||
     12>ॐ के उच्चारण का रहस्य:::---
     
  
====================
29/1> "ওঁ"-- ऊं-- ॐ--কারের ভাবনা::--

       "ওঁ"-----

1>সব মন্ত্র কেন "ওঁ"  দিয়ে শুরু হয়...

ওম' শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন 'ওম'-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয় এটি সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক হিন্দু ধর্মের সমস্ত মন্ত্রের শুরু হয় এই ধ্বনি দিয়ে।

ওম' শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন। এই বুৎপত্তি অনুযায়ী 'ওম'-কার এমন এক শক্তি যা সর্বজ্ঞ, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের শাসনকর্তা, রক্ষাকর্তা, মনোবাঞ্ছাপূর্ণকারী, অজ্ঞাননাশক ও জ্ঞানপ্রদাতা। 'ওম'-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয়, কারণ 'ওম' তিনটি মাত্রাযুক্ত – ‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।
●'অ-কার’ ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ প্রারম্ভের প্রতীক।
●'উ-কার’ ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক।
●'ম-কার’ ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ লয়ের প্রতীক।
অন্য ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক।

হিন্দু ধর্মের প্রতিটি সম্প্রদায় ও উপসম্প্রদায়ের নিকটেই এটি পবিত্র।
স্বামী বিবেকানন্দের মতে, 'ওম'-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।” রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতে, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘'ওম' কালী’, ‘'ওম' কৃষ্ণ হয়েছেন।” হিন্দুশাস্ত্র মনে এই মন্ত্রের কাজ মনকে সকল ব্যকুলতা বা চঞ্চলতা থেকে ত্রান দেওয়া। মনের সার্বিক উন্নতির জন্য এই মন্ত্রের কোনও বিকল্প নেই। হিন্দু ধর্মের সমস্ত মন্ত্রের শুরু হয় এই ধ্বনি দিয়ে।
★কেন এই ধ্বনি দিয়েই সমস্ত মন্ত্রের সূচণা হয়। এই বিষয়ে কি বলছে সনাতন ধর্ম, জেনে নেওয়া যাক।

ধর্ম মতে ওঁ মন্ত্রে ব্রহ্মা,  বিষ্ণু এবং মহেশ্বর এই তিন দেবতাকে একত্র প্রতীক রূপে গন্য করা হয়। তাই যে কোনও মন্ত্র উচ্চারনের আগে এই ধ্বনি উচ্চারণ করে এই তিন দেবতাকে স্মরণ করা হয় বলেই সকল মন্ত্রের আগে এই  ধ্বনি উচ্চারন করা হয়। "'ওম'" শব্দটি তিন অক্ষরে তৈরী। "অ উ ম্।"
●"অ" এর অর্থ উৎপন্ন হওয়া,
●"উ" এর অর্থ উড়তে পারা বা বিকাশ,
●"ম" হলো মৌন হওয়া অর্থাৎ ব্রহ্মলীন হয়ে যাওয়া।
●"ওঁ" সম্পূর্ণ ব্রহ্মাণ্ডের উৎপত্তি একইসঙ্গে সৃষ্টির দ্যোতক।
●"ওঁ" এর উচ্চারণ শারীরিক লাভ প্রদান করে। এই ধ্বনি বিশ্বের আদি ধ্বনি বলে মনে করে হিন্দু সনাতন ধর্ম। শাস্ত্র মতে যে কোনও মন্ত্র উচ্চারণের আগে এই ধ্বনি উচ্চারন করলে সেই মন্ত্রকে মহাজগতের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়।

=====================
★2> প্রণব -'ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ----
  ওঁ(প্রণব).
ওঁ-কার ত্র্যক্ষর,কারণ
"ওঁ "শব্দ অ ,উ ,ম, তিনটি অক্ষর।

এ-হেন ত্র্যক্ষরে লুকিয়ের আছে অনেক শক্তি। আমাদের ভাবনার অধিক শক্তি নিহিত আছে এই তিন অক্ষরে এই "ওঁ " শব্দের অন্তরে।

"ওঁ" আমাদের ধর্মের প্রতীক
"ওঁ" এর অনেক মান্যতা ।

অসংখ শব্দ ও চিহ্নে থাকতে কেবল ওই "ওঁ "/ওম শব্দ  তার কেন এত মান্যতা,
এই টুকুই ভাবনার বিষয়।

‘ওঁ’, ওঁ উচ্চারণ অত্যন্ত পবিত্র।

ঈশ্বরের তিনটি কর্ম—
সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ।
এই তিন কার্য সম্পন্ন করার জন্য  তিন দেবতার সৃষ্টি।
এঁরাই হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।
অন্যান্য সকল দেবদেবী এঁদের অধীন।
তাই ওঁ- অ, উ, ম, এই তিন অক্ষর,
তিন দেবতার শক্তির পরিচয়।

অ- সৃষ্টির সূচক (ব্রহ্মা)
উ- স্থিতির সূচক (বিষ্ণু)
ম- বিনাশের সূচক (শঙ্কর)

ইংরেজিতে GOD শব্দের অর্থও তাই।
G- Generator (সৃষ্টি)
O- Operator (স্থিতি বা পালন)
D- Destructor (লয় বা বিনাশ)।

ওঁ উচ্চারণে হয় শক্তির সৃষ্টি,
সেই শক্তিতেই হয় শারীরিক ও মানসিক শক্তির বৃদ্ধি, মনের একাগ্রতার হয় সৃষ্টি।

ওঁ বা ওঁ-কার বা ওঙ্কার, অ + উ +ম্।
‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।

‘অ-কার’= ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ
         প্রারম্ভের প্রতীক বা সৃষ্টির সূচক।

‘উ-কার’= ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-
               এর প্রতীক,বা স্থিতির সূচক।

‘ম-কার’= ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ
         লয়ের প্রতীক, বিনাশের সূচক।

আমাদের ঋষি, সাধক এবং তপস্বী গণের অনুভব এমনটা যে----
নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে শুদ্ধ ভাবে
   "ওঁ " এর উচ্চারণে মানুষ বাকসিদ্ধ হতে
           পারে।এবং  শরীর মন শুদ্ধ হয়।
সর্ব প্রকার রোগ জ্বালা দূর হয়।
কারণ ওম এমনি এক ধ্বনি যেস্থানে এই ধ্বনি নিয়মিত উচ্চারিত হয় সেই স্থানের পরিবেশ শুদ্ধ হয়।
এই ধ্বনি উচ্চারনের ভাইব্রেশনে/ তথা কম্পন প্রভাবিত করে পরিবেশ প্রকৃতির।
ফলে সেই স্থানের সকল অশুভ ও নিগেটিভ ধ্বনি বা তাদ্বারা সৃষ্ট ভাইব্রেশন তথা কম্পনের কু প্রভাব নির্মূল হয়।

"ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন
এত প্রচন্ড শক্তি শালী যে তা আমাদের কল্পনার অতীত।
মনুষ্য শরীরে এই "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন
তথা কম্পন, শরীরকে ও মনকে শান্ত,  নিয়ন্ত্রিত করে। সেই কারনে শুধু সনাতন ধর্ম ই নয়, ভারতের অন্যান্য ধর্ম ও দর্শনে ও এই "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।

বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে "ওঁ " এর প্রয়োগ
জপ ও উপাসনাতে বিশেষ মহত্ব লাভ করেছে।

জৈন ধর্ম ও দর্শনেও "ওঁ ' এর মাহাত্বের
বর্ননা পাওয়াযায়।

শব্দই ব্রহ্ম।
সকল শব্দের শ্ৰেষ্ঠ শব্দ "ওঁ " ।
সকল ধর্মের ই বিশেষ বিশেষ শব্দ আছে
যা তাঁরা পবিত্র বলে মনে করেন এবং বিভিন্ন ভাবে উচ্চারিত, ব্যবহৃত ও প্রয়োগ হয়।

আমাদেরএই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির কাল থেকেই "ওঁ " শব্দের সৃষ্টি।
ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির প্রকৃতির অমোঘ শক্তির
লীলা খেলায় যে শব্দ বা ভাইব্রেশন
তথা কম্পনে উৎপন্ন হয়ে সমগ্র ব্রহ্মান্ডকে প্রভাবিত করেছিল, সেই শব্দই "ওঁ " শব্দ।

শব্দই ব্রহ্ম , ব্রহ্ম ই ব্রহ্মান্ড।ড

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানবজীবন।
তাইতো মানব শিশুর জন্ম ক্ষণ থেকেই
ওই "ওঁ " শব্দের চিৎকারে সকল কে
জানিয়ে দেয় তার আগমনী বার্তা।
এবং সেই জন্ম মুহূর্ত থেকে শুরু করে
তাঁর মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ,চলতে থাকে
নিরলস ভাবে সাচ্ছন্দে তাঁর অন্তরে বাহিরে, প্রতিটি শ্বাস প্ৰশ্বাসের সাথে ওই "ওঁ "শব্দ।

এই "ওঁ "শব্দ একটি মাত্র শব্দ যা মানুষের নাভি মূল (মণিপুর )থেকে উৎপন্ন হয়।
এবং শ্বাস প্রস্বাস এর সাথে সাথে নিরলস ভাবে চলতে থাকে এই "ওঁ "শব্দ ব্রহ্ম বা নাদ ধ্বনি।

ঋষি,তপস্বী ,ধ্যানী ,যোগী গণ প্রকৃতি তে
প্রতিনিয়ত এই ধ্বনি শ্রবনে সক্ষম।

আমরা সাধারণ মানুষ এই ধ্বনি অনুভব করতে পারিনা। এহেন জাগতিক প্রবল শক্তি সম্পন্ন ধ্বনি শ্রবণ করবার মত ক্ষমতা আমাদের সাধারণ মানুষের নাই।

