Monday, May 4, 2026

29/1> 'ওঁ'-- ऊं-- ॐ--কারের ভাবনা::--(1--12)

 

29/1> 'ওঁ'-- ऊं-- ॐ--কারের ভাবনা::--
      2> প্রণব -'ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ--
       3>★★ওঁ এবং ঔঁ-কার এদের মাঝে 
                পার্থক্য কি?
      4>★★ওম = প্রণব।
      5> ||--শিক্ষণীয় বিষয় =ऊँ= -||
      6>" ওঁ"-- "ॐ" উচ্চারণের রহস্য::---
     7>" ওঁ "কার ও শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ
           দেবের ব্যাখ্যা:---
     8>সব মন্ত্র কেন ওম দিয়ে শুরু হয়::--

      9>ओम् हिंदी में om (ॐ)
     10>ॐ का जाप::--
     11>||शिक्षनीय बिषय " ऊँ "=||
     12>ॐ के उच्चारण का रहस्य:::---
     
  
====================
29/1> "ওঁ"-- ऊं-- ॐ--কারের ভাবনা::--

       "ওঁ"-----

1>সব মন্ত্র কেন "ওঁ"  দিয়ে শুরু হয়...

ওম' শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন 'ওম'-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয় এটি সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক হিন্দু ধর্মের সমস্ত মন্ত্রের শুরু হয় এই ধ্বনি দিয়ে।

ওম' শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন। এই বুৎপত্তি অনুযায়ী 'ওম'-কার এমন এক শক্তি যা সর্বজ্ঞ, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের শাসনকর্তা, রক্ষাকর্তা, মনোবাঞ্ছাপূর্ণকারী, অজ্ঞাননাশক ও জ্ঞানপ্রদাতা। 'ওম'-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয়, কারণ 'ওম' তিনটি মাত্রাযুক্ত – ‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।
●'অ-কার’ ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ প্রারম্ভের প্রতীক।
●'উ-কার’ ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক।
●'ম-কার’ ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ লয়ের প্রতীক।
অন্য ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক।

হিন্দু ধর্মের প্রতিটি সম্প্রদায় ও উপসম্প্রদায়ের নিকটেই এটি পবিত্র।
স্বামী বিবেকানন্দের মতে, 'ওম'-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।” রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতে, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘'ওম' কালী’, ‘'ওম' কৃষ্ণ হয়েছেন।” হিন্দুশাস্ত্র মনে এই মন্ত্রের কাজ মনকে সকল ব্যকুলতা বা চঞ্চলতা থেকে ত্রান দেওয়া। মনের সার্বিক উন্নতির জন্য এই মন্ত্রের কোনও বিকল্প নেই। হিন্দু ধর্মের সমস্ত মন্ত্রের শুরু হয় এই ধ্বনি দিয়ে।
★কেন এই ধ্বনি দিয়েই সমস্ত মন্ত্রের সূচণা হয়। এই বিষয়ে কি বলছে সনাতন ধর্ম, জেনে নেওয়া যাক।

ধর্ম মতে ওঁ মন্ত্রে ব্রহ্মা,  বিষ্ণু এবং মহেশ্বর এই তিন দেবতাকে একত্র প্রতীক রূপে গন্য করা হয়। তাই যে কোনও মন্ত্র উচ্চারনের আগে এই ধ্বনি উচ্চারণ করে এই তিন দেবতাকে স্মরণ করা হয় বলেই সকল মন্ত্রের আগে এই  ধ্বনি উচ্চারন করা হয়। "'ওম'" শব্দটি তিন অক্ষরে তৈরী। "অ উ ম্।"
●"অ" এর অর্থ উৎপন্ন হওয়া,
●"উ" এর অর্থ উড়তে পারা বা বিকাশ,
●"ম" হলো মৌন হওয়া অর্থাৎ ব্রহ্মলীন হয়ে যাওয়া।
●"ওঁ" সম্পূর্ণ ব্রহ্মাণ্ডের উৎপত্তি একইসঙ্গে সৃষ্টির দ্যোতক।
●"ওঁ" এর উচ্চারণ শারীরিক লাভ প্রদান করে। এই ধ্বনি বিশ্বের আদি ধ্বনি বলে মনে করে হিন্দু সনাতন ধর্ম। শাস্ত্র মতে যে কোনও মন্ত্র উচ্চারণের আগে এই ধ্বনি উচ্চারন করলে সেই মন্ত্রকে মহাজগতের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়।

=====================
★2> প্রণব -'ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ----
  ওঁ(প্রণব).
ওঁ-কার ত্র্যক্ষর,কারণ
"ওঁ "শব্দ অ ,উ ,ম, তিনটি অক্ষর।

এ-হেন ত্র্যক্ষরে লুকিয়ের আছে অনেক শক্তি। আমাদের ভাবনার অধিক শক্তি নিহিত আছে এই তিন অক্ষরে এই "ওঁ " শব্দের অন্তরে।

"ওঁ" আমাদের ধর্মের প্রতীক
"ওঁ" এর অনেক মান্যতা ।

অসংখ শব্দ ও চিহ্নে থাকতে কেবল ওই "ওঁ "/ওম শব্দ  তার কেন এত মান্যতা,
এই টুকুই ভাবনার বিষয়।

‘ওঁ’, ওঁ উচ্চারণ অত্যন্ত পবিত্র।

ঈশ্বরের তিনটি কর্ম—
সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ।
এই তিন কার্য সম্পন্ন করার জন্য  তিন দেবতার সৃষ্টি।
এঁরাই হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।
অন্যান্য সকল দেবদেবী এঁদের অধীন।
তাই ওঁ- অ, উ, ম, এই তিন অক্ষর,
তিন দেবতার শক্তির পরিচয়।

অ- সৃষ্টির সূচক (ব্রহ্মা)
উ- স্থিতির সূচক (বিষ্ণু)
ম- বিনাশের সূচক (শঙ্কর)

ইংরেজিতে GOD শব্দের অর্থও তাই।
G- Generator (সৃষ্টি)
O- Operator (স্থিতি বা পালন)
D- Destructor (লয় বা বিনাশ)।

ওঁ উচ্চারণে হয় শক্তির সৃষ্টি,
সেই শক্তিতেই হয় শারীরিক ও মানসিক শক্তির বৃদ্ধি, মনের একাগ্রতার হয় সৃষ্টি।

ওঁ বা ওঁ-কার বা ওঙ্কার, অ + উ +ম্।
‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।

‘অ-কার’= ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ
         প্রারম্ভের প্রতীক বা সৃষ্টির সূচক।

‘উ-কার’= ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-
               এর প্রতীক,বা স্থিতির সূচক।

‘ম-কার’= ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ
         লয়ের প্রতীক, বিনাশের সূচক।

আমাদের ঋষি, সাধক এবং তপস্বী গণের অনুভব এমনটা যে----
নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে শুদ্ধ ভাবে
   "ওঁ " এর উচ্চারণে মানুষ বাকসিদ্ধ হতে
           পারে।এবং  শরীর মন শুদ্ধ হয়।
সর্ব প্রকার রোগ জ্বালা দূর হয়।
কারণ ওম এমনি এক ধ্বনি যেস্থানে এই ধ্বনি নিয়মিত উচ্চারিত হয় সেই স্থানের পরিবেশ শুদ্ধ হয়।
এই ধ্বনি উচ্চারনের ভাইব্রেশনে/ তথা কম্পন প্রভাবিত করে পরিবেশ প্রকৃতির।
ফলে সেই স্থানের সকল অশুভ ও নিগেটিভ ধ্বনি বা তাদ্বারা সৃষ্ট ভাইব্রেশন তথা কম্পনের কু প্রভাব নির্মূল হয়।

"ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন
এত প্রচন্ড শক্তি শালী যে তা আমাদের কল্পনার অতীত।
মনুষ্য শরীরে এই "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন
তথা কম্পন, শরীরকে ও মনকে শান্ত,  নিয়ন্ত্রিত করে। সেই কারনে শুধু সনাতন ধর্ম ই নয়, ভারতের অন্যান্য ধর্ম ও দর্শনে ও এই "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।

বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে "ওঁ " এর প্রয়োগ
জপ ও উপাসনাতে বিশেষ মহত্ব লাভ করেছে।

জৈন ধর্ম ও দর্শনেও "ওঁ ' এর মাহাত্বের
বর্ননা পাওয়াযায়।

শব্দই ব্রহ্ম।
সকল শব্দের শ্ৰেষ্ঠ শব্দ "ওঁ " ।
সকল ধর্মের ই বিশেষ বিশেষ শব্দ আছে
যা তাঁরা পবিত্র বলে মনে করেন এবং বিভিন্ন ভাবে উচ্চারিত, ব্যবহৃত ও প্রয়োগ হয়।

আমাদেরএই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির কাল থেকেই "ওঁ " শব্দের সৃষ্টি।
ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির প্রকৃতির অমোঘ শক্তির
লীলা খেলায় যে শব্দ বা ভাইব্রেশন
তথা কম্পনে উৎপন্ন হয়ে সমগ্র ব্রহ্মান্ডকে প্রভাবিত করেছিল, সেই শব্দই "ওঁ " শব্দ।

শব্দই ব্রহ্ম , ব্রহ্ম ই ব্রহ্মান্ড।ড

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানবজীবন।
তাইতো মানব শিশুর জন্ম ক্ষণ থেকেই
ওই "ওঁ " শব্দের চিৎকারে সকল কে
জানিয়ে দেয় তার আগমনী বার্তা।
এবং সেই জন্ম মুহূর্ত থেকে শুরু করে
তাঁর মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ,চলতে থাকে
নিরলস ভাবে সাচ্ছন্দে তাঁর অন্তরে বাহিরে, প্রতিটি শ্বাস প্ৰশ্বাসের সাথে ওই "ওঁ "শব্দ।

এই "ওঁ "শব্দ একটি মাত্র শব্দ যা মানুষের নাভি মূল (মণিপুর )থেকে উৎপন্ন হয়।
এবং শ্বাস প্রস্বাস এর সাথে সাথে নিরলস ভাবে চলতে থাকে এই "ওঁ "শব্দ ব্রহ্ম বা নাদ ধ্বনি।

ঋষি,তপস্বী ,ধ্যানী ,যোগী গণ প্রকৃতি তে
প্রতিনিয়ত এই ধ্বনি শ্রবনে সক্ষম।

আমরা সাধারণ মানুষ এই ধ্বনি অনুভব করতে পারিনা। এহেন জাগতিক প্রবল শক্তি সম্পন্ন ধ্বনি শ্রবণ করবার মত ক্ষমতা আমাদের সাধারণ মানুষের নাই।

ওঁ-কার ধর্মীয় চিহ্ন হলেও ব্যবহারিক জীবনে ওঁ-কারের প্রয়োগ আরও ব্যাপক।

প্রত্যেকটি মন্ত্র ওঁ-কার দিয়ে ই হয় শুরু।
খ্রিস্টধর্মের প্রতীক ক্রুশ ও বেল।
ক্রুশ হলো পবিত্রতার প্রতীক।
যার অর্থ মানবজাতির পরিত্রাণ।
বেল বা ঘণ্টার ধ্বনি অতি পবিত্র।
এই ঘণ্টার আওয়জ যতদূর যায়
ততদূর পবিত্র থাকে।
এই ঘণ্টার শব্দের দ্বারা পরমপিতাকে
আহ্বান করা হয়।
এ জন্য গির্জায় নির্দিষ্ট সময়ের অন্তর ঘণ্টা বাজে।
এই ঘণ্টার মধুর আওয়াজ এর মধ্যে দিয়ে ঈশ্বর অনুরাগীদেরও আহ্বান করা হয়।

সনাতন ধর্মে দু’রকমের প্রতীক আছে,
শব্দ প্রতীক ও সাকার প্রতীক।
শব্দের মধ্য দিয়ে মন্ত্র উচ্চারণ করা হয়।
মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে আধ্যাত্মিক উন্নতি হয়।

ওঁ উচ্চারণ করলে শারীরিক ও মানসিক শক্তির সৃষ্টি হয়। মনে একাগ্রতা আসে।
এটি হিন্দু দর্শনের সর্বোচ্চ ঈশ্বর ব্রহ্মের বাচক।

স্বামী বিবেকানন্দের মতে, ওঁ-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।

” রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবার কথামতে, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।”
●ওঁ-কার বৌদ্ধ ও জৈনদেরও একটি পবিত্র প্রতীক।
শিখ সম্প্রদায়ও এটিকে সম্মান করেন।

●💝 প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ,

ওঁ শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন, যা একাধারে ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে প্রযোজ্য। এই বুৎপত্তি অনুযায়ী ওঁ-কার এমন এক শক্তি যা সর্বজ্ঞ, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের শাসনকর্তা, অমঙ্গল থেকে রক্ষাকর্তা, ভক্তবাঞ্ছাপূর্ণকারী, অজ্ঞাননাশক ওO জ্ঞানপ্রদাতা।
কারুর মতে ওঁ-কার সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক।

পতঞ্জলির যোগসূত্র-এ ওঁ-কারকে ঈশ্বরের প্রতীক বলে বর্ণিত হয়েছে এবং বলা হয়েছে, ওঁ-কারের স্মরণ ও উচ্চারণে সমাধি লাভ করা যায়।