ওঁ-কার ধর্মীয় চিহ্ন হলেও ব্যবহারিক জীবনে ওঁ-কারের প্রয়োগ আরও ব্যাপক।

প্রত্যেকটি মন্ত্র ওঁ-কার দিয়ে ই হয় শুরু।
খ্রিস্টধর্মের প্রতীক ক্রুশ ও বেল।
ক্রুশ হলো পবিত্রতার প্রতীক।
যার অর্থ মানবজাতির পরিত্রাণ।
বেল বা ঘণ্টার ধ্বনি অতি পবিত্র।
এই ঘণ্টার আওয়জ যতদূর যায়
ততদূর পবিত্র থাকে।
এই ঘণ্টার শব্দের দ্বারা পরমপিতাকে
আহ্বান করা হয়।
এ জন্য গির্জায় নির্দিষ্ট সময়ের অন্তর ঘণ্টা বাজে।
এই ঘণ্টার মধুর আওয়াজ এর মধ্যে দিয়ে ঈশ্বর অনুরাগীদেরও আহ্বান করা হয়।

সনাতন ধর্মে দু’রকমের প্রতীক আছে,
শব্দ প্রতীক ও সাকার প্রতীক।
শব্দের মধ্য দিয়ে মন্ত্র উচ্চারণ করা হয়।
মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে আধ্যাত্মিক উন্নতি হয়।

ওঁ উচ্চারণ করলে শারীরিক ও মানসিক শক্তির সৃষ্টি হয়। মনে একাগ্রতা আসে।
এটি হিন্দু দর্শনের সর্বোচ্চ ঈশ্বর ব্রহ্মের বাচক।

স্বামী বিবেকানন্দের মতে, ওঁ-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।

” রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবার কথামতে, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।”
●ওঁ-কার বৌদ্ধ ও জৈনদেরও একটি পবিত্র প্রতীক।
শিখ সম্প্রদায়ও এটিকে সম্মান করেন।

●💝 প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ,

ওঁ শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন, যা একাধারে ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে প্রযোজ্য। এই বুৎপত্তি অনুযায়ী ওঁ-কার এমন এক শক্তি যা সর্বজ্ঞ, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের শাসনকর্তা, অমঙ্গল থেকে রক্ষাকর্তা, ভক্তবাঞ্ছাপূর্ণকারী, অজ্ঞাননাশক ওO জ্ঞানপ্রদাতা।
কারুর মতে ওঁ-কার সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক।

পতঞ্জলির যোগসূত্র-এ ওঁ-কারকে ঈশ্বরের প্রতীক বলে বর্ণিত হয়েছে এবং বলা হয়েছে, ওঁ-কারের স্মরণ ও উচ্চারণে সমাধি লাভ করা যায়।

মন্দির, ঠাকুরঘর প্রভৃতি ধর্মীয় স্থানের প্রতীকচিহ্ন রূপেও ওঁ-কার ব্যবহৃত হয়।

কঠোপনিষদ মতে, ওঁ-কার পরব্রহ্ম।

মুণ্ডক উপনিষদে ওঁ-কার অবলম্বনে ঈশ্বরোপাসনার কথা বলা হয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, তিনি সকল অক্ষরের মধ্যে ওঁ-কার।

গীতায় (৭ অধ্যায় /৮ নং শ্লোক) ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,
“আমি জলের রস, চন্দ্র-সূর্যের কিরণ, বেদের ওঁ(প্রণব), আকাশে শব্দ ও মানুষের মধ্য পুরুষত্ব রূপে বিরাজ করি।”

ওঁ-কারের বারংবার উচ্চারণে মানুষ তার পাশব প্রবৃত্তি জয় করতে সমর্থ হয়।

মৃত্যুকালে ওঁ-কারের উচ্চারণে পরম সত্য লাভ হয়।

ওঁ-কার ঈশ্বরের সকল নামের
প্রতিনিধিস্বরূপ ও তাঁর শ্রেষ্ঠ নাম।

বেদ, উপনিষদ, গীতা ও অন্যান্য হিন্দুশাস্ত্রে সর্বত্রই ওঁ-কারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ওঁ-কার প্রণব,যার আক্ষরিক অর্থ, ‘যা উচ্চারণ করে স্তব করা হয়’।

প্রণব বা ত্র্যক্ষর হিন্দুধর্মের পবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক।
এর অপর অর্থ, ‘যা চিরনূতন’।

ওঁ -প্রণব(ব্রহ্ম), তৎ-জীব, সৎ-জগৎ।

ব্রহ্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ বেদ।
জীবের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ ব্রহ্মজ্ঞ।
জগত কর্মময়।
কর্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ যজ্ঞ হয়।

সুতরাং, “ওঁ তৎ সৎ” মন্ত্রে,
বেদ, ব্রহ্মজ্ঞ ও যজ্ঞকে বোঝায়।

সেই কারনে সকল কাজের শুভ ফল লাভের জন্য কাজের শুরুতেই------
“ওঁ তৎ সৎ ”উচ্চারণ করে শুরু করা উচিৎ।

ওঁ-ই সৃষ্টির আদি শব্দ।
নির্গুণ-নিস্ক্রিয় ব্রহ্মের এ সক্রিয় ভাব।
এই সক্রিয় ভাব হতেই সৃষ্টির বিকাশ।
======================
★3>★★ওঁ এবং ঔঁ-কার এদের মাঝে পার্থক্য কি?

পার্থক্য শুধু বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়।
ওঁ- কার বাংলায় এবং ঔঁ-কার সংস্কৃতিতে।
শ্রী শ্রী স্বামী স্বরুপানন্দ পরমহংসদেব বলেছেন- “ওঁ, ওম, ঔং, অউম, ঔঁ” এই পাঁচ প্রকার উচ্চারণের মধ্য বস্তুগত বা অর্থগত কোনো পার্থক্য নেই।

আমাদের সনাতন ধর্মে ওঁ-কার কে বলা হয় পবিত্রতা ও মঙ্গলতার প্রতীক। প্রণব বা ওঁ-কারই বেদের নির্যাস ও ব্রহ্মবস্তু।

ওঁ বা প্রণব হচ্ছে মন্ত্রের প্রাণ। পূজা বা ধ্যানের সময় মন্ত্র উচ্চারণে “প্রণব” না থাকলে মন্ত্রের ক্রিয়া হয় না, প্রাণশক্তি নেই বলে।
=====================
★4>★★ওম = প্রণব।
প্রণব চেতনার পর্যায়গুলি বর্ণনা করে।

●ওম= অ+উ+ম
●অ = জাগ্রত - জাগ্রত চেতনা যেখানে একজন বাহ্যিক জগতের সাথে যোগাযোগ এবং লেনদেন করছে।

●উ = স্বপ্ন - অভ্যন্তরীণ চেতনা বা স্বপ্ন চেতনা যা আমাদের অনুভূতি, অভিজ্ঞতা, শেখা, প্রভৃতির অন্তর্জগতকে ঘিরে রাখে। যা আমরা অন্যদের সাথে ভাগ করতে পারি না।

●ম = সুষুপ্তি - গভীর স্বপ্নহীন ঘুম। অচেতন বা অবচেতন মনের রাজ্য যেখানে জ্ঞানীয় চিন্তার ওঠানামা বন্ধ রয়েছে।

●ওম = তুরিয়া - "চতুর্থ অবস্থা" যা অতিলৌকিক, অতীন্দ্রিয় অবস্থা।

ওঁ বা ওঁ-কার
এই প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ, চীনা রূপ 唵, এবং তিব্বতীয় রূপ ༀ। এটি ওঙ্কার, প্রণব বা ত্র্যক্ষর নামেও পরিচিত।

ওম বা অউম ( আহ-উউ-মিমি উচ্চারণ ) হল একটি পবিত্র ধ্বনি যা অনেক প্রাচীন দার্শনিক গ্রন্থের দ্বারা মহাবিশ্বের ধ্বনি হিসাবে বিবেচিত হয়, যা এর মধ্যে অন্যান্য সমস্ত শব্দকে অন্তর্ভুক্ত করে। সংস্কৃতে, ওমকে প্রণব বলা হয় , যার অর্থ গুনগুন করা, এবং এটি একটি সীমাহীন বা চিরন্তন ধ্বনি হিসাবে বিবেচিত হয়। যদিও শব্দটি ভারতীয় সংস্কৃতি, বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম এবং জৈন ধর্মের সাথে যুক্ত, ওম জপ হল একটি আধ্যাত্মিক অনুশীলন যা সংস্কৃতি এবং ধর্মকে অতিক্রম করে এবং ঈশ্বর বা ব্রহ্মার সমস্ত সম্ভাব্য সংজ্ঞা এবং ব্যাখ্যাকে অন্তর্ভুক্ত করে ।
            (সংকলিত)
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->
            05/01/2025
========================

★5>||--শিক্ষণীয় বিষয় =ऊँ= -||
                02/03/2017--

"ওঁ "শব্দ তিনটি অক্ষরে ( অ ,উ ,ম )মিলিত শব্দ। এই একটি মাত্র
কী এমন শক্তি লুকিয়ের আছে এই "ওঁ " শব্দের মধ্যে। যা কিনা আমরা আমাদের ধর্মের প্রতীক রূপে মান্য করি। অসংখ শব্দ ও চিহ্নের মধ্যে কেবল ওই "ওঁ "/ওম শব্দ কে কেন এত মান্যতা সেই কথাই আমাদের ভাবনার বিষয়।