মন্দির, ঠাকুরঘর প্রভৃতি ধর্মীয় স্থানের প্রতীকচিহ্ন রূপেও ওঁ-কার ব্যবহৃত হয়।

কঠোপনিষদ মতে, ওঁ-কার পরব্রহ্ম।

মুণ্ডক উপনিষদে ওঁ-কার অবলম্বনে ঈশ্বরোপাসনার কথা বলা হয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, তিনি সকল অক্ষরের মধ্যে ওঁ-কার।

গীতায় (৭ অধ্যায় /৮ নং শ্লোক) ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,
“আমি জলের রস, চন্দ্র-সূর্যের কিরণ, বেদের ওঁ(প্রণব), আকাশে শব্দ ও মানুষের মধ্য পুরুষত্ব রূপে বিরাজ করি।”

ওঁ-কারের বারংবার উচ্চারণে মানুষ তার পাশব প্রবৃত্তি জয় করতে সমর্থ হয়।

মৃত্যুকালে ওঁ-কারের উচ্চারণে পরম সত্য লাভ হয়।

ওঁ-কার ঈশ্বরের সকল নামের
প্রতিনিধিস্বরূপ ও তাঁর শ্রেষ্ঠ নাম।

বেদ, উপনিষদ, গীতা ও অন্যান্য হিন্দুশাস্ত্রে সর্বত্রই ওঁ-কারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ওঁ-কার প্রণব,যার আক্ষরিক অর্থ, ‘যা উচ্চারণ করে স্তব করা হয়’।

প্রণব বা ত্র্যক্ষর হিন্দুধর্মের পবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক।
এর অপর অর্থ, ‘যা চিরনূতন’।

ওঁ -প্রণব(ব্রহ্ম), তৎ-জীব, সৎ-জগৎ।

ব্রহ্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ বেদ।
জীবের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ ব্রহ্মজ্ঞ।
জগত কর্মময়।
কর্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ যজ্ঞ হয়।

সুতরাং, “ওঁ তৎ সৎ” মন্ত্রে,
বেদ, ব্রহ্মজ্ঞ ও যজ্ঞকে বোঝায়।

সেই কারনে সকল কাজের শুভ ফল লাভের জন্য কাজের শুরুতেই------
“ওঁ তৎ সৎ ”উচ্চারণ করে শুরু করা উচিৎ।

ওঁ-ই সৃষ্টির আদি শব্দ।
নির্গুণ-নিস্ক্রিয় ব্রহ্মের এ সক্রিয় ভাব।
এই সক্রিয় ভাব হতেই সৃষ্টির বিকাশ।
======================
★3>★★ওঁ এবং ঔঁ-কার এদের মাঝে পার্থক্য কি?

পার্থক্য শুধু বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়।
ওঁ- কার বাংলায় এবং ঔঁ-কার সংস্কৃতিতে।
শ্রী শ্রী স্বামী স্বরুপানন্দ পরমহংসদেব বলেছেন- “ওঁ, ওম, ঔং, অউম, ঔঁ” এই পাঁচ প্রকার উচ্চারণের মধ্য বস্তুগত বা অর্থগত কোনো পার্থক্য নেই।

আমাদের সনাতন ধর্মে ওঁ-কার কে বলা হয় পবিত্রতা ও মঙ্গলতার প্রতীক। প্রণব বা ওঁ-কারই বেদের নির্যাস ও ব্রহ্মবস্তু।

ওঁ বা প্রণব হচ্ছে মন্ত্রের প্রাণ। পূজা বা ধ্যানের সময় মন্ত্র উচ্চারণে “প্রণব” না থাকলে মন্ত্রের ক্রিয়া হয় না, প্রাণশক্তি নেই বলে।
=====================
★4>★★ওম = প্রণব।
প্রণব চেতনার পর্যায়গুলি বর্ণনা করে।

●ওম= অ+উ+ম
●অ = জাগ্রত - জাগ্রত চেতনা যেখানে একজন বাহ্যিক জগতের সাথে যোগাযোগ এবং লেনদেন করছে।

●উ = স্বপ্ন - অভ্যন্তরীণ চেতনা বা স্বপ্ন চেতনা যা আমাদের অনুভূতি, অভিজ্ঞতা, শেখা, প্রভৃতির অন্তর্জগতকে ঘিরে রাখে। যা আমরা অন্যদের সাথে ভাগ করতে পারি না।

●ম = সুষুপ্তি - গভীর স্বপ্নহীন ঘুম। অচেতন বা অবচেতন মনের রাজ্য যেখানে জ্ঞানীয় চিন্তার ওঠানামা বন্ধ রয়েছে।

●ওম = তুরিয়া - "চতুর্থ অবস্থা" যা অতিলৌকিক, অতীন্দ্রিয় অবস্থা।

ওঁ বা ওঁ-কার
এই প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ, চীনা রূপ 唵, এবং তিব্বতীয় রূপ ༀ। এটি ওঙ্কার, প্রণব বা ত্র্যক্ষর নামেও পরিচিত।

ওম বা অউম ( আহ-উউ-মিমি উচ্চারণ ) হল একটি পবিত্র ধ্বনি যা অনেক প্রাচীন দার্শনিক গ্রন্থের দ্বারা মহাবিশ্বের ধ্বনি হিসাবে বিবেচিত হয়, যা এর মধ্যে অন্যান্য সমস্ত শব্দকে অন্তর্ভুক্ত করে। সংস্কৃতে, ওমকে প্রণব বলা হয় , যার অর্থ গুনগুন করা, এবং এটি একটি সীমাহীন বা চিরন্তন ধ্বনি হিসাবে বিবেচিত হয়। যদিও শব্দটি ভারতীয় সংস্কৃতি, বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম এবং জৈন ধর্মের সাথে যুক্ত, ওম জপ হল একটি আধ্যাত্মিক অনুশীলন যা সংস্কৃতি এবং ধর্মকে অতিক্রম করে এবং ঈশ্বর বা ব্রহ্মার সমস্ত সম্ভাব্য সংজ্ঞা এবং ব্যাখ্যাকে অন্তর্ভুক্ত করে ।
            (সংকলিত)
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->
            05/01/2025
========================

★5>||--শিক্ষণীয় বিষয় =ऊँ= -||
                02/03/2017--

"ওঁ "শব্দ তিনটি অক্ষরে ( অ ,উ ,ম )মিলিত শব্দ। এই একটি মাত্র
কী এমন শক্তি লুকিয়ের আছে এই "ওঁ " শব্দের মধ্যে। যা কিনা আমরা আমাদের ধর্মের প্রতীক রূপে মান্য করি। অসংখ শব্দ ও চিহ্নের মধ্যে কেবল ওই "ওঁ "/ওম শব্দ কে কেন এত মান্যতা সেই কথাই আমাদের ভাবনার বিষয়।

আমাদের ঋষি, সাধক এবং তপস্বী গন অনুভব করেছেন যে নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে শুদ্ধ ভাবে "ওঁ " এর উচ্চারণে মানুষ বাকসিদ্ধ হতে পারে। এবং শরীর মন শুদ্ধ হয়। সর্ব প্রকার রোগ জ্বালা দূর হয়। কারণ ওম এমনি এক ধ্বনি যেস্থানে এই ধ্বনি নিয়মিত উচ্চারিত হয় সেই স্থানের পরিবেশ শুদ্ধ হয়

কারণ এই ধ্বনি উচ্চারনে যে ভাইব্রেশনে/ তথা কম্পন সৃষ্টি হয় তার প্রভাবে ওই স্থানের উপরে প্রভাবিত অন্য সকল অশুভ ও নিগেটিভ ধ্বনি বা তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভাইব্রেশন তথা কম্পনের কু প্রভাব নির্মূল হয়। কারণ "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন এত প্রচন্ড শক্তি শালী যে তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। মনুষ্য শরীরে এই "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন শরীরকে ও মনকে শান্ত,নিয়ন্ত্রিত করে। সেই কারনে শুধু সনাতন ধর্ম ই নয় ভারতের অন্যান্য বিভিন্ন ধর্ম ও দর্শনে ও এই "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।

বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে "ওঁ " এর প্রয়োগ জপ ও উপাসনাতে বিশেষ ভাবে মহত্ব লাভ করেছে।
জৈন ধর্ম ও দর্শনেও "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।

শব্দই ব্রহ্ম। সকল শব্দের শ্ৰেষ্ঠ শব্দ "ওঁ " ।

সকল ধর্মের ই বিশেষ বিশেষ শব্দ আছে যা তাঁরা পবিত্র বলে মনে করেন এবং বিভিন্ন ভাবে উচ্চারিত, ব্যবহৃত ও প্রয়োগ হয়।
আমাদেরএই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির কাল থেকেই "ওঁ " শব্দের সৃষ্টি। ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির প্রকৃতির অমোঘ শক্তির লীলা খেলায় যে শব্দ বা ভাইব্রেশন তথা কম্পনের উৎপন্ন ও বিচ্ছুরিত হয়েছিল তা ওই "ওঁ " শব্দ। শব্দই ব্রহ্ম , ব্রহ্ম ই ব্রহ্মান্ড।

সৃষ্টির শ্রেঠ সৃষ্টি হল মানবজীবন। তাইতো মানব শিশুর জন্ম ক্ষণ থেকেই ওই "ওঁ "

শব্দের চিৎকারে সকল প্রাণী কুল কে সকল মানুষকে জানিয়ে দেয় তার আগমনী সংবাদ, এবং সেই জন্ম মুহূর্ত থেকে শুরু করে তাঁর মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ,যতদিন সে বেঁচে থাকে এই পৃথিবীতে ,প্রকৃতির মাঝে , ততদিন নিরলস ভাবে সাচ্ছন্দে চলতে থাকে তাঁর

অন্তরে বাহিরে প্রতিটি শ্বাস প্ৰশ্বাসের সাথে ওই "ওঁ "শব্দ ই চলতে থেকে। এবং এই

একটি মাত্র শব্দ যা মানুষের নাভি মূল (মণিপুর )থেকে উৎপন্ন হয়ে শ্বাস প্রস্বাস এর সাথে সাথে নিরলস ভাবে চলতে থাকে। এই "ওঁ "শব্দ ই ব্রহ্ম বা নাদ ধ্বনি। তপস্বী পুরুষ ,ধ্যানী পুরুষ ,যোগী পুরুষ গণ প্রতিনিয়ত এই ধ্বনি শ্রবণ করে থাকেন বা শ্রবনে সক্ষম।

আমরা সাধারণ মানুষ এই ধ্বনি অনুভব করতে পারিনা। কারণ এহেন জাগতিক প্রবল শক্তি সম্পন্ন ধ্বনি শ্রবণ করবার বা উপলব্ধি করবার মত ক্ষমতা আমাদের সাধারণ মানুষের ক্ষমতার বাহিরে।

তাই তপস্বী পুরুষ ,ধ্যানী পুরুষ ,যোগী পুরুষ গন ই কেবল সক্ষম হন এহেন ধ্বনির আস্বাদন গ্রহণে।
   <--আদ্য নাথ রায় চৌধুরী---->
           |---02/03/2017---|=======================
    
   ★6>" ওঁ"-- "ॐ" উচ্চারণের রহস্য::---

  "ॐ" কে "ওঁ " হিসাবে লেখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, অন্যথায় এটি ওম।  ওম 'ওঁ'-এর এই চিহ্ন চমৎকার চিহ্ন।
এটি সমগ্র মহাবিশ্বের প্রতীক। অনেক ছায়াপথ এভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ব্রহ্মার অর্থ প্রসারিত, বিস্তার ছড়িয়ে পড়া এবং প্রসারিত করা। ওমকার শব্দের 100 টিরও বেশি অর্থ দেওয়া হয়েছে। এটি অনাদি এবং অনন্ত তথা নির্বাণ অবস্থার প্রতীক।
আইনস্টাইন  বলেছিলেন যে মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে। আইনস্টাইনের আগে ভগবান মহাবীর বলেছিলেন। মহাবীরের পূর্ববর্তী বেদেও এর উল্লেখ রয়েছে। মহাবীর বেদ পাঠ করে তা বলেননি, ধ্যানের গভীরে নেমে গিয়ে তিনি
গভীরে খোঁজ করে এটি দেখেছিলেন।
'ওঁ'কে ওম বলা হয়। কথা বলার সময় 'ও'-এর ওপরও বেশি জোর দেওয়া হয়। একে প্রণব মন্ত্রও বলা হয়। এই মন্ত্রের শুরু আছে কিন্তু  শেষ নেই । এটি মহাবিশ্বের
অনাহত  অপরাজেয় শব্দ। (অনাহাত মানে দুটি জিনিস বা হাতের সংমিশ্রণে সৃষ্ট কোনও ধরণের ধ্বনি বা শব্দের সংঘর্ষ নয়)। একে অনহদও বলা হয়। এটি সারা মহাবিশ্ব জুড়ে অব্যাহত রয়েছে।
যখন তপস্বী এবং ধ্যানকারীরা ধ্যানের গভীর অবস্থায় শুনতে পান, তখন একটি শব্দ থাকে যা শরীরের ভিতরে এবং বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই ক্রমাগত শোনা যায়। সর্বত্র একই ধ্বনি চলতে থাকে এবং তা শুনে মন ও আত্মা শান্তি বোধ করে, তাই তারা সেই শব্দটির নাম দেন 'ওঁ'।

সাধারণ মানুষ সেই ধ্বনি শুনতে পায় না, কিন্তু যে ব্যক্তি ওঁ উচ্চারণ করতে থাকে  তার চারপাশে ইতিবাচক শক্তি বিকাশ হতে শুরু করে। তবুও, সেই ধ্বনি শোনার জন্য, সম্পূর্ণ নীরব এবং ধ্যানে থাকা প্রয়োজন। যে সেই শব্দ শুনতে পায় সে সরাসরি ঈশ্বরের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে শুরু করে। ঈশ্বরের সাথে সংযোগ স্থাপনের সহজ উপায় হ'ল ওঁ জপ চালিয়ে যাওয়া।

'ওঁ'(ওম) ধ্বনি হিন্দু, মুসলিম বা খ্রিস্টান বলে কোনও জিনিস নেই। ওঁ একটি ধর্মের চিহ্ন বলে মনে করাও সঠিক নয়।
তবে এটি তো তবে থেকেই উচ্চারিত হয় আসছে যবে থেকে ধর্ম বলে কোন শব্দের সৃষ্টি হননি।
প্রকৃতপক্ষে, ওঁ কোনও না কোনও উপায়ে সমস্ত প্রধান সংস্কৃতির একটি প্রধান অংশ। এটি মঙ্গলভাব, শক্তি, ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি এবং শ্রদ্ধার প্রতীক।
উদাহরণস্বরূপ, যদি হিন্দুরা তাদের সমস্ত মন্ত্র এবং স্তোত্রে এটি অন্তর্ভুক্ত করে, তবে খ্রিস্টান এবং ইহুদিরাও ধর্মীয় সম্মতি নির্দেশ করার জন্য একই শব্দ, আমেন ব্যবহার করে। মুসলমানরা এটিকে আমেন হিসাবে স্মরণ করে, বৌদ্ধরা এটিকে ওম মণিপদ্মে হুঁ হিসাবে ব্যবহার করে। শিখ  'এক ওমকার' অর্থাৎ 'এক ওঁকার'-এর প্রশংসাও করে।

ইংরেজি শব্দ ওমনি, যার অর্থ অসীম এবং কখনও শেষ না হওয়া উপাদান (যেমন সর্বব্যাপী, অসীম), আসলে এই শব্দ ওঁ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে ওঁ কোনও ধর্ম, ধর্ম বা সম্প্রদায়ের অন্তর্গত নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির। ঠিক যেমন বায়ু, জল, সূর্য, ঈশ্বর, বেদ ইত্যাদি সমগ্র মানবজাতির জন্য এবং কেবল কোনও একটি সম্প্রদায়ের জন্য নয়।
ওম শব্দটি তিনটি ধ্বনি দ্বারা গঠিত - ক, উ, এম এই তিনটি শব্দের অর্থও উপনিষদে প্রদর্শিত হয়। এটি ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং মহেশের প্রতীক এবং এটি ভু লোক, ভুব লোক এবং স্বর্গ লোর প্রতীক।
তন্ত্র যোগে একরকম মন্ত্রেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। দেবনাগরী লিপির প্রতিটি শব্দকে অনুশ্বর প্রয়োগ করে মন্ত্রের রূপ দেওয়া হয়েছে। যেমন,  কং, খং, গং, ঘঙ ইত্যাদি। একইভাবে, শৃং, ক্লিং ,  হিং , হ্রিং হুং ফট  ইত্যাদি শব্দ মন্ত্রে গণনা করা হয়।।

সমস্ত মন্ত্র জিহ্বা, ঠোঁট, তালু, দাঁত, গলা এবং ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুর সম্মিলিত প্রভাব দ্বারা উচ্চারিত হয়। এইভাবে নির্গত ধ্বনি শরীরের সমস্ত চক্র এবং হরমোন নিঃসরণ গ্রন্থিগুলিকে আঘাত করে। এই গ্রন্থিগুলির ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে রোগ দূর ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
সকালে ঘুম থেকে উঠে শৌচ সেরে হাত মুখ ধুয়ে, পবিত্র হয়ে "ওঁ" (ওমকার) ধ্বনি উচ্চারণ করা উচিত। "ওঁ" কার উচ্চারণ পদ্মাসন, অর্ধ পদ্মাসন, সুখাসন, বজ্রাসনে বসে ওম উচ্চারণ করা যেতে পারে। নিজের সময় অনুযায়ী এটি 5, 7, 10, 21,51,108  বার উচ্চারণ করাজেতে পারে। "ওঁ" জোরে উচ্চারণ করে করা যেতে পারে, আস্তে আস্তে করা যেতে পারে,
জপমালার সাথেও  করা যেতে পারে।
এটি শরীর এবং মনকে মনোনিবেশ করতে সহায়তা করবে। হৃদস্পন্দন এবং রক্ত সঞ্চালন নিয়মিত হবে। এতে মানসিক
শান্তি লাভ হয়, নানান রোগ দূর হয়। কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে। যে ব্যক্তি এটি উচ্চারণ করে এবং যিনি এটি শোনেন উভয়ই উপকৃত হন। এর উচ্চারণে শুদ্ধতা ও পবিত্রতার যত্ন নেওয়া হয়।

প্রিয় বা অপ্রীতিকর  শব্দ  বা ধ্বনি শ্রোতা এবং বক্তা উভয়কেই আনন্দ, দুঃখ, ক্রোধ, ঘৃণা, ভয় তথা কমেচ্ছার প্রবণতা অনুভব করে। অপ্রীতিকর শব্দ থেকে নির্গত শব্দ মস্তিষ্কে সৃষ্ট কামনা, ক্রোধ, আসক্তি, ভয়, লোভ ইত্যাদির অনুভূতির কারণে হৃদস্পন্দনকে ত্বরান্বিত করে, যার ফলে রক্তে 'বিষাক্ত' পদার্থ তৈরি হয়। তেমনি প্রিয় ও শুভ শব্দের ধ্বনি মন, হৃদয় ও রক্তে অমৃতের মতো আনন্দদায়ক রাসায়নিক বৃষ্টি করে।
"ওঁ" - সকালে:- প্রাতঃকালে ওমকার শব্দ উচ্চারণ কবলে। এটি শরীর ও মনকে মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে। হৃদস্পন্দন এবং রক্ত সঞ্চালন নিয়মতান্ত্রিক হবে।
"ওঁ" নমো – ওমের সঙ্গে নমো শব্দের মেলবন্ধন মন ও মনে নম্রতার অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। এটি ইতিবাচক শক্তি দ্রুত প্রবাহিত করে দেয়।

'ওঁ নমো গণেশ' - গণেশ হলেন আদিম দেবতা যিনি নতুন সূচনা এবং সাফল্যের প্রতীক। অতএব, "ওঁ গাং গণপতে নমঃ" উচ্চারণ শরীর ও মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষভাবে সহায়ক।
'ওঁ' সম্পর্কে প্রশ্ন উঠছে, ওম শব্দের গৌরবের কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে কি? এই দুনিয়াতে ওঁ এর উচ্চারণের কি কোনো লাভ আছে? এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি বৈজ্ঞানিক জার্নাল গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে যা এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে। রিসার্চ অ্যান্ড ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের প্রধান প্রফেসর জে মরগান এবং তার সহকর্মীরা সাত বছর ধরে ওঁ এর প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন
এই সময়ে তারা মস্তিষ্ক এবং হৃদয়ের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত 2500 পুরুষ এবং 200 মহিলাকে পরীক্ষা করেছিলেন। এর মধ্যে যারা অসুস্থতার শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছিলেন তারাও ছিলেন। এই সমস্ত রোগীদের জীবন বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধগুলিই দেওয়া হয়েছিল। বাকি সবকিছু বন্ধ ছিল।
সকাল 6 টা থেকে 7 টা অর্থাৎ সকালে এক ঘন্টা পর্যন্ত, এই সকল রুগীদের যোগ্য শিক্ষকদের দ্বারা শুদ্ধ , শান্ত , পরিছন্ন এবং উন্মুক্ত পরিবেশে 'ওঁ' জপ  করান হয়েছিল। এই দিনগুলিতে, তাদেরকে বিভিন্ন শব্দ ফ্রিকোয়েন্সিতে 'ওঁ' জপ করান হয়েছিল। প্রতি তিন মাস অন্তর হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক ছাড়াও পুরো শরীর স্ক্যান করা হয়। চার বছর ধরে এই প্রক্রিয়া করার পরে, যে প্রতিবেদনটি বেরিয়ে এসেছিল তা বিস্ময়কর ছিল।
70 শতাংশ পুরুষ এবং 85 শতাংশ মহিলা যখন তারা ওঁ জপ শুরু করেছিলেন তখন তাদের প্রাক-কোভিড অবস্থার প্রাক-কোভিড অবস্থার 90 শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। কিছু লোক মাত্র 20 শতাংশ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। এর কারণ ছিল প্রফেসর মরগান বলেছিলেন যে তার অসুস্থতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ 'ওঁ' স্লোগানের মাধ্যমেও নেশা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এর সুযোগ নিয়ে সারা জীবন সুস্থ থাকা সম্ভব হতে পারে।
'ওঁ' সম্পর্কে প্রফেসর মরগান বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি ও ধ্বনিতে ওম মন্ত্রোচ্চারণ হার্ট ও মস্তিষ্কের রোগীদের জন্য খুবই কার্যকরী, এখানে একটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ হলো যখন একজন ব্যক্তি ওম জপ করেন, তখন এই শব্দটি জিহ্বা থেকে বের হয় না বরং পেট থেকে নাভি মূল থেকে বের হয়।  বুক ও মস্তিষ্কে কাঁপুনি সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি (তরঙ্গ) এবং 'ওঁ' শব্দের ওঠানামা দ্বারা উত্পন্ন কম্পন ক্রিয়া মৃত কোষগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করে এবং নতুন কোষ তৈরি করে। তীব্র তরঙ্গ মস্তিষ্ক থেকে নাক, গলা, হৃদয়, পেট এবং পায়ে প্রেরণ করা হয়। রক্তের ব্যাধি নিরাময় করা হয় এবং জীবনীশক্তি বজায় রাখা হয়। শুধু তাই নয়, আয়ুর্বেদ ওম মন্ত্রোচ্চারণের অলৌকিক প্রভাবগুলিও বর্ণনা করে। এ ধরনের অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পাশ্চাত্যের মানুষও ভারতীয় আধ্যাত্মিক প্রতীকগুলির প্রতি উন্মুক্ততা দেখেছে।
               ( সঙ্কলিত)
    <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=======================

  ★7>" ওঁ "কার ও শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের ব্যাখ্যা:---

শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের  ওঁ কারের ব্যাখ্যা                  
শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের দর্শনে 'ওঁ' (Om) বা ওঁকার হলো পরমব্রহ্মের প্রতীক এবং সমস্ত বেদের সার। তিনি ওঁকারকে ঈশ্বরলাভের এক অমোঘ পথ ও শব্দব্রহ্ম হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
শ্রী শ্রী ঠাকুর বলেন
"তোমরা ওঁ কারের ব্যাখ্যা কেবল ওকার , উকার , মকার, কিনা সৃষ্টি,স্থিতি, প্রলয়, বল।
আমি উপমা দিই ওঁ কার ঘন্টার টং শব্দ।
ট-অ-অ-ম-ম।
লীলা থেকে নিত্যে লয়,স্থূল,সূক্ষ্ম, কারণ হতে মহাকারণে লয়, জাগ্রত,স্বপ্ন,
  সুষুপ্তি হতে তুরীয়েলয়।

ওঁকার শব্দব্রহ্ম ও সৃষ্টির আদিস্বন: ঠাকুর রামকৃষ্ণ বলেছেন, ওঁকার হলো সেই আদি শব্দ যা থেকে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি। এটি ঈশ্বর বা পরমাত্মার বাচক (নাম ও রূপ)। তিনি ওঁকারকে 'অ-উ-ম'—এই তিনটি ধ্বনির সমষ্টি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, যা সৃষ্টির স্থিতি ও প্রলয়—তিনটি অবস্থাকেই নির্দেশ করে। তাঁর মতে, এটি যেন পাখির ডাক বা ঘণ্টার ধ্বনির মতো—যা শেষ পর্যন্ত নীরবতায় বা নির্বাণে মিলিয়ে যায়

ঠাকুর বলতেন, "ওঁকার জপ করলে ভগবান লাভ হয়।" তিনি ওঁকারকে সাধনার একটি উচ্চস্তরের মাধ্যম হিসেবে মনে করতেন, যা মনকে নির্বিকল্প সমাধির দিকে নিয়ে যায়।
ওঁকার সাকার (রূপযুক্ত) এবং নিরাকার (রূপহীন) ঈশ্বরের মধ্যে সেতুস্বরূপ। এটি একই সাথে ব্রহ্মজ্ঞান এবং ভক্তি—উভয়কেই ধারণ করে।
সমাধি অবস্থায় সমস্ত মন্ত্র যখন থেমে যায়, তখন কেবল 'ওঁ' ধ্বনিটিই অবশিষ্ট থাকে, যা আত্মার পরমাত্মার সাথে মিলনের প্রতীক। সংক্ষেপে, রামকৃষ্ণ দেবের মতে, ওঁকার হলো পরমেশ্বরের নিরন্তর ধ্বনি, যা জপ ও ধ্যানের মাধ্যমে জীবাত্মা পরমাত্মার সাথে একীভূত হতে পারে।