আমাদের ঋষি, সাধক এবং তপস্বী গন অনুভব করেছেন যে নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে শুদ্ধ ভাবে "ওঁ " এর উচ্চারণে মানুষ বাকসিদ্ধ হতে পারে। এবং শরীর মন শুদ্ধ হয়। সর্ব প্রকার রোগ জ্বালা দূর হয়। কারণ ওম এমনি এক ধ্বনি যেস্থানে এই ধ্বনি নিয়মিত উচ্চারিত হয় সেই স্থানের পরিবেশ শুদ্ধ হয়

কারণ এই ধ্বনি উচ্চারনে যে ভাইব্রেশনে/ তথা কম্পন সৃষ্টি হয় তার প্রভাবে ওই স্থানের উপরে প্রভাবিত অন্য সকল অশুভ ও নিগেটিভ ধ্বনি বা তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভাইব্রেশন তথা কম্পনের কু প্রভাব নির্মূল হয়। কারণ "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন এত প্রচন্ড শক্তি শালী যে তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। মনুষ্য শরীরে এই "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন শরীরকে ও মনকে শান্ত,নিয়ন্ত্রিত করে। সেই কারনে শুধু সনাতন ধর্ম ই নয় ভারতের অন্যান্য বিভিন্ন ধর্ম ও দর্শনে ও এই "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।

বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে "ওঁ " এর প্রয়োগ জপ ও উপাসনাতে বিশেষ ভাবে মহত্ব লাভ করেছে।
জৈন ধর্ম ও দর্শনেও "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।

শব্দই ব্রহ্ম। সকল শব্দের শ্ৰেষ্ঠ শব্দ "ওঁ " ।

সকল ধর্মের ই বিশেষ বিশেষ শব্দ আছে যা তাঁরা পবিত্র বলে মনে করেন এবং বিভিন্ন ভাবে উচ্চারিত, ব্যবহৃত ও প্রয়োগ হয়।
আমাদেরএই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির কাল থেকেই "ওঁ " শব্দের সৃষ্টি। ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির প্রকৃতির অমোঘ শক্তির লীলা খেলায় যে শব্দ বা ভাইব্রেশন তথা কম্পনের উৎপন্ন ও বিচ্ছুরিত হয়েছিল তা ওই "ওঁ " শব্দ। শব্দই ব্রহ্ম , ব্রহ্ম ই ব্রহ্মান্ড।

সৃষ্টির শ্রেঠ সৃষ্টি হল মানবজীবন। তাইতো মানব শিশুর জন্ম ক্ষণ থেকেই ওই "ওঁ "

শব্দের চিৎকারে সকল প্রাণী কুল কে সকল মানুষকে জানিয়ে দেয় তার আগমনী সংবাদ, এবং সেই জন্ম মুহূর্ত থেকে শুরু করে তাঁর মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ,যতদিন সে বেঁচে থাকে এই পৃথিবীতে ,প্রকৃতির মাঝে , ততদিন নিরলস ভাবে সাচ্ছন্দে চলতে থাকে তাঁর

অন্তরে বাহিরে প্রতিটি শ্বাস প্ৰশ্বাসের সাথে ওই "ওঁ "শব্দ ই চলতে থেকে। এবং এই

একটি মাত্র শব্দ যা মানুষের নাভি মূল (মণিপুর )থেকে উৎপন্ন হয়ে শ্বাস প্রস্বাস এর সাথে সাথে নিরলস ভাবে চলতে থাকে। এই "ওঁ "শব্দ ই ব্রহ্ম বা নাদ ধ্বনি। তপস্বী পুরুষ ,ধ্যানী পুরুষ ,যোগী পুরুষ গণ প্রতিনিয়ত এই ধ্বনি শ্রবণ করে থাকেন বা শ্রবনে সক্ষম।

আমরা সাধারণ মানুষ এই ধ্বনি অনুভব করতে পারিনা। কারণ এহেন জাগতিক প্রবল শক্তি সম্পন্ন ধ্বনি শ্রবণ করবার বা উপলব্ধি করবার মত ক্ষমতা আমাদের সাধারণ মানুষের ক্ষমতার বাহিরে।

তাই তপস্বী পুরুষ ,ধ্যানী পুরুষ ,যোগী পুরুষ গন ই কেবল সক্ষম হন এহেন ধ্বনির আস্বাদন গ্রহণে।
   <--আদ্য নাথ রায় চৌধুরী---->
           |---02/03/2017---|=======================
    
   ★6>" ওঁ"-- "ॐ" উচ্চারণের রহস্য::---

  "ॐ" কে "ওঁ " হিসাবে লেখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, অন্যথায় এটি ওম।  ওম 'ওঁ'-এর এই চিহ্ন চমৎকার চিহ্ন।
এটি সমগ্র মহাবিশ্বের প্রতীক। অনেক ছায়াপথ এভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ব্রহ্মার অর্থ প্রসারিত, বিস্তার ছড়িয়ে পড়া এবং প্রসারিত করা। ওমকার শব্দের 100 টিরও বেশি অর্থ দেওয়া হয়েছে। এটি অনাদি এবং অনন্ত তথা নির্বাণ অবস্থার প্রতীক।
আইনস্টাইন  বলেছিলেন যে মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে। আইনস্টাইনের আগে ভগবান মহাবীর বলেছিলেন। মহাবীরের পূর্ববর্তী বেদেও এর উল্লেখ রয়েছে। মহাবীর বেদ পাঠ করে তা বলেননি, ধ্যানের গভীরে নেমে গিয়ে তিনি
গভীরে খোঁজ করে এটি দেখেছিলেন।
'ওঁ'কে ওম বলা হয়। কথা বলার সময় 'ও'-এর ওপরও বেশি জোর দেওয়া হয়। একে প্রণব মন্ত্রও বলা হয়। এই মন্ত্রের শুরু আছে কিন্তু  শেষ নেই । এটি মহাবিশ্বের
অনাহত  অপরাজেয় শব্দ। (অনাহাত মানে দুটি জিনিস বা হাতের সংমিশ্রণে সৃষ্ট কোনও ধরণের ধ্বনি বা শব্দের সংঘর্ষ নয়)। একে অনহদও বলা হয়। এটি সারা মহাবিশ্ব জুড়ে অব্যাহত রয়েছে।
যখন তপস্বী এবং ধ্যানকারীরা ধ্যানের গভীর অবস্থায় শুনতে পান, তখন একটি শব্দ থাকে যা শরীরের ভিতরে এবং বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই ক্রমাগত শোনা যায়। সর্বত্র একই ধ্বনি চলতে থাকে এবং তা শুনে মন ও আত্মা শান্তি বোধ করে, তাই তারা সেই শব্দটির নাম দেন 'ওঁ'।

সাধারণ মানুষ সেই ধ্বনি শুনতে পায় না, কিন্তু যে ব্যক্তি ওঁ উচ্চারণ করতে থাকে  তার চারপাশে ইতিবাচক শক্তি বিকাশ হতে শুরু করে। তবুও, সেই ধ্বনি শোনার জন্য, সম্পূর্ণ নীরব এবং ধ্যানে থাকা প্রয়োজন। যে সেই শব্দ শুনতে পায় সে সরাসরি ঈশ্বরের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে শুরু করে। ঈশ্বরের সাথে সংযোগ স্থাপনের সহজ উপায় হ'ল ওঁ জপ চালিয়ে যাওয়া।

'ওঁ'(ওম) ধ্বনি হিন্দু, মুসলিম বা খ্রিস্টান বলে কোনও জিনিস নেই। ওঁ একটি ধর্মের চিহ্ন বলে মনে করাও সঠিক নয়।
তবে এটি তো তবে থেকেই উচ্চারিত হয় আসছে যবে থেকে ধর্ম বলে কোন শব্দের সৃষ্টি হননি।
প্রকৃতপক্ষে, ওঁ কোনও না কোনও উপায়ে সমস্ত প্রধান সংস্কৃতির একটি প্রধান অংশ। এটি মঙ্গলভাব, শক্তি, ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি এবং শ্রদ্ধার প্রতীক।
উদাহরণস্বরূপ, যদি হিন্দুরা তাদের সমস্ত মন্ত্র এবং স্তোত্রে এটি অন্তর্ভুক্ত করে, তবে খ্রিস্টান এবং ইহুদিরাও ধর্মীয় সম্মতি নির্দেশ করার জন্য একই শব্দ, আমেন ব্যবহার করে। মুসলমানরা এটিকে আমেন হিসাবে স্মরণ করে, বৌদ্ধরা এটিকে ওম মণিপদ্মে হুঁ হিসাবে ব্যবহার করে। শিখ  'এক ওমকার' অর্থাৎ 'এক ওঁকার'-এর প্রশংসাও করে।

ইংরেজি শব্দ ওমনি, যার অর্থ অসীম এবং কখনও শেষ না হওয়া উপাদান (যেমন সর্বব্যাপী, অসীম), আসলে এই শব্দ ওঁ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে ওঁ কোনও ধর্ম, ধর্ম বা সম্প্রদায়ের অন্তর্গত নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির। ঠিক যেমন বায়ু, জল, সূর্য, ঈশ্বর, বেদ ইত্যাদি সমগ্র মানবজাতির জন্য এবং কেবল কোনও একটি সম্প্রদায়ের জন্য নয়।
ওম শব্দটি তিনটি ধ্বনি দ্বারা গঠিত - ক, উ, এম এই তিনটি শব্দের অর্থও উপনিষদে প্রদর্শিত হয়। এটি ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং মহেশের প্রতীক এবং এটি ভু লোক, ভুব লোক এবং স্বর্গ লোর প্রতীক।
তন্ত্র যোগে একরকম মন্ত্রেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। দেবনাগরী লিপির প্রতিটি শব্দকে অনুশ্বর প্রয়োগ করে মন্ত্রের রূপ দেওয়া হয়েছে। যেমন,  কং, খং, গং, ঘঙ ইত্যাদি। একইভাবে, শৃং, ক্লিং ,  হিং , হ্রিং হুং ফট  ইত্যাদি শব্দ মন্ত্রে গণনা করা হয়।।