  রামকৃষ্ণ পরমহংস (১৮ই ফেব্রুয়ারি, ১৮৩৬ – ১৬ই আগস্ট, ১৮৮৬; পূর্বাশ্রমের নাম গদাধর চট্টোপাধ্যায়) ঊনবিংশ শতকের এক প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি যোগসাধক, দার্শনিক ।  
তিনি "যত মত, তত পথ" দর্শনের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ঈশ্বরপ্রেমের প্রচার করেন ।
তাঁর প্রধান শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হয়ে রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন ।
শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:সাধনা ও দর্শন: তন্ত্র, বৈষ্ণব ভক্তি এবং অদ্বৈত বেদান্ত—বিভিন্ন মতের সাধনা করে তিনি ঈশ্বর উপলব্ধি করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ঈশ্বর এক, কিন্তু তাঁকে পাওয়ার পথ বহু ।
তিনি সহজ, সরল গ্রামীণ উপভাষায় ছোট গল্পের মাধ্যমে জটিল দার্শনিক তত্ত্ব (যেমন: সংসারের আসক্তি ত্যাগ করে ঈশ্বরে মন রাখা) বুঝিয়ে দিতেন ।
তিনি বঙ্গীয় নবজাগরণ এবং উনিশ শতকের হিন্দু নবজাগরণের অন্যতম কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব।
                 ( সংগ্রহীত)
   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
=======================

  ★8>সব মন্ত্র কেন ওম দিয়ে শুরু হয়::--

ওম' শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন 'ওম'-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয় এটি সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক হিন্দু ধর্মের সমস্ত মন্ত্রের শুরু হয় এই ধ্বনি দিয়ে।

ওম' শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন। এই বুৎপত্তি অনুযায়ী 'ওম'-কার এমন এক শক্তি যা সর্বজ্ঞ, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের শাসনকর্তা, রক্ষাকর্তা, মনোবাঞ্ছাপূর্ণকারী, অজ্ঞাননাশক ও জ্ঞানপ্রদাতা। 'ওম'-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয়, কারণ 'ওম' তিনটি মাত্রাযুক্ত – ‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’। ‘অ-কার’ ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ প্রারম্ভের প্রতীক। ‘উ-কার’ ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক। ‘ম-কার’ ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ লয়ের প্রতীক। অন্য ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক।

হিন্দু ধর্মের প্রতিটি সম্প্রদায় ও উপসম্প্রদায়ের নিকটেই এটি পবিত্র। স্বামী বিবেকানন্দের মতে, 'ওম'-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।” রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতে, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘'ওম' কালী’, ‘'ওম' কৃষ্ণ হয়েছেন।” হিন্দুশাস্ত্র মনে এই মন্ত্রের কাজ মনকে সকল ব্যকুলতা বা চঞ্চলতা থেকে ত্রান দেওয়া। মনের সার্বিক উন্নতির জন্য এই মন্ত্রের কোনও বিকল্প নেই। হিন্দু ধর্মের সমস্ত মন্ত্রের শুরু হয় এই ধ্বনি দিয়ে। কেন এই ধ্বনি দিয়েই সমস্ত মন্ত্রের সূচণা হয়। এই বিষয়ে কি বলছে সনাতন ধর্ম, জেনে নেওয়া যাক।

ধর্ম মতে ওঁ মন্ত্রে ব্রহ্মা,  বিষ্ণু এবং মহেশ্বর এই তিন দেবতাকে একত্র প্রতীক রূপে গন্য করা হয়। তাই যে কোনও মন্ত্র উচ্চারনের আগে এই ধ্বনি উচ্চারণ করে এই তিন দেবতাকে স্মরণ করা হয় বলেই সকল মন্ত্রের আগে এই  ধ্বনি উচ্চারন করা হয়। "'ওম'" শব্দটি তিন অক্ষরে তৈরী। "অ উ ম্।" "অ" এর অর্থ উৎপন্ন হওয়া, "উ" এর অর্থ উড়তে পারা বা বিকাশ, "ম" হলো মৌন হওয়া অর্থাৎ ব্রহ্মলীন হয়ে যাওয়া। "ওঁ" সম্পূর্ণ ব্রহ্মাণ্ডের উৎপত্তি একইসঙ্গে সৃষ্টির দ্যোতক। "ওঁ" এর উচ্চারণ শারীরিক লাভ প্রদান করে। এই ধ্বনি বিশ্বের আদি ধ্বনি বলে মনে করে হিন্দু সনাতন ধর্ম। শাস্ত্র মতে যে কোনও মন্ত্র উচ্চারণের আগে এই ধ্বনি উচ্চারন করলে সেই মন্ত্রকে মহাজগতের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়।
          (সঙ্কলিত)
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
========================

★9>ओम् हिंदी में om (ॐ)
गुरुमुखी में 'एक ओंकार'

ओ३म् (ॐ) या ओंकार का नामांतर प्रणव है।

यह ईश्वर का वाचक है।

ईश्वर के साथ ओंकार का वाच्य-वाचक-भाव संबंध नित्य है, सांकेतिक नहीं।

संकेत नित्य या स्वाभाविक संबंध को प्रकट करता है।

सृष्टि के आदि में सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही स्फुरण होता है।

तदनंतर सात करोड़ मंत्रों का आविर्भाव होता है। इन मंत्रों के वाच्य आत्मा के देवता रूप में प्रसिद्ध हैं।

ये देवता माया के ऊपर विद्यमान रह कर मायिक सृष्टि का नियंत्रण करते हैं। इन में से आधे शुद्ध मायाजगत् में कार्य करते हैं और शेष आधे अशुद्ध या मलिन मायिक जगत् में। इस एक शब्द को ब्रह्मांड का सार माना जाता है, 16 श्लोकों में इसकी महिमा वर्णित है।

================
★10>ॐ का जाप::---

माना जाता है कि एक बार ॐ का जाप हज़ार बार किसी मंत्र के जाप से महत्वपूर्ण है।

ॐ का दूसरा नाम प्रणव (परमेश्वर) है।

"तस्य वाचकः प्रणवः" अर्थात् उस परमेश्वर का वाचक प्रणव है।

इस तरह प्रणव अथवा ॐ एवं ब्रह्म में कोई भेद नहीं है।

ॐ अक्षर है इसका क्षरण अथवा विनाश नहीं होता।

ॐ धर्म, अर्थ, काम, मोक्ष इन चारों पुरुषार्थों का प्रदायक है।
          (संग्रहित)
   <--- आद्यनाथ राय चौधूरी---->
========================

      ★11>|| शिक्षनीय बिषय " ऊँ "=||   
            02/03/2017---

अक्षर "ऊँ" को पवित्र अक्षर माना जाता है।
हर धार्मिक अनुष्ठान की शुरुआत "ऊँ" के उच्चारण से किया जाता है।
"ऊँ "शब्द तीन अक्षरों अ, उ और म से मिलकर बना है। पर इसमें ऐसा क्या खास है कि इसे हिन्दुओं ने अपना पवित्र धार्मिक प्रतीक मान लिया है। असंख्य शब्दों और चिह्नों में से ऊँ और स्वास्तिक को ही क्यों चुना गया। ये सवाल महत्त है। जरा देखें ओम के उच्चारण से क्या घटित और परिवर्तित होता है।

ऊँ की ध्वनि मानव शरीर के लिए प्रतिकूल डेसीबल की सभी ध्वनियों को वातावरण से निष्प्रभावी बना देती है।विभिन्न ग्रहों से आनेवाली अत्यंत घातक अल्ट्रावायलेट किरणें ओम उच्चारित वातावरण में निष्प्रभावी हो जाती हैं।इसके उच्चारण से इंसान को वाक्य सिद्धि की प्राप्त होती है। चित्त एवं मन शांत एवं नियंत्रित हो जाते हैं। सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ऊँ को महत्व प्राप्त है।

बौद्ध दर्शन में ऊँ का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है। इस मंत्र के अनुसार, ऊँ को मणिपुर चक्र में अवस्थितमाना जाता है। यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है। जैन दर्शन में भी ऊँ के महत्व को दर्शाया गया है। कबीर निर्गुण संत एवं कवि थे। उन्होंने भी ऊँ के महत्व को स्वीकारा और इस पर साखियां भी लिखीं।

गुरुनानक ने ऊँ के महत्व को प्रतिपादित करते हुए लिखा- ओम सतनाम कर्ता पुरुष निर्भोनिर्बेरअकालमूर्त। ऊँ सत्य नाम जपने वाला पुरुष निर्भय, बैर-रहित एवं अकाल-पुरुष के सदृश हो जाता है।

इस तरह ऊँ के महत्व को सभी संप्रदाय के धर्म-गुरुओं, उपासकों, चिंतकों ने प्रतिपादित किया है, क्योंकि यह एकाक्षरी मंत्र साधना में सरल है और फल प्रदान करने में सर्वश्रेष्ठ।

यह ब्रह्मांड का नाद है एवं मनुष्य के अंतर में स्थित ईश्वर का प्रतीक। किसी भी मंत्र के पहले ऊँ जाेडने से वह शक्ति संपन्न हो जाता है। एक बार ऊँ का जाप हजार बार किसी मंत्र के जाप से अधिक महत्वपूर्ण माना जाता है।
   <--- आद्यनाथ राय चौधूरी-->
           |-02/03/2017-
========================

  ★12>ॐ के उच्चारण का रहस्य:::---

ॐ को ओम लिखने की मजबूरी है अन्यथा तो यह ॐ ही है।  ओम का यह चिन्ह 'ॐ' अद्भुत है। यह संपूर्ण ब्रह्मांड का प्रतीक है। बहुत-सी आकाश गंगाएँ इसी तरह फैली हुई है।
ब्रह्म का अर्थ होता है विस्तार, फैलाव और फैलना। ओंकार ध्वनि के 100 से भी अधिक अर्थ दिए गए हैं। यह अनादि और अनंत तथा निर्वाण की अवस्था का प्रतीक है।
आइंसटाइन भी यही कह कर गए हैं कि ब्राह्मांड फैल रहा है। आइंसटाइन से पूर्व भगवान महावीर ने कहा था। महावीर से पूर्व वेदों में इसका उल्लेख मिलता है। महावीर ने वेदों को पढ़कर नहीं कहा, उन्होंने तो ध्यान की अतल गहराइयों में उतर कर खोजें किया देखा तब कहा।
'ॐ'को ओम कहा जाता है। उसमें भी बोलते वक्त 'ओ' पर ज्यादा जोर होता है। इसे प्रणव मंत्र भी कहते हैं। इस मंत्र का प्रारंभ है अंत नहीं। यह ब्रह्मांड की अनाहत ध्वनि है। (अनाहत अर्थात किसी भी प्रकार की टकराहट या दो चीजों या हाथों के संयोग के उत्पन्न ध्वनि नहीं)। इसे अनहद भी कहते हैं। संपूर्ण ब्रह्मांड में यह अनवरत जारी है।
तपस्वी और ध्यानियों ने जब ध्यान की गहरी अवस्था में सुना की कोई एक ऐसी ध्वनि है जो लगातार सुनाई देती रहती है शरीर के भीतर भी और बाहर भी। हर कहीं, वही ध्वनि निरंतर जारी है और उसे सुनते रहने से मन और आत्मा शांती महसूस करती है तो उन्होंने उस ध्वनि को नाम दिया ओम।
साधारण मनुष्य उस ध्वनि को सुन नहीं सकता, लेकिन जो भी ॐ का उच्चारण करता रहता है उसके आसपास सकारात्मक ऊर्जा का विकास होने लगता है। फिर भी उस ध्वनि को सुनने के लिए तो पूर्णत: मौन और ध्यान में होना जरूरी है। जो भी उस ध्वनि को सुनने लगता है वह परमात्मा से सीधा जुड़ने लगता है। परमात्मा से जुड़ने का साधारण तरीका है ॐ का उच्चारण करते रहना।
ओम् (ॐ) ध्वनि में हिन्दू, मुस्लिम या ईसाई जैसी कोई बात नहीं है। यह सोचना कि ओ३म् किसी एक धर्म की निशानी है, ठीक बात नहीं, अपितु यह तो तब से चला आया है जब कोई अलग धर्म ही नहीं बना था। बल्कि ॐ तो किसी ना किसी रूप में सभी मुख्य संस्कृतियों का प्रमुख भाग है। यह तो अच्छाई, शक्ति, ईश्वर भक्ति और आदर का प्रतीक है।
उदाहरण के लिए अगर हिन्दू अपने सब मन्त्रों और भजनों में इसको शामिल करते हैं तो ईसाई और यहूदी भी इसके जैसे ही एक शब्द आमेन का प्रयोग धार्मिक सहमति दिखाने के लिए करते हैं। मुस्लिम इसको आमीन कह कर याद करते हैं, बौद्ध इसे ओं मणिपद्मे हूं कह कर प्रयोग करते हैं। सिख मत भी इक ओंकार अर्थात एक ओ३म के गुण गाता है।

अंग्रेज़ी का शब्द Omni, जिसके अर्थ अनंत और कभी ख़त्म न होने वाले तत्त्वों पर लगाए जाते हैं (जैसे ऑम्निप्रेज़ेंट, अम्निपियटेंट) भी वास्तव में इस ओ३म् शब्द से ही बना है। इतने से यह सिद्ध है कि ओ३म् किसी मत, मज़हब या सम्प्रदाय से न होकर पूरी इंसानियत का है। ठीक उसी तरह जैसे कि हवा, पानी, सूर्य, ईश्वर, वेद आदि सब पूरी इंसानियत के लिए हैं न कि केवल किसी एक सम्प्रदाय के लिए।
'ॐ' शब्द तीन ध्वनियों से बना हुआ है- अ, उ, म इन तीनों ध्वनियों का अर्थ उपनिषद में भी आता है। यह ब्रह्मा, विष्णु और महेश का प्रतीक भी है और यह भू: लोक, भूव: लोक और स्वर्ग लोग का प्रतीक है।
तंत्र योग में एकाक्षर मंत्रों का भी विशेष महत्व है। देवनागरी लिपि के प्रत्येक शब्द में अनुस्वार लगाकर उन्हें मंत्र का स्वरूप दिया गया है। उदाहरण के तौर पर कं, खं, गं, घं आदि। इसी तरह श्रीं, क्लीं, ह्रीं, हूं, फट् आदि भी एकाक्षरी मंत्रों में गिने जाते हैं।
सभी मंत्रों का उच्चारण जीभ, होंठ, तालू, दाँत, कंठ और फेफड़ों से निकलने वाली वायु के सम्मिलित प्रभाव से संभव होता है। इससे निकलने वाली ध्वनि शरीर के सभी चक्रों और हारमोन स्राव करने वाली ग्रंथियों से टकराती है। इन ग्रंथिंयों के स्राव को नियंत्रित करके बीमारियों को दूर भगाया जा सकता है।

प्रातः उठकर पवित्र होकर ॐ(ओंकार) ध्वनि का उच्चारण करें। ॐ का उच्चारण पद्मासन, अर्धपद्मासन, सुखासन, वज्रासन में बैठकर कर सकते हैं। इसका उच्चारण 5, 7, 10, 21,51,108 बार अपने समयानुसार कर सकते हैं। ॐ जोर से बोल सकते हैं, धीरे-धीरे बोल सकते हैं। ॐ जप माला से भी कर सकते हैं।
इससे शरीर और मन को एकाग्र करने में मदद मिलेगी। दिल की धड़कन और रक्तसंचार व्यवस्थित होगा। इससे मानसिक बीमारियाँ दूर होती हैं। काम करने की शक्ति बढ़ जाती है। इसका उच्चारण करने वाला और इसे सुनने वाला दोनों ही लाभांवित होते हैं। इसके उच्चारण में पवित्रता का ध्यान रखा जाता है।

प्रिय या अप्रिय शब्दों की ध्वनि से श्रोता और वक्ता दोनों हर्ष, विषाद, क्रोध, घृणा, भय तथा कामेच्छा के आवेगों को महसूस करते हैं। अप्रिय शब्दों से निकलने वाली ध्वनि से मस्तिष्क में उत्पन्न काम, क्रोध, मोह, भय लोभ आदि की भावना से दिल की धड़कन तेज हो जाती है जिससे रक्त में 'टॉक्सिक' पदार्थ पैदा होने लगते हैं। इसी तरह प्रिय और मंगलमय शब्दों की ध्वनि मस्तिष्क, हृदय और रक्त पर अमृत की तरह आल्हादकारी रसायन की वर्षा करती है।
"ॐ "- प्रातः उठकर ओंकार ध्वनि का उच्चारण करें। इससे शरीर और मन को एकाग्र करने में मदद मिलेगी। दिल की धड़कन और रक्त संचार व्यवस्थित होगा।
ॐ नमो - ओम के साथ नमो शब्द के जुड़ने से मन और मस्तिष्क में नम्रता के भाव पैदा होते हैं। इससे सकारात्मक ऊर्जा तेजी से प्रवाहित होती है।
ॐ नमो गणेश - गणेश आदि देवता हैं जो नई शुरुआत और सफलता का प्रतीक हैं।
अत: ॐ गां  गणपतये नम: का उच्चारण विशेष रूप से शरीर और मन पर नियंत्रण रखने में सहायक होता है।

ओम्‌ के संबंध में यह प्रश्न उत्पन्न होता है कि क्या ओम्‌ शब्द की महिमा का कोई वैज्ञानिक आधार हैं? क्या इसके उच्चारण से इस असार संसार में भी कुछ लाभ है? इस संबंध में ब्रिटेन के एक साईटिस्ट जर्नल ने शोध परिणाम बताये हैं जो यहां प्रस्तुत हैं। रिसर्च एंड इंस्टीट्‌यूट ऑफ न्यूरो साइंस के प्रमुख प्रोफ़ेसर जे. मार्गन और उनके सहयोगियों ने सात वर्ष तक ‘ओ३म्‌’ के प्रभावों का अध्ययन किया।
इस दौरान उन्होंने मस्तिष्क और हृदय की विभिन्न बीमारियों से पीडि़त 2500 पुरुषो और 200 महिलाओं का परीक्षण किया। इनमें उन लोगों को भी शामिल किया गया जो अपनी बीमारी के अन्तिम चरण में पहुँच चुके थे। इन सारे मरीज़ों को केवल वे ही दवाईयां दी गई जो उनका जीवन बचाने के लिए आवश्यक थीं। शेष सब बंद कर दी गई।
सुबह 6 - 7 बजे तक यानी कि एक घंटा इन लोगों को साफ, स्वच्छ, खुले वातावरण में योग्य शिक्षकों द्वारा ‘ओ३म्‌’ का जप कराया गया। इन दिनों उन्हें विभिन्न ध्वनियों और आवृतियो में ‘ओ३म्‌’ का जप कराया गया। हर तीन माह में हृदय, मस्तिष्क के अलावा पूरे शरीर का ‘स्कैन’ कराया गया। चार साल तक ऐसा करने के बाद जो रिपोर्ट सामने आई वह आश्चर्यजनक थी।
70 प्रतिशत पुरुष और 85 प्रतिशत महिलाओं से ‘ओ३म्‌’ का जप शुरू करने के पहले बीमारियों की जो स्थिति थी उसमें 90 प्रतिशत कमी दर्ज की गई। कुछ लोगों पर मात्र 20 प्रतिशत ही असर हुआ। इसका कारण प्रोफ़ेसर मार्गन ने बताया कि उनकी बीमारी अंतिम अवस्था में पहुंच चुकी थी। इस प्रयास से यह परिणाम भी प्राप्त हुआ कि नशे से मुक्ति भी ‘ओ३म्‌’ के जप से प्राप्त की जा सकती है। इसका लाभ उठाकर जीवन भर स्वस्थ रहा जा सकता है।
  'ॐ '  को लेकर प्रोफ़ेसर मार्गन कहते हैं कि शोध में यह तथ्य पाया कि ॐ का जाप अलग अलग आवृत्तियों और ध्वनियों में दिल और दिमाग के रोगियों के लिए बेहद असर कारक है यहाँ एक बात बेहद गौर करने लायक़ यह है जब कोई मनुष्य ॐ का जाप करता है तो यह ध्वनि जुबां से न निकलकर पेट से निकलती है यही नहीं ॐ का उच्चारण पेट, सीने और मस्तिष्क में कम्पन पैदा करता है।
विभिन्न आवृतियो (तरंगों) और ‘ॐ’ ध्वनि के उतार चढ़ाव से पैदा होने वाली कम्पन क्रिया से मृत कोशिकाओं को पुनर्जीवित कर देता है तथा नई कोशिकाओं का निर्माण करता है रक्त विकार होने ही नहीं पाता। मस्तिष्क से लेकर नाक, गला, हृदय, पेट और पैर तक तीव्र तरंगों का संचार होता है। रक्त विकार दूर होता है और स्फुर्ती बनी रहती है। यही नहीं आयुर्वेद में भी ॐ के जाप के चमत्कारिक प्रभावों का वर्णन है। इस तरह के कई प्रयोगों के बाद भारतीय आध्यात्मिक प्रतीक चिह्नों को के प्रति पश्चिम देशों के लोगों में भी खुलापन देखा गया।
              ( संकलित)
  <-- आद्यनाथ राय चौधूरी---->
=======================

   ,  

Wednesday, April 8, 2026

28>|| মাত্র 25 মিনিটের যোগ (Ben+Eng+Hindi)

28>|| মাত্র 25 মিনিটের যোগ (Ben+Eng+Hindi)


একটু ধীর স্থির,

মাত্র 25 মিনিটের যোগ,

বাড়বে মন সংযোগ,

এতেই হতে পারে গভীর  থেকে গভীর মনযোগ।


"স্বামীজী বলছেন, যা-কিছুই কর না কেন, একেবারে নিশ্ছিদ্র মনোযোগ দিয়ে করো! এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে, উত্তরাখণ্ডে একবার একজন সাধুকে ধ্যান করার বিষয়ে একেবারে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশ দিতে দেখেছিলাম---

  "হিলো মৎ! বোলো মৎ! সোচো মৎ!” (ধ্যানে বসে নড়বে চড়বে না, কথা বলবেনা, এমনকী বাইরের কিছু নিয়ে ভাববেও না!)


অর্থাৎ, ধ্যেয় বস্তুতে একাগ্রতা ধরে রাখা এবং সেইটি ব্যতীত আর অন্য কিছুতে মনোনিবেশ না করা।


যাঁদের একাগ্রতা দীর্ঘস্থায়ী হয় না, তাঁরা একটি প্রণালী অনুসরণ করে দেখতে পারেন-এটিও পজিটিভ সাইকোলজিস্টদেরই প্রণীত।

 তাঁরা বলেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে সর্বাধিক পঁচিশ মিনিট মানুষ নিজের একাগ্রতা ধরে রাখতে পারে। 

একাগ্রতা বজায় রাখতে যাঁরা পারদর্শী, তাঁদের ক্ষেত্রে এই সময়কাল অবশ্যই আরও দীর্ঘ। 

কিন্তু যাঁদের মনঃসংযোগে অসুবিধা হয়, তাঁরা নিজেদের পড়ার বা কাজের সময়টিকে পঁচিশ মিনিটের এক-একটি ব্লকে ভাগ করে নিতে পারেন। একদম নিজের কাজ নিয়ে  নিজে সঙ্কল্প করুন যে, এখন থেকে সামনের পঁচিশ মিনিট মোবাইল ফোন ঘাঁটা, বন্ধুর সঙ্গে গল্প, এদিক-সেদিক ভাবনাচিন্তা-সব বন্ধ!


 এই পঁচিশ মিনিট কেবল আমার কাজ বা পড়ার বিষয়ে আমি নিজেকে বেঁধে রাখব। পঁচিশ মিনিট পর যদি ইচ্ছা করে, না হয়, একটি ছোট বিরতি নিলেন কাজ থেকে। একটু হাত-পা ছাড়িয়ে নিন, একটু হেঁটে আসুন, জল খান; তারপর আবার পরের পঁচিশ মিনিট পূর্ণ একাগ্রতা সহকারে কাজ করুন।"


📙 বেদান্ত যাপন 

✍️ স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ মহারাজ 🙏

=======================

||★■ Just 25 minutes of yoga ||


A little slow and steady,

Just 25 minutes of yoga,

Will increase concentration,

This can lead to deep, deep focus.


"Swami Vivekananda says, whatever you do, do it with absolute, unbroken concentration! In this context, I remember once seeing a sadhu in Uttarakhand giving very specific instructions on meditation---

"Hillo mat! Bolo mat! Socho mat!" (When meditating, don't move, don't speak, and don't even think about anything external!)"


That is, maintaining single-minded focus on the object of meditation and not concentrating on anything else.


Those whose concentration is not long-lasting can try following a method – this too was formulated by positive psychologists.

They say that a person can maintain their concentration for a maximum of twenty-five minutes continuously.

For those who are adept at maintaining concentration, this period is certainly longer.

But those who have difficulty concentrating can divide their study or work time into twenty-five-minute blocks. Make a firm resolution with yourself that for the next twenty-five minutes, no mobile phone browsing, no chatting with friends, no wandering thoughts – everything is off!


For these twenty-five minutes, I will confine myself solely to my work or studies. After twenty-five minutes, if you wish, you can take a small break from work. Stretch your limbs a bit, take a short walk, drink some water; then again, work with full concentration for the next twenty-five minutes."