সমস্ত মন্ত্র জিহ্বা, ঠোঁট, তালু, দাঁত, গলা এবং ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুর সম্মিলিত প্রভাব দ্বারা উচ্চারিত হয়। এইভাবে নির্গত ধ্বনি শরীরের সমস্ত চক্র এবং হরমোন নিঃসরণ গ্রন্থিগুলিকে আঘাত করে। এই গ্রন্থিগুলির ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে রোগ দূর ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
সকালে ঘুম থেকে উঠে শৌচ সেরে হাত মুখ ধুয়ে, পবিত্র হয়ে "ওঁ" (ওমকার) ধ্বনি উচ্চারণ করা উচিত। "ওঁ" কার উচ্চারণ পদ্মাসন, অর্ধ পদ্মাসন, সুখাসন, বজ্রাসনে বসে ওম উচ্চারণ করা যেতে পারে। নিজের সময় অনুযায়ী এটি 5, 7, 10, 21,51,108  বার উচ্চারণ করাজেতে পারে। "ওঁ" জোরে উচ্চারণ করে করা যেতে পারে, আস্তে আস্তে করা যেতে পারে,
জপমালার সাথেও  করা যেতে পারে।
এটি শরীর এবং মনকে মনোনিবেশ করতে সহায়তা করবে। হৃদস্পন্দন এবং রক্ত সঞ্চালন নিয়মিত হবে। এতে মানসিক
শান্তি লাভ হয়, নানান রোগ দূর হয়। কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে। যে ব্যক্তি এটি উচ্চারণ করে এবং যিনি এটি শোনেন উভয়ই উপকৃত হন। এর উচ্চারণে শুদ্ধতা ও পবিত্রতার যত্ন নেওয়া হয়।

প্রিয় বা অপ্রীতিকর  শব্দ  বা ধ্বনি শ্রোতা এবং বক্তা উভয়কেই আনন্দ, দুঃখ, ক্রোধ, ঘৃণা, ভয় তথা কমেচ্ছার প্রবণতা অনুভব করে। অপ্রীতিকর শব্দ থেকে নির্গত শব্দ মস্তিষ্কে সৃষ্ট কামনা, ক্রোধ, আসক্তি, ভয়, লোভ ইত্যাদির অনুভূতির কারণে হৃদস্পন্দনকে ত্বরান্বিত করে, যার ফলে রক্তে 'বিষাক্ত' পদার্থ তৈরি হয়। তেমনি প্রিয় ও শুভ শব্দের ধ্বনি মন, হৃদয় ও রক্তে অমৃতের মতো আনন্দদায়ক রাসায়নিক বৃষ্টি করে।
"ওঁ" - সকালে:- প্রাতঃকালে ওমকার শব্দ উচ্চারণ কবলে। এটি শরীর ও মনকে মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে। হৃদস্পন্দন এবং রক্ত সঞ্চালন নিয়মতান্ত্রিক হবে।
"ওঁ" নমো – ওমের সঙ্গে নমো শব্দের মেলবন্ধন মন ও মনে নম্রতার অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। এটি ইতিবাচক শক্তি দ্রুত প্রবাহিত করে দেয়।

'ওঁ নমো গণেশ' - গণেশ হলেন আদিম দেবতা যিনি নতুন সূচনা এবং সাফল্যের প্রতীক। অতএব, "ওঁ গাং গণপতে নমঃ" উচ্চারণ শরীর ও মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষভাবে সহায়ক।
'ওঁ' সম্পর্কে প্রশ্ন উঠছে, ওম শব্দের গৌরবের কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে কি? এই দুনিয়াতে ওঁ এর উচ্চারণের কি কোনো লাভ আছে? এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি বৈজ্ঞানিক জার্নাল গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে যা এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে। রিসার্চ অ্যান্ড ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের প্রধান প্রফেসর জে মরগান এবং তার সহকর্মীরা সাত বছর ধরে ওঁ এর প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন
এই সময়ে তারা মস্তিষ্ক এবং হৃদয়ের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত 2500 পুরুষ এবং 200 মহিলাকে পরীক্ষা করেছিলেন। এর মধ্যে যারা অসুস্থতার শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছিলেন তারাও ছিলেন। এই সমস্ত রোগীদের জীবন বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধগুলিই দেওয়া হয়েছিল। বাকি সবকিছু বন্ধ ছিল।
সকাল 6 টা থেকে 7 টা অর্থাৎ সকালে এক ঘন্টা পর্যন্ত, এই সকল রুগীদের যোগ্য শিক্ষকদের দ্বারা শুদ্ধ , শান্ত , পরিছন্ন এবং উন্মুক্ত পরিবেশে 'ওঁ' জপ  করান হয়েছিল। এই দিনগুলিতে, তাদেরকে বিভিন্ন শব্দ ফ্রিকোয়েন্সিতে 'ওঁ' জপ করান হয়েছিল। প্রতি তিন মাস অন্তর হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক ছাড়াও পুরো শরীর স্ক্যান করা হয়। চার বছর ধরে এই প্রক্রিয়া করার পরে, যে প্রতিবেদনটি বেরিয়ে এসেছিল তা বিস্ময়কর ছিল।
70 শতাংশ পুরুষ এবং 85 শতাংশ মহিলা যখন তারা ওঁ জপ শুরু করেছিলেন তখন তাদের প্রাক-কোভিড অবস্থার প্রাক-কোভিড অবস্থার 90 শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। কিছু লোক মাত্র 20 শতাংশ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। এর কারণ ছিল প্রফেসর মরগান বলেছিলেন যে তার অসুস্থতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ 'ওঁ' স্লোগানের মাধ্যমেও নেশা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এর সুযোগ নিয়ে সারা জীবন সুস্থ থাকা সম্ভব হতে পারে।
'ওঁ' সম্পর্কে প্রফেসর মরগান বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি ও ধ্বনিতে ওম মন্ত্রোচ্চারণ হার্ট ও মস্তিষ্কের রোগীদের জন্য খুবই কার্যকরী, এখানে একটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ হলো যখন একজন ব্যক্তি ওম জপ করেন, তখন এই শব্দটি জিহ্বা থেকে বের হয় না বরং পেট থেকে নাভি মূল থেকে বের হয়।  বুক ও মস্তিষ্কে কাঁপুনি সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি (তরঙ্গ) এবং 'ওঁ' শব্দের ওঠানামা দ্বারা উত্পন্ন কম্পন ক্রিয়া মৃত কোষগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করে এবং নতুন কোষ তৈরি করে। তীব্র তরঙ্গ মস্তিষ্ক থেকে নাক, গলা, হৃদয়, পেট এবং পায়ে প্রেরণ করা হয়। রক্তের ব্যাধি নিরাময় করা হয় এবং জীবনীশক্তি বজায় রাখা হয়। শুধু তাই নয়, আয়ুর্বেদ ওম মন্ত্রোচ্চারণের অলৌকিক প্রভাবগুলিও বর্ণনা করে। এ ধরনের অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পাশ্চাত্যের মানুষও ভারতীয় আধ্যাত্মিক প্রতীকগুলির প্রতি উন্মুক্ততা দেখেছে।
               ( সঙ্কলিত)
    <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=======================

  ★7>" ওঁ "কার ও শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের ব্যাখ্যা:---

শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের  ওঁ কারের ব্যাখ্যা                  
শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের দর্শনে 'ওঁ' (Om) বা ওঁকার হলো পরমব্রহ্মের প্রতীক এবং সমস্ত বেদের সার। তিনি ওঁকারকে ঈশ্বরলাভের এক অমোঘ পথ ও শব্দব্রহ্ম হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
শ্রী শ্রী ঠাকুর বলেন
"তোমরা ওঁ কারের ব্যাখ্যা কেবল ওকার , উকার , মকার, কিনা সৃষ্টি,স্থিতি, প্রলয়, বল।
আমি উপমা দিই ওঁ কার ঘন্টার টং শব্দ।
ট-অ-অ-ম-ম।
লীলা থেকে নিত্যে লয়,স্থূল,সূক্ষ্ম, কারণ হতে মহাকারণে লয়, জাগ্রত,স্বপ্ন,
  সুষুপ্তি হতে তুরীয়েলয়।

ওঁকার শব্দব্রহ্ম ও সৃষ্টির আদিস্বন: ঠাকুর রামকৃষ্ণ বলেছেন, ওঁকার হলো সেই আদি শব্দ যা থেকে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি। এটি ঈশ্বর বা পরমাত্মার বাচক (নাম ও রূপ)। তিনি ওঁকারকে 'অ-উ-ম'—এই তিনটি ধ্বনির সমষ্টি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, যা সৃষ্টির স্থিতি ও প্রলয়—তিনটি অবস্থাকেই নির্দেশ করে। তাঁর মতে, এটি যেন পাখির ডাক বা ঘণ্টার ধ্বনির মতো—যা শেষ পর্যন্ত নীরবতায় বা নির্বাণে মিলিয়ে যায়

ঠাকুর বলতেন, "ওঁকার জপ করলে ভগবান লাভ হয়।" তিনি ওঁকারকে সাধনার একটি উচ্চস্তরের মাধ্যম হিসেবে মনে করতেন, যা মনকে নির্বিকল্প সমাধির দিকে নিয়ে যায়।
ওঁকার সাকার (রূপযুক্ত) এবং নিরাকার (রূপহীন) ঈশ্বরের মধ্যে সেতুস্বরূপ। এটি একই সাথে ব্রহ্মজ্ঞান এবং ভক্তি—উভয়কেই ধারণ করে।
সমাধি অবস্থায় সমস্ত মন্ত্র যখন থেমে যায়, তখন কেবল 'ওঁ' ধ্বনিটিই অবশিষ্ট থাকে, যা আত্মার পরমাত্মার সাথে মিলনের প্রতীক। সংক্ষেপে, রামকৃষ্ণ দেবের মতে, ওঁকার হলো পরমেশ্বরের নিরন্তর ধ্বনি, যা জপ ও ধ্যানের মাধ্যমে জীবাত্মা পরমাত্মার সাথে একীভূত হতে পারে।

  রামকৃষ্ণ পরমহংস (১৮ই ফেব্রুয়ারি, ১৮৩৬ – ১৬ই আগস্ট, ১৮৮৬; পূর্বাশ্রমের নাম গদাধর চট্টোপাধ্যায়) ঊনবিংশ শতকের এক প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি যোগসাধক, দার্শনিক ।  
তিনি "যত মত, তত পথ" দর্শনের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ঈশ্বরপ্রেমের প্রচার করেন ।
তাঁর প্রধান শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হয়ে রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন ।
শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:সাধনা ও দর্শন: তন্ত্র, বৈষ্ণব ভক্তি এবং অদ্বৈত বেদান্ত—বিভিন্ন মতের সাধনা করে তিনি ঈশ্বর উপলব্ধি করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ঈশ্বর এক, কিন্তু তাঁকে পাওয়ার পথ বহু ।
তিনি সহজ, সরল গ্রামীণ উপভাষায় ছোট গল্পের মাধ্যমে জটিল দার্শনিক তত্ত্ব (যেমন: সংসারের আসক্তি ত্যাগ করে ঈশ্বরে মন রাখা) বুঝিয়ে দিতেন ।
তিনি বঙ্গীয় নবজাগরণ এবং উনিশ শতকের হিন্দু নবজাগরণের অন্যতম কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব।
                 ( সংগ্রহীত)
   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
=======================

  ★8>সব মন্ত্র কেন ওম দিয়ে শুরু হয়::--

ওম' শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন 'ওম'-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয় এটি সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক হিন্দু ধর্মের সমস্ত মন্ত্রের শুরু হয় এই ধ্বনি দিয়ে।

ওম' শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন। এই বুৎপত্তি অনুযায়ী 'ওম'-কার এমন এক শক্তি যা সর্বজ্ঞ, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের শাসনকর্তা, রক্ষাকর্তা, মনোবাঞ্ছাপূর্ণকারী, অজ্ঞাননাশক ও জ্ঞানপ্রদাতা। 'ওম'-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয়, কারণ 'ওম' তিনটি মাত্রাযুক্ত – ‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’। ‘অ-কার’ ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ প্রারম্ভের প্রতীক। ‘উ-কার’ ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক। ‘ম-কার’ ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ লয়ের প্রতীক। অন্য ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক।

হিন্দু ধর্মের প্রতিটি সম্প্রদায় ও উপসম্প্রদায়ের নিকটেই এটি পবিত্র। স্বামী বিবেকানন্দের মতে, 'ওম'-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।” রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতে, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘'ওম' কালী’, ‘'ওম' কৃষ্ণ হয়েছেন।” হিন্দুশাস্ত্র মনে এই মন্ত্রের কাজ মনকে সকল ব্যকুলতা বা চঞ্চলতা থেকে ত্রান দেওয়া। মনের সার্বিক উন্নতির জন্য এই মন্ত্রের কোনও বিকল্প নেই। হিন্দু ধর্মের সমস্ত মন্ত্রের শুরু হয় এই ধ্বনি দিয়ে। কেন এই ধ্বনি দিয়েই সমস্ত মন্ত্রের সূচণা হয়। এই বিষয়ে কি বলছে সনাতন ধর্ম, জেনে নেওয়া যাক।

ধর্ম মতে ওঁ মন্ত্রে ব্রহ্মা,  বিষ্ণু এবং মহেশ্বর এই তিন দেবতাকে একত্র প্রতীক রূপে গন্য করা হয়। তাই যে কোনও মন্ত্র উচ্চারনের আগে এই ধ্বনি উচ্চারণ করে এই তিন দেবতাকে স্মরণ করা হয় বলেই সকল মন্ত্রের আগে এই  ধ্বনি উচ্চারন করা হয়। "'ওম'" শব্দটি তিন অক্ষরে তৈরী। "অ উ ম্।" "অ" এর অর্থ উৎপন্ন হওয়া, "উ" এর অর্থ উড়তে পারা বা বিকাশ, "ম" হলো মৌন হওয়া অর্থাৎ ব্রহ্মলীন হয়ে যাওয়া। "ওঁ" সম্পূর্ণ ব্রহ্মাণ্ডের উৎপত্তি একইসঙ্গে সৃষ্টির দ্যোতক। "ওঁ" এর উচ্চারণ শারীরিক লাভ প্রদান করে। এই ধ্বনি বিশ্বের আদি ধ্বনি বলে মনে করে হিন্দু সনাতন ধর্ম। শাস্ত্র মতে যে কোনও মন্ত্র উচ্চারণের আগে এই ধ্বনি উচ্চারন করলে সেই মন্ত্রকে মহাজগতের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়।
          (সঙ্কলিত)
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
========================

★9>ओम् हिंदी में om (ॐ)
गुरुमुखी में 'एक ओंकार'

ओ३म् (ॐ) या ओंकार का नामांतर प्रणव है।

यह ईश्वर का वाचक है।

ईश्वर के साथ ओंकार का वाच्य-वाचक-भाव संबंध नित्य है, सांकेतिक नहीं।

संकेत नित्य या स्वाभाविक संबंध को प्रकट करता है।

सृष्टि के आदि में सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही स्फुरण होता है।

तदनंतर सात करोड़ मंत्रों का आविर्भाव होता है। इन मंत्रों के वाच्य आत्मा के देवता रूप में प्रसिद्ध हैं।

ये देवता माया के ऊपर विद्यमान रह कर मायिक सृष्टि का नियंत्रण करते हैं। इन में से आधे शुद्ध मायाजगत् में कार्य करते हैं और शेष आधे अशुद्ध या मलिन मायिक जगत् में। इस एक शब्द को ब्रह्मांड का सार माना जाता है, 16 श्लोकों में इसकी महिमा वर्णित है।

================
★10>ॐ का जाप::---

माना जाता है कि एक बार ॐ का जाप हज़ार बार किसी मंत्र के जाप से महत्वपूर्ण है।

ॐ का दूसरा नाम प्रणव (परमेश्वर) है।

"तस्य वाचकः प्रणवः" अर्थात् उस परमेश्वर का वाचक प्रणव है।

इस तरह प्रणव अथवा ॐ एवं ब्रह्म में कोई भेद नहीं है।

ॐ अक्षर है इसका क्षरण अथवा विनाश नहीं होता।

ॐ धर्म, अर्थ, काम, मोक्ष इन चारों पुरुषार्थों का प्रदायक है।
          (संग्रहित)
   <--- आद्यनाथ राय चौधूरी---->
========================

      ★11>|| शिक्षनीय बिषय " ऊँ "=||   
            02/03/2017---

अक्षर "ऊँ" को पवित्र अक्षर माना जाता है।
हर धार्मिक अनुष्ठान की शुरुआत "ऊँ" के उच्चारण से किया जाता है।
"ऊँ "शब्द तीन अक्षरों अ, उ और म से मिलकर बना है। पर इसमें ऐसा क्या खास है कि इसे हिन्दुओं ने अपना पवित्र धार्मिक प्रतीक मान लिया है। असंख्य शब्दों और चिह्नों में से ऊँ और स्वास्तिक को ही क्यों चुना गया। ये सवाल महत्त है। जरा देखें ओम के उच्चारण से क्या घटित और परिवर्तित होता है।

ऊँ की ध्वनि मानव शरीर के लिए प्रतिकूल डेसीबल की सभी ध्वनियों को वातावरण से निष्प्रभावी बना देती है।विभिन्न ग्रहों से आनेवाली अत्यंत घातक अल्ट्रावायलेट किरणें ओम उच्चारित वातावरण में निष्प्रभावी हो जाती हैं।इसके उच्चारण से इंसान को वाक्य सिद्धि की प्राप्त होती है। चित्त एवं मन शांत एवं नियंत्रित हो जाते हैं। सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ऊँ को महत्व प्राप्त है।

बौद्ध दर्शन में ऊँ का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है। इस मंत्र के अनुसार, ऊँ को मणिपुर चक्र में अवस्थितमाना जाता है। यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है। जैन दर्शन में भी ऊँ के महत्व को दर्शाया गया है। कबीर निर्गुण संत एवं कवि थे। उन्होंने भी ऊँ के महत्व को स्वीकारा और इस पर साखियां भी लिखीं।

गुरुनानक ने ऊँ के महत्व को प्रतिपादित करते हुए लिखा- ओम सतनाम कर्ता पुरुष निर्भोनिर्बेरअकालमूर्त। ऊँ सत्य नाम जपने वाला पुरुष निर्भय, बैर-रहित एवं अकाल-पुरुष के सदृश हो जाता है।