📙 Vedanta Jāpan

✍️ Swami Sarvapriyananda Maharaj 🙏

=======================

||★ ■ केवल 25 मिनट का योग ||


थोड़ा धीरे-धीरे,

सिर्फ 25 मिनट का योग,

सचेतनता बढ़ेगी,

यसमे ध्यान अच्छे गहरा हो सकता है।


"स्वामी बिबेकानन्द जी कहते हैं, आप जो कुछ भी करते हैं, उसे पूरे ध्यान से करें! इस संदर्भ में, मुझे याद है कि उत्तराखंड में एक बार मैंने एक संत को ध्यान पर बहुत विशिष्ट निर्देश देते हुए देखा---

  "हीलो मत! बोलो मत! सोचो मत !" (ध्यान में बइठ कर , हिलना मत, बात मत करना, बाहर की किसी भी चीज के बारे में सोचो मत !)


यानी ध्येय वस्तु पर ध्यान केंद्रित करना और उसके अलावा किसी भी चीज पर ध्यान केंद्रित न करना।

उन लोगों के लिए जिनकी एकाग्रता लंबे समय तक चलते नहीँ है ,उन लोग ऐसी एक विधि

कोशिश कर सकते हैं जो सकारात्मक मनोवैज्ञानिकों द्वारा ही तैयार कीया है।

 उनका कहना है कि लोग अधिकतम (25) पच्चीस मिनट तक अपनी एकाग्रता बनाए रख सकते हैं। 

जो लोग एकाग्रता बनाए रखने में माहिर हैं, उनके लिए यह अवधि निश्चित रूप से लंबी है। 



लेकिन जिन लोगों को ध्यान केंद्रित करने में कठिनाई होती है, वे अपने पढ़ने या काम के समय को पच्चीस मिनट के ब्लॉक में विभाजित कर सकते हैं। 


अर्थात अगले पच्चीस मिनट अपने मोबाइल फोन पर नही बिताने, अपने दोस्तों से बात नेही करनेकी और बहार के कोई भी चिंता नही करने का संकल्प लें।


ये पच्चीस मिनट केवल मेरे काम या पढ़ने के बारे में होंगे। पच्चीस मिनट के बाद, अगर वह चाहता था, तो उसने काम से एक छोटा ब्रेकL लिया। अपने हाथों और पैरों को फैलाएं, टहलें, पानी पीएं; फिर अगले पच्चीस मिनट के लिए पूरी एकाग्रता के साथ फिर से काम करें। "


📙 वेदांत लिविंग 

✍️ स्वामी सर्वप्रियानंद महाराज 🙏

=======================


Friday, March 13, 2026

27> || ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ ||

   27> || ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ ||


ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ

সর্বে ভদ্রাণী পশ্যন্তু মা কশ্চিদ দুঃখ ভাবভবেৎ।।

ওঁ স্থাপকায় চ ধর্মস্য সর্ব ধর্ম স্বরূপিণে।

অবতার বরিষ্ঠায় রামকৃষ্ণায় তে নমঃ ।।


ওঁ যথাগ্নের্দাহিকাশক্তিঃ রামকৃষ্ণে স্থিতা 

 হি য়া।

সর্ববিদ্যাস্বরূপাং তাং সারদাং প্রণমাম্যহম্।

ওঁ জননীং সারদাং দেবীং রামকৃষ্ণে জগদগুরুম্।

পাদপদ্মে তয়োঃ শ্রিত্বা প্রণামামি মুর্হুমুহুঃ৷।


ওঁ নমঃ শ্রীযতিরাজায় বিবেকানন্দসুরয়ে।

সচ্চিৎ সুখস্বরূপায় স্বামিনে তাপহারিণে।।

ওঁ পরতত্ত্বে সদালীনো রামকৃষ্ণসমাজ্ঞয়া।

যো ধর্মস্থাপনরতো বীরশং তং নমাম্যহম্।।

জয় ভগবান রামকৃষ্ণদেব কী জয়,

জয় মহামায়েকী জয়,

জয় স্বামীজি মহারাজ কী জয়,

জয় গুরু মহারাজ কী জয়,,,

============


सर्वे भवन्तु सुखिनः सर्वे सन्तु निरामयाः।

सर्वे भद्राणि पश्यन्तु मा कश्चित् दुःखभाग् भवेत्।।

 हे ईश्वर मेरे समस्त मित्रों व परिवार को 

सुखी रखना। सभी को स्वास्थ्य और शांति प्रदान करें, किसी को भी कष्ट न हो।


ॐ शांति,    ॐ शांति,    ॐ शांति,


 ॐ स्थापकाय च धर्मस्य सर्वधर्मस्वरूपिणे।

   अवतार वरिष्ठाय रामकृष्णय ते नमः


 ॐ यथाग्नेरदाहिकाशक्तिः रामकृष्णे स्थिता ही या।

सर्वविद्या स्वरूपां तां शारदां प्रणमामि-अहम् ।।


ॐ जननीं सरदांदेवीं रामकृष्णे जगदगुरुम्।

पादपद्मे तयो: श्रीत्वा प्राणमामि मुरहुमुहु।।


ॐ नमः श्रीयतिराजाय  विवेकानंद सुरये।

 सच्चित् सुखस्वरूपाय  स्वामिणे तापहारिणे।।


 ॐ परतत्त्वे  सदालीनो रामकृष्ण समझया।

 यो धर्मस्थापनरतो बीरशं तं नमाम्यहम ।।


जय भगवान रामकृष्ण देब की जय,

जय महामायेकी जय,

जय स्वामीजी महाराज की जय,

जय गुरु महाराज की जय।

=====================


ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ

সর্বে ভদ্রাণী পশ্যন্তু মা কশ্চিদ দুঃখ ভাবভবেৎ।।

{(হে ঈশ্বর,

আমার সকল মিত্র বন্ধু ও পিরিচিত জন, সমস্ত পরিবার সহিত সকলকে সুখী করুন,নিরোগ  এবং শান্তি প্রদান করুন, কেউ যেন দুঃখ ভোগ লাভ না করে।। 

ওঁ শান্তি, ওঁ শান্তি, ওঁ শান্তি।।) }



ওঁ যথাগ্নের্দাহিকাশক্তিঃ রামকৃষ্ণে স্থিতা 

 হি য়া।

সর্ববিদ্যাস্বরূপাং তাং সারদাং প্রণমামি-অহম্।।


{( আগুনের যেমন দাহিকা শক্তি (পোড়ানোর ক্ষমতা) থাকে, তেমনই শ্রীরামকৃষ্ণে যিনি (শক্তি) সর্বদা অবস্থান করেন, সেই সমস্ত বিদ্যার স্বরূপা (সাক্ষাৎ জ্ঞানরূপা) শ্রীসারদা দেবীকে আমি প্রণাম করি। )}

Monday, February 23, 2026

26>মহা শক্তিশালী শিব স্তুতি::---

 26>মহা শক্তিশালী শিব স্তুতি::-----

মহা ভয়,কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে 

প্রতি সোমবার জপ করতে হবে।

★★মন্ত্র::--

আশুতোষ শশাঙ্কশেখর,

চন্দ্রমৌলী চিদম্বরা,

কোটি কোটি প্রণাম শম্ভু

কোটি নমণ দিগম্বরা।

==============================

আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর (শিব স্তোত্র)
আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর চন্দ্র মৌলি চিদম্বরা,
কোটি কোটি প্রণাম শম্ভু কোটি নমন দিগম্বর।
নির্বিকার ওংকার অবিনাশী তুমি দেবাদিদেব,

জগত স্রষ্টা প্রলয় কর্তা শিবম সত্যম সুন্দরা।

দয়ানিধি দানিশ্বর জয় জটাধর অভয়ংকরা,

আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর...
শূলপাণি ত্রিশূলধারী অউগড় বাঘম্বরী,
নাথ নাগেশ্বর হরো হর পাপ তাপ অভিশাপ তম।
জগতপতি অনুরাগী ভক্তি সদাই তব চরণ হো,
জনম জীবন জগত কা সংতাপ তাপ মিটে সভি।
আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর...



Thursday, February 5, 2026

25>পূর্ব পুরুষদের আশীর্বাদ পাবার জন্য::-

 

25>পূর্ব পুরুষদের আশীর্বাদ পাবার জন্য::--



Pankaj Tiwari, Pankaj Provakar

Munna, Santosh, Kamlesh::--


पूर्वज  की आशीर्वाद पाने के लिए।::---


रोज रात में सोनेकी पहले एक  ग्लास साफ पानी रसोईमें साफ जगह पर रख दीजिए।

ग्लास में दक्कन नहीं देना।

अर्थात पानी पूर्ण ग्लास रखे। दक्कन नहीं देंगे।

ग्लास को रसोई में अच्चे स्थान पर रखे।

जहपर ग्लास रखेंगे उस स्थान साफ होना चाहिए।

रात भर ओह पानी रहेंगे।

सबेरे उठ कर आप या आपके स्त्री कोई भी उस ग्लास की पाने से  घर की सामने वाला प्रधान दरवाजा की बाहर तरफ छिड़काव करे फिर पीछे की दरवाजा की बाहर तरफ ।

उसी एक ग्लास पानी से ही दोन दरवाजा की बाहर तरफ छिड़काव करे।

इस प्रक्रिया काल शुक्रवार से प्रारंभ होंगे चलेगी साल भर।

जबतक घर में रहेंगे तबतक बंद नहीं होना चाहिए।

कोई भी छूत अच्छूत  में बंद नहीं करना है।

अगर जिसदिन आप लोग घर में नहीं रहेंगी उस दिन  सिर्फ बंद होंगे।

नहीतो चलते रहेंगे।

"=====================


Sunday, January 25, 2026

24>সুরক্ষা প্রার্থনা=পঞ্চদেব মন্ত্র

     24>সুরক্ষা প্রার্থনা=পঞ্চদেব মন্ত্র

     (এটি একটি সুরক্ষা মন্ত্র)

 'পঞ্চদেব মন্ত্র':--

"ওম সদা ভবানী ডাহিনে, সন্মুখ রাহে গণেশ,

পঞ্চদেব রক্ষা করে, ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ।" 


অর্থাৎ::--

 'সর্বদা ভবানী (মা দুর্গা) আমাদের ডানদিকে থাকুন'। 

গনেশ, ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ-এর মতো পঞ্চদেবতার সাথে মা দুর্গা (ভবানী)-র কৃপা ও সুরক্ষা প্রাদান করে। 



অর্থ:

ওম (Om): পরম সত্তার ধ্বনি।

সদা (Sada): সর্বদা/সবসময়।

ভবানী (Bhawani): মা দুর্গা/পার্বতী।

ডাহিনে (Dahine): ডানদিকে।

সন্মুখ রাহে গণেশ (Sanmukh Rahe Ganesh): গনেশ আমাদের সামনে থাকুন।

পঞ্চদেব রক্ষা করে (Panchdev Raksha Kare): পঞ্চদেবতা (ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ, সূর্য, গণেশ) আমাদের রক্ষা করুন।

ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ (Brahma Vishnu Mahesh): ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর। 


এই মন্ত্রটি কোন স্থানে যাত্রা কালে , কোন শুভ কাজ প্রারম্ভে বা যেকোনো বিপদের সময় পঞ্চদেবতা ও মা দুর্গার সুরক্ষা কামনায় জপ করলে নিশ্চিত শুভ ফল প্রাপ্তি হয়।


  मंत्र:----

★★"ॐ सदा भवानी दाहिनी सन्मुख रहे गणेश,

पाँच देव रक्षा करें ब्रह्मा विष्णु महेश"


यह मंत्र किसी भी स्थान की यात्रा करते समय, किसी शुभ कार्य की शुरुआत में या किसी भी मुसीबत के समय पंचदेवता और मां दुर्गा की सुरक्षा के लिए जपने से निश्चित रूप से शुभ फल प्राप्त होता है।

====================





Tuesday, December 9, 2025

23>| বগলামুখী মন্ত্রঃ---বাংলা+ হিন্দি।

     23> || বগলামুখী মন্ত্রঃ---||

মঙ্গলবার এই বিশেষ সময়ে মা বগলামুখী মন্ত্র জপে শত্রু বিনাশ হয় | ঋণ মুক্তি  ঘটে 

মন্ত্র ::---

ওঁ হ্লীঁ বগলামুখী সর্বদুষ্টানাং বাচং মুখং পদং স্তম্ভায় জিহ্বাং কীলয় বুদ্ধিং বিনাশয় হ্লীঁ ওঁ স্বাহা ।।

যেকোন প্রকার বাঁধা, বিপত্তি থেকে উদ্ধার পাবার জন্য ।

“ওঁ হ্রীং বগলামুখী, সর্বদুষ্টানাম বাচং মুখং পদং।

স্তম্ভয়,জিহ্বাম্ কীলয়, কীলয় বুদ্ধি

বিনাশায় হ্রীং ওঁ স্বাহা।”

(সাধকের নাম ও জয় বগলামুখী এই দুটি কথা শেষে বলতে হবে।)

যে কোন প্রকার সামাজিক, আর্থিক, পারিবারিক, রাজনৈতিক বা ঝগড়াঝাটি, চাকরী না পাওয়া, প্রমোশন না হওয়া, মকদ্দমায় জেতার জন্য, পরীক্ষায় সফলতার জন্য বিয়েতে বিঘ্ন, স্বামী স্ত্রীর মতান্তর, ব্যবসার উন্নতি, রোগ, শত্রু থেকে রক্ষা সকল বিষয়ের জন্য এই মন্ত্র অব্যর্থ।

বিধিঃ বগলামুখী দেবী বা যে কোন দেবীর চিত্র সামনে রাখতে পারেন নতুবা নিজ গুরু চিত্র অন্যথায় আয়নার সামনে বসে ফুল, ধুপ, দীপ, দিয়ে নিজ মনোবাসনা পূর্ন করার জন্য ৩১ থেকে ৫১ বার মন্ত্র জপ করতে হবে। যত শুদ্ধতা ও পবিত্রতার সঙ্গে কায় মনে মন্ত্র জপ করা হবে তত তাড়াতাড়ি ফল পাওয়া যাবে। বগলামুখী মন্ত্র জপে সাধকের মনোবাসনা অবশ্যই পূর্ন হয়।

===============

मंगलबार दिन मां बगलामुखी की बीज मंत्र 21, या 51 या 108 बार जप करने सर्व प्रकार

शत्रु विनाश  होते है।

बगलामुखी बीज मंत्र है:--

"ॐ ह्लीं बगलामुखी सर्वदुष्टानां वाचं मुखं पदं स्तंभय जिह्वां कीलय बुद्धिं विनाशय ह्रीं ॐ स्वाहा।"

यह मंत्र, मंगलबार दिन हल्दी की माला पर इस मंत्र का जप करना शुभ माना जाता है।

21 या 51 या 108 बार जप करनेसे 

शत्रुओं को निष्क्रिय करने, शत्रुओं से रक्षा करने, और मानसिक शांति प्रदान करने में सहायक माना जाता है।

शत्रुओं से रक्षा और जीवन की हर समस्या का समाधान के लिये इससे उत्तम मंत्र और कुछ भी नहीं हीं।

अतः इस मंत्र का जप शत्रुओं को पराजित करने और जीवन की कठिनाइयों से मुक्ति पाने के लिए किया जाता है। 

मंत्र का जप शरीर और मन में जितनी शुद्धता और पवित्रता से किया जाएगा, परिणाम उतनी ही शीघ्रता से प्राप्त होंगे.