इस तरह ऊँ के महत्व को सभी संप्रदाय के धर्म-गुरुओं, उपासकों, चिंतकों ने प्रतिपादित किया है, क्योंकि यह एकाक्षरी मंत्र साधना में सरल है और फल प्रदान करने में सर्वश्रेष्ठ।

यह ब्रह्मांड का नाद है एवं मनुष्य के अंतर में स्थित ईश्वर का प्रतीक। किसी भी मंत्र के पहले ऊँ जाेडने से वह शक्ति संपन्न हो जाता है। एक बार ऊँ का जाप हजार बार किसी मंत्र के जाप से अधिक महत्वपूर्ण माना जाता है।
   <--- आद्यनाथ राय चौधूरी-->
           |-02/03/2017-
========================

  ★12>ॐ के उच्चारण का रहस्य:::---

ॐ को ओम लिखने की मजबूरी है अन्यथा तो यह ॐ ही है।  ओम का यह चिन्ह 'ॐ' अद्भुत है। यह संपूर्ण ब्रह्मांड का प्रतीक है। बहुत-सी आकाश गंगाएँ इसी तरह फैली हुई है।
ब्रह्म का अर्थ होता है विस्तार, फैलाव और फैलना। ओंकार ध्वनि के 100 से भी अधिक अर्थ दिए गए हैं। यह अनादि और अनंत तथा निर्वाण की अवस्था का प्रतीक है।
आइंसटाइन भी यही कह कर गए हैं कि ब्राह्मांड फैल रहा है। आइंसटाइन से पूर्व भगवान महावीर ने कहा था। महावीर से पूर्व वेदों में इसका उल्लेख मिलता है। महावीर ने वेदों को पढ़कर नहीं कहा, उन्होंने तो ध्यान की अतल गहराइयों में उतर कर खोजें किया देखा तब कहा।
'ॐ'को ओम कहा जाता है। उसमें भी बोलते वक्त 'ओ' पर ज्यादा जोर होता है। इसे प्रणव मंत्र भी कहते हैं। इस मंत्र का प्रारंभ है अंत नहीं। यह ब्रह्मांड की अनाहत ध्वनि है। (अनाहत अर्थात किसी भी प्रकार की टकराहट या दो चीजों या हाथों के संयोग के उत्पन्न ध्वनि नहीं)। इसे अनहद भी कहते हैं। संपूर्ण ब्रह्मांड में यह अनवरत जारी है।
तपस्वी और ध्यानियों ने जब ध्यान की गहरी अवस्था में सुना की कोई एक ऐसी ध्वनि है जो लगातार सुनाई देती रहती है शरीर के भीतर भी और बाहर भी। हर कहीं, वही ध्वनि निरंतर जारी है और उसे सुनते रहने से मन और आत्मा शांती महसूस करती है तो उन्होंने उस ध्वनि को नाम दिया ओम।
साधारण मनुष्य उस ध्वनि को सुन नहीं सकता, लेकिन जो भी ॐ का उच्चारण करता रहता है उसके आसपास सकारात्मक ऊर्जा का विकास होने लगता है। फिर भी उस ध्वनि को सुनने के लिए तो पूर्णत: मौन और ध्यान में होना जरूरी है। जो भी उस ध्वनि को सुनने लगता है वह परमात्मा से सीधा जुड़ने लगता है। परमात्मा से जुड़ने का साधारण तरीका है ॐ का उच्चारण करते रहना।
ओम् (ॐ) ध्वनि में हिन्दू, मुस्लिम या ईसाई जैसी कोई बात नहीं है। यह सोचना कि ओ३म् किसी एक धर्म की निशानी है, ठीक बात नहीं, अपितु यह तो तब से चला आया है जब कोई अलग धर्म ही नहीं बना था। बल्कि ॐ तो किसी ना किसी रूप में सभी मुख्य संस्कृतियों का प्रमुख भाग है। यह तो अच्छाई, शक्ति, ईश्वर भक्ति और आदर का प्रतीक है।
उदाहरण के लिए अगर हिन्दू अपने सब मन्त्रों और भजनों में इसको शामिल करते हैं तो ईसाई और यहूदी भी इसके जैसे ही एक शब्द आमेन का प्रयोग धार्मिक सहमति दिखाने के लिए करते हैं। मुस्लिम इसको आमीन कह कर याद करते हैं, बौद्ध इसे ओं मणिपद्मे हूं कह कर प्रयोग करते हैं। सिख मत भी इक ओंकार अर्थात एक ओ३म के गुण गाता है।

अंग्रेज़ी का शब्द Omni, जिसके अर्थ अनंत और कभी ख़त्म न होने वाले तत्त्वों पर लगाए जाते हैं (जैसे ऑम्निप्रेज़ेंट, अम्निपियटेंट) भी वास्तव में इस ओ३म् शब्द से ही बना है। इतने से यह सिद्ध है कि ओ३म् किसी मत, मज़हब या सम्प्रदाय से न होकर पूरी इंसानियत का है। ठीक उसी तरह जैसे कि हवा, पानी, सूर्य, ईश्वर, वेद आदि सब पूरी इंसानियत के लिए हैं न कि केवल किसी एक सम्प्रदाय के लिए।
'ॐ' शब्द तीन ध्वनियों से बना हुआ है- अ, उ, म इन तीनों ध्वनियों का अर्थ उपनिषद में भी आता है। यह ब्रह्मा, विष्णु और महेश का प्रतीक भी है और यह भू: लोक, भूव: लोक और स्वर्ग लोग का प्रतीक है।
तंत्र योग में एकाक्षर मंत्रों का भी विशेष महत्व है। देवनागरी लिपि के प्रत्येक शब्द में अनुस्वार लगाकर उन्हें मंत्र का स्वरूप दिया गया है। उदाहरण के तौर पर कं, खं, गं, घं आदि। इसी तरह श्रीं, क्लीं, ह्रीं, हूं, फट् आदि भी एकाक्षरी मंत्रों में गिने जाते हैं।
सभी मंत्रों का उच्चारण जीभ, होंठ, तालू, दाँत, कंठ और फेफड़ों से निकलने वाली वायु के सम्मिलित प्रभाव से संभव होता है। इससे निकलने वाली ध्वनि शरीर के सभी चक्रों और हारमोन स्राव करने वाली ग्रंथियों से टकराती है। इन ग्रंथिंयों के स्राव को नियंत्रित करके बीमारियों को दूर भगाया जा सकता है।

प्रातः उठकर पवित्र होकर ॐ(ओंकार) ध्वनि का उच्चारण करें। ॐ का उच्चारण पद्मासन, अर्धपद्मासन, सुखासन, वज्रासन में बैठकर कर सकते हैं। इसका उच्चारण 5, 7, 10, 21,51,108 बार अपने समयानुसार कर सकते हैं। ॐ जोर से बोल सकते हैं, धीरे-धीरे बोल सकते हैं। ॐ जप माला से भी कर सकते हैं।
इससे शरीर और मन को एकाग्र करने में मदद मिलेगी। दिल की धड़कन और रक्तसंचार व्यवस्थित होगा। इससे मानसिक बीमारियाँ दूर होती हैं। काम करने की शक्ति बढ़ जाती है। इसका उच्चारण करने वाला और इसे सुनने वाला दोनों ही लाभांवित होते हैं। इसके उच्चारण में पवित्रता का ध्यान रखा जाता है।

प्रिय या अप्रिय शब्दों की ध्वनि से श्रोता और वक्ता दोनों हर्ष, विषाद, क्रोध, घृणा, भय तथा कामेच्छा के आवेगों को महसूस करते हैं। अप्रिय शब्दों से निकलने वाली ध्वनि से मस्तिष्क में उत्पन्न काम, क्रोध, मोह, भय लोभ आदि की भावना से दिल की धड़कन तेज हो जाती है जिससे रक्त में 'टॉक्सिक' पदार्थ पैदा होने लगते हैं। इसी तरह प्रिय और मंगलमय शब्दों की ध्वनि मस्तिष्क, हृदय और रक्त पर अमृत की तरह आल्हादकारी रसायन की वर्षा करती है।
"ॐ "- प्रातः उठकर ओंकार ध्वनि का उच्चारण करें। इससे शरीर और मन को एकाग्र करने में मदद मिलेगी। दिल की धड़कन और रक्त संचार व्यवस्थित होगा।
ॐ नमो - ओम के साथ नमो शब्द के जुड़ने से मन और मस्तिष्क में नम्रता के भाव पैदा होते हैं। इससे सकारात्मक ऊर्जा तेजी से प्रवाहित होती है।
ॐ नमो गणेश - गणेश आदि देवता हैं जो नई शुरुआत और सफलता का प्रतीक हैं।
अत: ॐ गां  गणपतये नम: का उच्चारण विशेष रूप से शरीर और मन पर नियंत्रण रखने में सहायक होता है।

ओम्‌ के संबंध में यह प्रश्न उत्पन्न होता है कि क्या ओम्‌ शब्द की महिमा का कोई वैज्ञानिक आधार हैं? क्या इसके उच्चारण से इस असार संसार में भी कुछ लाभ है? इस संबंध में ब्रिटेन के एक साईटिस्ट जर्नल ने शोध परिणाम बताये हैं जो यहां प्रस्तुत हैं। रिसर्च एंड इंस्टीट्‌यूट ऑफ न्यूरो साइंस के प्रमुख प्रोफ़ेसर जे. मार्गन और उनके सहयोगियों ने सात वर्ष तक ‘ओ३म्‌’ के प्रभावों का अध्ययन किया।
इस दौरान उन्होंने मस्तिष्क और हृदय की विभिन्न बीमारियों से पीडि़त 2500 पुरुषो और 200 महिलाओं का परीक्षण किया। इनमें उन लोगों को भी शामिल किया गया जो अपनी बीमारी के अन्तिम चरण में पहुँच चुके थे। इन सारे मरीज़ों को केवल वे ही दवाईयां दी गई जो उनका जीवन बचाने के लिए आवश्यक थीं। शेष सब बंद कर दी गई।
सुबह 6 - 7 बजे तक यानी कि एक घंटा इन लोगों को साफ, स्वच्छ, खुले वातावरण में योग्य शिक्षकों द्वारा ‘ओ३म्‌’ का जप कराया गया। इन दिनों उन्हें विभिन्न ध्वनियों और आवृतियो में ‘ओ३म्‌’ का जप कराया गया। हर तीन माह में हृदय, मस्तिष्क के अलावा पूरे शरीर का ‘स्कैन’ कराया गया। चार साल तक ऐसा करने के बाद जो रिपोर्ट सामने आई वह आश्चर्यजनक थी।
70 प्रतिशत पुरुष और 85 प्रतिशत महिलाओं से ‘ओ३म्‌’ का जप शुरू करने के पहले बीमारियों की जो स्थिति थी उसमें 90 प्रतिशत कमी दर्ज की गई। कुछ लोगों पर मात्र 20 प्रतिशत ही असर हुआ। इसका कारण प्रोफ़ेसर मार्गन ने बताया कि उनकी बीमारी अंतिम अवस्था में पहुंच चुकी थी। इस प्रयास से यह परिणाम भी प्राप्त हुआ कि नशे से मुक्ति भी ‘ओ३म्‌’ के जप से प्राप्त की जा सकती है। इसका लाभ उठाकर जीवन भर स्वस्थ रहा जा सकता है।
  'ॐ '  को लेकर प्रोफ़ेसर मार्गन कहते हैं कि शोध में यह तथ्य पाया कि ॐ का जाप अलग अलग आवृत्तियों और ध्वनियों में दिल और दिमाग के रोगियों के लिए बेहद असर कारक है यहाँ एक बात बेहद गौर करने लायक़ यह है जब कोई मनुष्य ॐ का जाप करता है तो यह ध्वनि जुबां से न निकलकर पेट से निकलती है यही नहीं ॐ का उच्चारण पेट, सीने और मस्तिष्क में कम्पन पैदा करता है।
विभिन्न आवृतियो (तरंगों) और ‘ॐ’ ध्वनि के उतार चढ़ाव से पैदा होने वाली कम्पन क्रिया से मृत कोशिकाओं को पुनर्जीवित कर देता है तथा नई कोशिकाओं का निर्माण करता है रक्त विकार होने ही नहीं पाता। मस्तिष्क से लेकर नाक, गला, हृदय, पेट और पैर तक तीव्र तरंगों का संचार होता है। रक्त विकार दूर होता है और स्फुर्ती बनी रहती है। यही नहीं आयुर्वेद में भी ॐ के जाप के चमत्कारिक प्रभावों का वर्णन है। इस तरह के कई प्रयोगों के बाद भारतीय आध्यात्मिक प्रतीक चिह्नों को के प्रति पश्चिम देशों के लोगों में भी खुलापन देखा गया।
              ( संकलित)
  <-- आद्यनाथ राय चौधूरी---->
=======================

   ,  

Wednesday, April 8, 2026

28>|| মাত্র 25 মিনিটের যোগ (Ben+Eng+Hindi)

28>|| মাত্র 25 মিনিটের যোগ (Ben+Eng+Hindi)


একটু ধীর স্থির,

মাত্র 25 মিনিটের যোগ,

বাড়বে মন সংযোগ,

এতেই হতে পারে গভীর  থেকে গভীর মনযোগ।


"স্বামীজী বলছেন, যা-কিছুই কর না কেন, একেবারে নিশ্ছিদ্র মনোযোগ দিয়ে করো! এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে, উত্তরাখণ্ডে একবার একজন সাধুকে ধ্যান করার বিষয়ে একেবারে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশ দিতে দেখেছিলাম---

  "হিলো মৎ! বোলো মৎ! সোচো মৎ!” (ধ্যানে বসে নড়বে চড়বে না, কথা বলবেনা, এমনকী বাইরের কিছু নিয়ে ভাববেও না!)


অর্থাৎ, ধ্যেয় বস্তুতে একাগ্রতা ধরে রাখা এবং সেইটি ব্যতীত আর অন্য কিছুতে মনোনিবেশ না করা।


যাঁদের একাগ্রতা দীর্ঘস্থায়ী হয় না, তাঁরা একটি প্রণালী অনুসরণ করে দেখতে পারেন-এটিও পজিটিভ সাইকোলজিস্টদেরই প্রণীত।

 তাঁরা বলেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে সর্বাধিক পঁচিশ মিনিট মানুষ নিজের একাগ্রতা ধরে রাখতে পারে। 

একাগ্রতা বজায় রাখতে যাঁরা পারদর্শী, তাঁদের ক্ষেত্রে এই সময়কাল অবশ্যই আরও দীর্ঘ। 

কিন্তু যাঁদের মনঃসংযোগে অসুবিধা হয়, তাঁরা নিজেদের পড়ার বা কাজের সময়টিকে পঁচিশ মিনিটের এক-একটি ব্লকে ভাগ করে নিতে পারেন। একদম নিজের কাজ নিয়ে  নিজে সঙ্কল্প করুন যে, এখন থেকে সামনের পঁচিশ মিনিট মোবাইল ফোন ঘাঁটা, বন্ধুর সঙ্গে গল্প, এদিক-সেদিক ভাবনাচিন্তা-সব বন্ধ!


 এই পঁচিশ মিনিট কেবল আমার কাজ বা পড়ার বিষয়ে আমি নিজেকে বেঁধে রাখব। পঁচিশ মিনিট পর যদি ইচ্ছা করে, না হয়, একটি ছোট বিরতি নিলেন কাজ থেকে। একটু হাত-পা ছাড়িয়ে নিন, একটু হেঁটে আসুন, জল খান; তারপর আবার পরের পঁচিশ মিনিট পূর্ণ একাগ্রতা সহকারে কাজ করুন।"


📙 বেদান্ত যাপন 

✍️ স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ মহারাজ 🙏

=======================

||★■ Just 25 minutes of yoga ||


A little slow and steady,

Just 25 minutes of yoga,

Will increase concentration,

This can lead to deep, deep focus.


"Swami Vivekananda says, whatever you do, do it with absolute, unbroken concentration! In this context, I remember once seeing a sadhu in Uttarakhand giving very specific instructions on meditation---

"Hillo mat! Bolo mat! Socho mat!" (When meditating, don't move, don't speak, and don't even think about anything external!)"


That is, maintaining single-minded focus on the object of meditation and not concentrating on anything else.


Those whose concentration is not long-lasting can try following a method – this too was formulated by positive psychologists.

They say that a person can maintain their concentration for a maximum of twenty-five minutes continuously.

For those who are adept at maintaining concentration, this period is certainly longer.

But those who have difficulty concentrating can divide their study or work time into twenty-five-minute blocks. Make a firm resolution with yourself that for the next twenty-five minutes, no mobile phone browsing, no chatting with friends, no wandering thoughts – everything is off!


For these twenty-five minutes, I will confine myself solely to my work or studies. After twenty-five minutes, if you wish, you can take a small break from work. Stretch your limbs a bit, take a short walk, drink some water; then again, work with full concentration for the next twenty-five minutes."


📙 Vedanta Jāpan

✍️ Swami Sarvapriyananda Maharaj 🙏

=======================

||★ ■ केवल 25 मिनट का योग ||


थोड़ा धीरे-धीरे,

सिर्फ 25 मिनट का योग,

सचेतनता बढ़ेगी,

यसमे ध्यान अच्छे गहरा हो सकता है।


"स्वामी बिबेकानन्द जी कहते हैं, आप जो कुछ भी करते हैं, उसे पूरे ध्यान से करें! इस संदर्भ में, मुझे याद है कि उत्तराखंड में एक बार मैंने एक संत को ध्यान पर बहुत विशिष्ट निर्देश देते हुए देखा---

  "हीलो मत! बोलो मत! सोचो मत !" (ध्यान में बइठ कर , हिलना मत, बात मत करना, बाहर की किसी भी चीज के बारे में सोचो मत !)