बगलामुखी मंत्र जप से साधक की मनोकामना अवश्य पूरी होती है।

=============================

 "माँ बगलामुखी" का दिव्य मन्त्र ----

   || *माँ बगलामुखी का दिव्य मन्त्र* ||

"ॐ ह्लीं बगलामुखी सर्व दुष्टानां वाचं मुखं पदं स्तम्भय जिह्वां कीलयं कीलयं  बुद्धिं विनाशय ह्रीं ॐ स्वाहा।" 

यह मन्त्र माँ बगलामुखी की अपार शक्ति का प्रतीक है। जब हम इसे पूरे श्रद्धा और विश्वास के साथ जपते हैं, तो यह हमारे जीवन के सभी कष्टो को समाप्त करता है और हमारी राह को आसान बना देता है।

======================

इसी मंत्र के जाप से शत्रुओं पर विजय, कानूनी मामलों में सफलता, नकारात्मक शक्तियों से रक्षा, आत्मविश्वास में वृद्धि, और जीवन की बाधाओं व कर्ज से मुक्ति जैसे कई लाभ मिलते हैं।

इसी मंत्र संकट निवारण और मनोबल बढ़ाने के लिए एक शक्तिशाली साधना बनाते हैं, जिससे सकारात्मक ऊर्जा का संचार होता है और सभी दुखों का अंत होता है। 

मंत्र के प्रमुख लाभ:

शत्रु बाधाओं का नाश: यह मंत्र शत्रुओं को निष्क्रिय करता है और उनके बुरे इरादों को विफल करता है।

कानूनी मामलों में विजय: कोर्ट-कचहरी के मामलों और वाद-विवादों में जीत दिलाने में सहायक है।

नकारात्मक ऊर्जा से रक्षा: तंत्र-मंत्र, बुरी नज़र और नकारात्मक प्रभावों से साधक की रक्षा करता है।

आत्मविश्वास और वाणी में सुधार: व्यक्ति के आत्मबल, आत्मविश्वास और प्रभावशाली व्यक्तित्व को बढ़ाता है, जिससे वाणी में शक्ति आती है।

आर्थिक लाभ: कर्ज से मुक्ति और व्यापार/करियर में आने वाली रुकावटों को दूर करता है।

मानसिक शांति और एकाग्रता: मन को शांत और एकाग्र करता है, भय और तनाव को कम करता है।

समस्त बाधाओं का निवारण: जीवन की सभी बड़ी और छोटी बाधाओं को समाप्त कर मार्ग को सुगम बनाता है। 

=======================






Monday, November 10, 2025

22>খুব গুরুত্বপূর্ণ! জেনেরাখা ভালো::---

 22>🔴 খুব গুরুত্বপূর্ণ! অবশ্যই পড়ুন!

           জেনেরাখা ভালো::---

——————————————

🔴 🙌🙋‍♂🙆 হাত তোলা মানে    

                        আত্মসমর্পণ নয় — 

   এটি এক সহজ সরল শ্রেষ্ঠ কৌশল, 

   জীবন/ প্রাণ বাঁচাবার শ্রেষ্ঠ কৌশল।


☘ "আমি এক বন্ধুর সঙ্গে রাতের খাবার খাচ্ছিলাম, হঠাৎ সে মাছের কাঁটায় শ্বাসরোধের সমস্যায় পড়ে।

তখন আমি তাকে বললাম, “হাত তোলো 🙋‍♂!”

🙆 সে হাত তুলতেই, সত্যিই খুব সহজেই কাঁটাটি বেরিয়ে এল।


🔴 শ্বাসরোধে করণীয় — শুধু "হাত তুলুন 🙋‍♂"


একবার ঠাম্মার গলায় জেলির টুকরো আটকে গিয়েছিল।

তিনি নিজের পেট চেপে ধরেও জেলি বার করতে পারছিলেন না, কথা বলতেও পারছিলেন না।


নাতি জিজ্ঞেস করল, “ঠাম্মি, তোমার কি দম বন্ধ হয়ে আসছে?”


তারপর বলল, “তুমি হয়তো শ্বাসরোধে পড়েছ। এটা করো —

দু’হাত উপরে তোলো 🙆!”

নাতি বারবার বলছিল, “হাত তোলো ঠাম্মি, হাত তোলো 🙆”।

সাথে বলছিল, “তুমি ঠিক হয়ে যাবে ঠাম্মি।”


ঠাম্মা নির্দেশ মতোই হাত তুললেন — এবং জেলির টুকরোটা বেরিয়ে এল।


“দেখলে ঠাম্মি, আমি বলেছিলাম না তুমি ঠিক হয়ে যাবে!”


নাতি একেবারে শান্ত ছিল — সে বলেছিল, এটা সে স্কুলে শিখেছে।


🙆 শ্বাসরোধে করণীয় — শুধু [হাত তোলো 🙆]


——————


🙆 এই প্রাথমিক চিকিৎসার পদ্ধতি পায়ে টান ধরলে (ক্র্যাম্প) ব্যবহার করা যায়।

যেমন, যদি বাঁ পায়ে টান ধরে, তাহলে ডান হাত 🙋‍♂ তোলো —

আর যদি ডান পায়ে ধরে, তবে বাঁ হাত তোলো —

সাথে সাথে আরাম মিলবে! এটা বারবার কাজ করে!


🔴🙌🙋‍♂ হাত তোলা একটি জীবনরক্ষাকারী পদ্ধতি — এটি ❤ হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগের ক্ষেত্রেও কার্যকর!

এমনকি ❤ বুক ধড়ফড়, ❤ এনজাইনা ইত্যাদির ক্ষেত্রেও এটা কার্যকর।


একবার একজন বন্ধু ❤ হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা নিয়ে রাস্তার মোড়ে দম বন্ধ হয়ে পড়ে গিয়েছিল।

সে হঠাৎ দুই হাত তুলে আকাশের দিকে চিৎকার করে বলল — “আমি মারা যাচ্ছি!”

ফলস্বরূপ সে এক ঝটকায় দম নিতে পারল,

এবং ঠিক তখনই অ্যাম্বুলেন্স এসে পৌঁছল — সে কথা বলতে পারল।


🔴 জীবনথেকে শেখা শ্রেষ্ঠ কৌশল::---

🙋‍♂🙌 হাত তোলা একটি জীবনরক্ষাকারী কৌশল।


অতি সাধারন অথচ জীবন রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ কৌশল।

নিজেকে বাঁচাবার এক সরল শ্রেষ্ঠ কৌশল,

দুইহাত মাথার ওপরে তুলে আত্মসমর্পণ।

নিজের জীবন বাঁচাবার অপূর্ব কৌশল।


আমরা অনেক জানি তথাপি আরও একটু জানতে বা মনে করে নিতে লাভ ছাড়া ক্ষতি কোথায়!


(অবশ্যই পড়ুন! সকলকে জানান — হয়তো কারও জীবন বাঁচাতে পারে!) 💝

এটা সাহায্য করতে পারে — কিন্তু কোনও খরচ নেই।

======================

Thursday, October 23, 2025

21> আদিত্য হৃদ্য় মন্ত্র-স্তবক |

       21>||  আদিত্য হৃদ্য়  মন্ত্র-স্তবক ||

রাম রাবনের যুদ্ধ কালে তখন চিন্তাকুল পরিশ্রান্ত তো যুদ্ধ পরিশ্রান্তং সমরে চিন্তায়া স্থিতম

রামচন্দ্রকে অগস্ত্য মুনি ‘আদিত্য-হৃদয়’  মন্ত্র-স্তবক জপ করতে বলেছিলেন। এই মন্ত্রজপে শত্রুবিনাশ হয়। সংগ্রামে বিজয়লাভ হয়।

 যখন রামায়ণ রচনা হচ্ছে, তখন বৈদিক যুগের কল্পান্তর ঘটে থাকলেও সূর্য-মন্ত্র জপের বিধানই বিশেষ সংগত। 

==================

राम-रावण युद्ध के समय, जब राम चिंतित और थके हुए थे, तो ऋषि अगस्त्य ने उन्हें 'आदित्य-हृदय' मंत्र का जाप करने के लिए कहा, जिससे शत्रु का नाश होता है और संग्राम में विजय मिलती है। यह मंत्र सूर्य-मंत्र जप का विधान है, जो उस समय बहुत संगत था।  

युद्ध की स्थिति: जब राम और रावण के बीच भयंकर युद्ध चल रहा था और राम थककर चिंतित हो गए थे, तब ऋषि अगस्त्य ने उन्हें 'आदित्य-हृदय' मंत्र का जाप करने की सलाह दी।

मंत्र का प्रभाव: इस मंत्र के जाप से शत्रु का नाश होता है और युद्ध में विजय प्राप्त होती है।

ऐतिहासिक पृष्ठभूमि: जब 'रामायण' की रचना हुई, तब वैदिक युग से इतर होने पर भी सूर्य-मंत्र जप का विधान विशेष रूप से उपयुक्त था।

======================


    

आदित्य ह्रदय स्तोत्र का पाठ नियमित  करने से अप्रत्याशित लाभ मिलता है। आदित्य हृदय स्तोत्र के पाठ से नौकरी में पदोन्नति, धन प्राप्ति, प्रसन्नता, आत्मविश्वास के साथ-साथ समस्त कार्यों में सफलता मिलती है। हर मनोकामना सिद्ध होती है। सरल शब्दों में कहें तो आदित्य ह्रदय स्तोत्र हर क्षेत्र में चमत्कारी सफलता देता है।

आदित्य हृदय स्तोत्रम अर्थ सहित::---

|| अथ आदित्य हृदय स्तोत्रम ।।

ततो युद्धपरिश्रान्तं समरे चिन्तया स्थितम्।

रावणं चाग्रतो दृष्ट्वा युद्धाय समुपस्थितम्॥ 01

उधर श्रीरामचन्द्रजी युद्ध से थककर चिंता करते हुए रणभूमि में खड़े हुए थे। इतने में रावण भी युद्ध के लिए उनके सामने उपस्थित हो गया।

दैवतैश्च समागम्य द्रष्टुमभ्यागतो रणम्।

उपागम्याब्रवीद्राममगस्त्यो भगवान् ऋषिः॥ 02

यह देख भगवान् अगस्त्य मुनि, जो देवताओं के साथ युद्ध देखने के लिए आये थे, श्रीराम के पास जाकर बोले।

राम राम महाबाहो शृणु गुह्यं सनातनम्।

येन सर्वानरीन् वत्स समरे विजयिष्यसि॥ 03

सबके ह्रदय में रमन करने वाले महाबाहो राम! यह सनातन गोपनीय स्तोत्र सुनो! वत्स! इसके जप से तुम युद्ध में अपने समस्त शत्रुओं पर विजय पा जाओगे ।

आदित्यहृदयं पुण्यं सर्वशत्रुविनाशनम्।

जयावहं जपेन्नित्यम् अक्षय्यं परमं शिवम्॥ 04

इस गोपनीय स्तोत्र का नाम है ‘आदित्यहृदय’ । यह परम पवित्र और संपूर्ण शत्रुओं का नाश करने वाला है। इसके जप से सदा विजय कि प्राप्ति होती है। यह नित्य अक्षय और परम कल्याणमय स्तोत्र है।