यानी ध्येय वस्तु पर ध्यान केंद्रित करना और उसके अलावा किसी भी चीज पर ध्यान केंद्रित न करना।

उन लोगों के लिए जिनकी एकाग्रता लंबे समय तक चलते नहीँ है ,उन लोग ऐसी एक विधि

कोशिश कर सकते हैं जो सकारात्मक मनोवैज्ञानिकों द्वारा ही तैयार कीया है।

 उनका कहना है कि लोग अधिकतम (25) पच्चीस मिनट तक अपनी एकाग्रता बनाए रख सकते हैं। 

जो लोग एकाग्रता बनाए रखने में माहिर हैं, उनके लिए यह अवधि निश्चित रूप से लंबी है। 



लेकिन जिन लोगों को ध्यान केंद्रित करने में कठिनाई होती है, वे अपने पढ़ने या काम के समय को पच्चीस मिनट के ब्लॉक में विभाजित कर सकते हैं। 


अर्थात अगले पच्चीस मिनट अपने मोबाइल फोन पर नही बिताने, अपने दोस्तों से बात नेही करनेकी और बहार के कोई भी चिंता नही करने का संकल्प लें।


ये पच्चीस मिनट केवल मेरे काम या पढ़ने के बारे में होंगे। पच्चीस मिनट के बाद, अगर वह चाहता था, तो उसने काम से एक छोटा ब्रेकL लिया। अपने हाथों और पैरों को फैलाएं, टहलें, पानी पीएं; फिर अगले पच्चीस मिनट के लिए पूरी एकाग्रता के साथ फिर से काम करें। "


📙 वेदांत लिविंग 

✍️ स्वामी सर्वप्रियानंद महाराज 🙏

=======================


Friday, March 13, 2026

27> || ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ ||

   27> || ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ ||


ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ

সর্বে ভদ্রাণী পশ্যন্তু মা কশ্চিদ দুঃখ ভাবভবেৎ।।

ওঁ স্থাপকায় চ ধর্মস্য সর্ব ধর্ম স্বরূপিণে।

অবতার বরিষ্ঠায় রামকৃষ্ণায় তে নমঃ ।।


ওঁ যথাগ্নের্দাহিকাশক্তিঃ রামকৃষ্ণে স্থিতা 

 হি য়া।

সর্ববিদ্যাস্বরূপাং তাং সারদাং প্রণমাম্যহম্।

ওঁ জননীং সারদাং দেবীং রামকৃষ্ণে জগদগুরুম্।

পাদপদ্মে তয়োঃ শ্রিত্বা প্রণামামি মুর্হুমুহুঃ৷।


ওঁ নমঃ শ্রীযতিরাজায় বিবেকানন্দসুরয়ে।

সচ্চিৎ সুখস্বরূপায় স্বামিনে তাপহারিণে।।

ওঁ পরতত্ত্বে সদালীনো রামকৃষ্ণসমাজ্ঞয়া।

যো ধর্মস্থাপনরতো বীরশং তং নমাম্যহম্।।

জয় ভগবান রামকৃষ্ণদেব কী জয়,

জয় মহামায়েকী জয়,

জয় স্বামীজি মহারাজ কী জয়,

জয় গুরু মহারাজ কী জয়,,,

============


सर्वे भवन्तु सुखिनः सर्वे सन्तु निरामयाः।

सर्वे भद्राणि पश्यन्तु मा कश्चित् दुःखभाग् भवेत्।।

 हे ईश्वर मेरे समस्त मित्रों व परिवार को 

सुखी रखना। सभी को स्वास्थ्य और शांति प्रदान करें, किसी को भी कष्ट न हो।


ॐ शांति,    ॐ शांति,    ॐ शांति,


 ॐ स्थापकाय च धर्मस्य सर्वधर्मस्वरूपिणे।

   अवतार वरिष्ठाय रामकृष्णय ते नमः


 ॐ यथाग्नेरदाहिकाशक्तिः रामकृष्णे स्थिता ही या।

सर्वविद्या स्वरूपां तां शारदां प्रणमामि-अहम् ।।


ॐ जननीं सरदांदेवीं रामकृष्णे जगदगुरुम्।

पादपद्मे तयो: श्रीत्वा प्राणमामि मुरहुमुहु।।


ॐ नमः श्रीयतिराजाय  विवेकानंद सुरये।

 सच्चित् सुखस्वरूपाय  स्वामिणे तापहारिणे।।


 ॐ परतत्त्वे  सदालीनो रामकृष्ण समझया।

 यो धर्मस्थापनरतो बीरशं तं नमाम्यहम ।।


जय भगवान रामकृष्ण देब की जय,

जय महामायेकी जय,

जय स्वामीजी महाराज की जय,

जय गुरु महाराज की जय।

=====================


ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ

সর্বে ভদ্রাণী পশ্যন্তু মা কশ্চিদ দুঃখ ভাবভবেৎ।।

{(হে ঈশ্বর,

আমার সকল মিত্র বন্ধু ও পিরিচিত জন, সমস্ত পরিবার সহিত সকলকে সুখী করুন,নিরোগ  এবং শান্তি প্রদান করুন, কেউ যেন দুঃখ ভোগ লাভ না করে।। 

ওঁ শান্তি, ওঁ শান্তি, ওঁ শান্তি।।) }



ওঁ যথাগ্নের্দাহিকাশক্তিঃ রামকৃষ্ণে স্থিতা 

 হি য়া।

সর্ববিদ্যাস্বরূপাং তাং সারদাং প্রণমামি-অহম্।।


{( আগুনের যেমন দাহিকা শক্তি (পোড়ানোর ক্ষমতা) থাকে, তেমনই শ্রীরামকৃষ্ণে যিনি (শক্তি) সর্বদা অবস্থান করেন, সেই সমস্ত বিদ্যার স্বরূপা (সাক্ষাৎ জ্ঞানরূপা) শ্রীসারদা দেবীকে আমি প্রণাম করি। )}

Monday, February 23, 2026

26>মহা শক্তিশালী শিব স্তুতি::---

 26>মহা শক্তিশালী শিব স্তুতি::-----

মহা ভয়,কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে 

প্রতি সোমবার জপ করতে হবে।

★★মন্ত্র::--

আশুতোষ শশাঙ্কশেখর,

চন্দ্রমৌলী চিদম্বরা,

কোটি কোটি প্রণাম শম্ভু

কোটি নমণ দিগম্বরা।

==============================

আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর (শিব স্তোত্র)
আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর চন্দ্র মৌলি চিদম্বরা,
কোটি কোটি প্রণাম শম্ভু কোটি নমন দিগম্বর।
নির্বিকার ওংকার অবিনাশী তুমি দেবাদিদেব,

জগত স্রষ্টা প্রলয় কর্তা শিবম সত্যম সুন্দরা।

দয়ানিধি দানিশ্বর জয় জটাধর অভয়ংকরা,

আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর...
শূলপাণি ত্রিশূলধারী অউগড় বাঘম্বরী,
নাথ নাগেশ্বর হরো হর পাপ তাপ অভিশাপ তম।
জগতপতি অনুরাগী ভক্তি সদাই তব চরণ হো,
জনম জীবন জগত কা সংতাপ তাপ মিটে সভি।
আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর...



Thursday, February 5, 2026

25>পূর্ব পুরুষদের আশীর্বাদ পাবার জন্য::-

 

25>পূর্ব পুরুষদের আশীর্বাদ পাবার জন্য::--



Pankaj Tiwari, Pankaj Provakar

Munna, Santosh, Kamlesh::--


पूर्वज  की आशीर्वाद पाने के लिए।::---


रोज रात में सोनेकी पहले एक  ग्लास साफ पानी रसोईमें साफ जगह पर रख दीजिए।

ग्लास में दक्कन नहीं देना।

अर्थात पानी पूर्ण ग्लास रखे। दक्कन नहीं देंगे।

ग्लास को रसोई में अच्चे स्थान पर रखे।

जहपर ग्लास रखेंगे उस स्थान साफ होना चाहिए।

रात भर ओह पानी रहेंगे।

सबेरे उठ कर आप या आपके स्त्री कोई भी उस ग्लास की पाने से  घर की सामने वाला प्रधान दरवाजा की बाहर तरफ छिड़काव करे फिर पीछे की दरवाजा की बाहर तरफ ।

उसी एक ग्लास पानी से ही दोन दरवाजा की बाहर तरफ छिड़काव करे।

इस प्रक्रिया काल शुक्रवार से प्रारंभ होंगे चलेगी साल भर।

जबतक घर में रहेंगे तबतक बंद नहीं होना चाहिए।

कोई भी छूत अच्छूत  में बंद नहीं करना है।

अगर जिसदिन आप लोग घर में नहीं रहेंगी उस दिन  सिर्फ बंद होंगे।

नहीतो चलते रहेंगे।

"=====================


Sunday, January 25, 2026

24>সুরক্ষা প্রার্থনা=পঞ্চদেব মন্ত্র

     24>সুরক্ষা প্রার্থনা=পঞ্চদেব মন্ত্র

     (এটি একটি সুরক্ষা মন্ত্র)

 'পঞ্চদেব মন্ত্র':--

"ওম সদা ভবানী ডাহিনে, সন্মুখ রাহে গণেশ,

পঞ্চদেব রক্ষা করে, ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ।" 


অর্থাৎ::--

 'সর্বদা ভবানী (মা দুর্গা) আমাদের ডানদিকে থাকুন'। 

গনেশ, ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ-এর মতো পঞ্চদেবতার সাথে মা দুর্গা (ভবানী)-র কৃপা ও সুরক্ষা প্রাদান করে। 



অর্থ:

ওম (Om): পরম সত্তার ধ্বনি।

সদা (Sada): সর্বদা/সবসময়।

ভবানী (Bhawani): মা দুর্গা/পার্বতী।

ডাহিনে (Dahine): ডানদিকে।

সন্মুখ রাহে গণেশ (Sanmukh Rahe Ganesh): গনেশ আমাদের সামনে থাকুন।

পঞ্চদেব রক্ষা করে (Panchdev Raksha Kare): পঞ্চদেবতা (ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ, সূর্য, গণেশ) আমাদের রক্ষা করুন।

ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ (Brahma Vishnu Mahesh): ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর। 


এই মন্ত্রটি কোন স্থানে যাত্রা কালে , কোন শুভ কাজ প্রারম্ভে বা যেকোনো বিপদের সময় পঞ্চদেবতা ও মা দুর্গার সুরক্ষা কামনায় জপ করলে নিশ্চিত শুভ ফল প্রাপ্তি হয়।


  मंत्र:----

★★"ॐ सदा भवानी दाहिनी सन्मुख रहे गणेश,

पाँच देव रक्षा करें ब्रह्मा विष्णु महेश"


यह मंत्र किसी भी स्थान की यात्रा करते समय, किसी शुभ कार्य की शुरुआत में या किसी भी मुसीबत के समय पंचदेवता और मां दुर्गा की सुरक्षा के लिए जपने से निश्चित रूप से शुभ फल प्राप्त होता है।

====================