सर्वमङ्गलमाङ्गल्यं सर्वपापप्रणाशनम्।

चिन्ताशोकप्रशमनम् आयुर्वर्धनमुत्तमम्॥ 05

सम्पूर्ण मंगलों का भी मंगल है। इससे सब पापों का नाश हो जाता है। यह चिंता और शोक को मिटाने तथा आयु का बढ़ाने वाला उत्तम साधन है।

रश्मिमंतं समुद्यन्तं देवासुरनमस्कृतम्।

पूजयस्व विवस्वन्तं भास्करं भुवनेश्वरम्॥ 06

भगवान् सूर्य अपनी अनंत किरणों से सुशोभित हैं । ये नित्य उदय होने वाले, देवता और असुरों से नमस्कृत, विवस्वान नाम से प्रसिद्द, प्रभा का विस्तार करने वाले और संसार के स्वामी हैं । तुम इनका रश्मिमंते नमः, समुद्यन्ते नमः, देवासुरनमस्कृताये नमः, विवस्वते नमः, भास्कराय नमः, भुवनेश्वराये नमः इन मन्त्रों के द्वारा पूजन करो।

सर्वदेवात्मको ह्येष तेजस्वी रश्मिभावनः।

एष देवासुरगणाँल्लोकान् पाति गभस्तिभिः॥ 07

संपूर्ण देवता इन्ही के स्वरुप हैं । ये तेज़ की राशि तथा अपनी किरणों से जगत को सत्ता एवं स्फूर्ति प्रदान करने वाले हैं । ये अपनी रश्मियों का प्रसार करके देवता और असुरों सहित समस्त लोकों का पालन करने वाले हैं ।

एष ब्रह्मा च विष्णुश्च शिवः स्कन्दः प्रजापतिः।

महेन्द्रो धनदः कालो मः सोमो ह्यपां पतिः॥ 08

भगवान सूर्य, ब्रह्मा, विष्णु, शिव, स्कन्द, प्रजापति, महेंद्र, कुबेर, काल, यम, सोम एवं वरुण आदि में भी प्रचलित हैं।

पितरो वसवः साध्या ह्यश्विनौ मरुतो मनुः।

वायुर्वह्निः प्रजाप्राण ऋतुकर्ता प्रभाकरः॥ 09

ये ही ब्रह्मा, विष्णु शिव, स्कन्द, प्रजापति, इंद्र, कुबेर, काल, यम, चन्द्रमा, वरुण, पितर , वसु, साध्य, अश्विनीकुमार, मरुदगण, मनु, वायु, अग्नि, प्रजा, प्राण, ऋतुओं को प्रकट करने वाले तथा प्रकाश के पुंज हैं ।

आदित्यः सविता सूर्यः खगः पूषा गभस्तिमान्।

सुवर्णसदृशो भानुर्हिरण्यरेता दिवाकरः॥ 10

इनके नाम हैं आदित्य(अदितिपुत्र), सविता(जगत को उत्पन्न करने वाले), सूर्य(सर्वव्यापक), खग, पूषा(पोषण करने वाले), गभस्तिमान (प्रकाशमान), सुवर्णसदृश्य, भानु(प्रकाशक), हिरण्यरेता(ब्रह्मांड कि उत्पत्ति के बीज), दिवाकर(रात्रि का अन्धकार दूर करके दिन का प्रकाश फैलाने वाले),

हरिदश्वः सहस्रार्चि: सप्तसप्ति-मरीचिमान।

तिमिरोन्मन्थन: शम्भुस्त्वष्टा मार्ताण्ड अंशुमान॥ 11

हरिदश्व, सहस्रार्चि (हज़ारों किरणों से सुशोभित), सप्तसप्ति(सात घोड़ों वाले), मरीचिमान(किरणों से सुशोभित), तिमिरोमंथन(अन्धकार का नाश करने वाले), शम्भू, त्वष्टा, मार्तण्डक(ब्रह्माण्ड को जीवन प्रदान करने वाले), अंशुमान,

हिरण्यगर्भः शिशिरस्तपनो भास्करो रविः।

अग्निगर्भोsदिते: पुत्रः शंखः शिशिरनाशान:॥12 

हिरण्यगर्भ(ब्रह्मा), शिशिर(स्वभाव से ही सुख प्रदान करने वाले), तपन(गर्मी पैदा करने वाले), अहस्कर, रवि, अग्निगर्भ(अग्नि को गर्भ में धारण करने वाले), अदितिपुत्र, शंख, शिशिरनाशन(शीत का नाश करने वाले),

व्योम नाथस्तमोभेदी ऋग्य जुस्सामपारगः।

धनवृष्टिरपाम मित्रो विंध्यवीथिप्लवंगम:॥13

व्योमनाथ(आकाश के स्वामी), तमभेदी, ऋग, यजु और सामवेद के पारगामी, धनवृष्टि, अपाम मित्र (जल को उत्पन्न करने वाले), विंध्यवीथिप्लवंगम (आकाश में तीव्र वेग से चलने वाले),

आतपी मंडली मृत्युः पिंगलः सर्वतापनः।

कविर्विश्वो महातेजाः रक्तः सर्वभवोद्भव:॥ 14

आतपी, मंडली, मृत्यु, पिंगल(भूरे रंग वाले), सर्वतापन(सबको ताप देने वाले), कवि, विश्व, महातेजस्वी, रक्त, सर्वभवोद्भव (सबकी उत्पत्ति के कारण),

नक्षत्रग्रहताराणा-मधिपो विश्वभावनः।

तेजसामपि तेजस्वी द्वादशात्मन्नमोस्तुते॥ 15

नक्षत्र, ग्रह और तारों के स्वामी, विश्वभावन(जगत कि रक्षा करने वाले), तेजस्वियों में भी अति तेजस्वी और द्वादशात्मा हैं। इन सभी नामो से प्रसिद्द सूर्यदेव ! आपको नमस्कार है।

नमः पूर्वाय गिरये पश्चिमायाद्रए नमः।

ज्योतिर्गणानां पतये दिनाधिपतये नमः॥ 16

पूर्वगिरी उदयाचल तथा पश्चिमगिरी अस्ताचल के रूप में आपको नमस्कार है । ज्योतिर्गणों (ग्रहों और तारों) के स्वामी तथा दिन के अधिपति आपको प्रणाम है।      

जयाय जयभद्राय हर्यश्वाए नमो नमः।

नमो नमः सहस्रांशो आदित्याय नमो नमः॥ 17

आप जयस्वरूप तथा विजय और कल्याण के दाता हैं। आपके रथ में हरे रंग के घोड़े जुते रहते हैं। आपको बारबार नमस्कार है। सहस्रों किरणों से सुशोभित भगवान् सूर्य! आपको बारम्बार प्रणाम है। आप अदिति के पुत्र होने के कारण आदित्य नाम से भी प्रसिद्द हैं, आपको नमस्कार है।

नम उग्राय वीराय सारंगाय नमो नमः।

नमः पद्मप्रबोधाय मार्तण्डाय नमो नमः॥ 18

उग्र, वीर, और सारंग सूर्यदेव को नमस्कार है । कमलों को विकसित करने वाले प्रचंड तेजधारी मार्तण्ड को प्रणाम है।

ब्रह्मेशानाच्युतेषाय सूर्यायादित्यवर्चसे।

भास्वते सर्वभक्षाय रौद्राय वपुषे नमः॥ 19

आप ब्रह्मा, शिव और विष्णु के भी स्वामी है । सूर आपकी संज्ञा है, यह सूर्यमंडल आपका ही तेज है, आप प्रकाश से परिपूर्ण हैं, सबको स्वाहा कर देने वाली अग्नि आपका ही स्वरुप है, आप रौद्ररूप धारण करने वाले हैं, आपको नमस्कार है।

तमोघ्नाय हिमघ्नाय शत्रुघ्नायामितात्मने।

कृतघ्नघ्नाय देवाय ज्योतिषाम् पतये नमः॥ 20

आप अज्ञान और अन्धकार के नाशक, जड़ता एवं शीत के निवारक तथा शत्रु का नाश करने वाले हैं । आपका स्वरुप अप्रमेय है । आप कृतघ्नों का नाश करने वाले, संपूर्ण ज्योतियों के स्वामी और देवस्वरूप हैं, आपको नमस्कार है।

तप्तचामिकराभाय वह्नये विश्वकर्मणे।

नमस्तमोsभिनिघ्नाये रुचये लोकसाक्षिणे॥ 21

आपकी प्रभा तपाये हुए सुवर्ण के समान है, आप हरी और विश्वकर्मा हैं, तम के नाशक, प्रकाशस्वरूप और जगत के साक्षी हैं, आपको नमस्कार है।

नाशयत्येष वै भूतम तदेव सृजति प्रभुः।

पायत्येष तपत्येष वर्षत्येष गभस्तिभिः॥ 22

रघुनन्दन! ये भगवान् सूर्य ही संपूर्ण भूतों का संहार, सृष्टि और पालन करते हैं । ये अपनी किरणों से गर्मी पहुंचाते और वर्षा करते हैं।

एष सुप्तेषु जागर्ति भूतेषु परिनिष्ठितः।

एष एवाग्निहोत्रम् च फलं चैवाग्निहोत्रिणाम॥ 23

ये सब भूतों में अन्तर्यामी रूप से स्थित होकर उनके सो जाने पर भी जागते रहते हैं । ये ही अग्निहोत्र तथा अग्निहोत्री पुरुषों को मिलने वाले फल हैं।

वेदाश्च क्रतवश्चैव क्रतुनाम फलमेव च।

यानि कृत्यानि लोकेषु सर्व एष रविः प्रभुः॥ 24

वेदों, यज्ञ और यज्ञों के फल भी ये ही हैं। संपूर्ण लोकों में जितनी क्रियाएँ होती हैं उन सबका फल देने में ये ही पूर्ण समर्थ हैं।

एन मापत्सु कृच्छ्रेषु कान्तारेषु भयेषु च।

कीर्तयन पुरुष: कश्चिन्नावसीदति राघव॥ 25

राघव! विपत्ति में, कष्ट में, दुर्गम मार्ग में तथा और किसी भय के अवसर पर जो कोई पुरुष इन सूर्यदेव का कीर्तन करता है, उसे दुःख नहीं भोगना पड़ता।

पूज्यस्वैन-मेकाग्रे देवदेवम जगत्पतिम।

एतत त्रिगुणितम् जप्त्वा युद्धेषु विजयिष्यसि॥ 26

इसलिए तुम एकाग्रचित होकर इन देवाधिदेव जगदीश्वर कि पूजा करो । इस आदित्यहृदय का तीन बार जप करने से तुम युद्ध में विजय पाओगे।

अस्मिन क्षणे महाबाहो रावणम् तवं वधिष्यसि।

एवमुक्त्वा तदाsगस्त्यो जगाम च यथागतम्॥ 27

महाबाहो ! तुम इसी क्षण रावण का वध कर सकोगे। यह कहकर अगस्त्यजी जैसे आये थे वैसे ही चले गए।

एतच्छ्रुत्वा महातेजा नष्टशोकोsभवत्तदा।

धारयामास सुप्रितो राघवः प्रयतात्मवान ॥ 28

उनका उपदेश सुनकर महातेजस्वी श्रीरामचन्द्रजी का शोक दूर हो गया। उन्होंने प्रसन्न होकर शुद्धचित्त से आदित्यहृदय को धारण किया।

आदित्यं प्रेक्ष्य जप्त्वा तु परम हर्षमवाप्तवान्।

त्रिराचम्य शुचिर्भूत्वा धनुरादाय वीर्यवान॥ 29

और तीन बार आचमन करके शुद्ध हो भगवान् सूर्य की और देखते हुए इसका तीन बार जप किया । इससे उन्हें बड़ा हर्ष हुआ । फिर परम पराक्रमी रघुनाथ जी ने धनुष उठाकर

रावणम प्रेक्ष्य हृष्टात्मा युद्धाय समुपागमत।

सर्वयत्नेन महता वधे तस्य धृतोsभवत्॥ 30

रावण की और देखा और उत्साहपूर्वक विजय पाने के लिए वे आगे बढे। उन्होंने पूरा प्रयत्न करके रावण के वध का निश्चय किया।

अथ रवि-रवद-न्निरिक्ष्य रामम। मुदितमनाः परमम् प्रहृष्यमाण:।

निशिचरपति-संक्षयम् विदित्वा सुरगण-मध्यगतो वचस्त्वरेति॥ 31

          ।।सम्पूर्ण ।।

उस समय देवताओं के मध्य में खड़े हुए भगवान् सूर्य ने प्रसन्न होकर श्रीरामचन्द्रजी की और देखा और निशाचरराज रावण के विनाश का समय निकट जानकर हर्षपूर्वक कहा – ‘रघुनन्दन! अब जल्दी करो’ । इस प्रकार भगवान् सूर्य कि प्रशंसा में कहा गया और वाल्मीकि रामायण के युद्ध काण्ड में वर्णित यह आदित्य हृदयम मंत्र संपन्न होता है।

।। इत्यार्षे श्रीमद्रामायणे वाल्मिकीये आदिकाव्ये युद्दकाण्डे पञ्चाधिक शततम सर्गः ।।

========================


     || आदित्य हृदय मंत्र::::||


आदित्य हृदय मंत्र सूर्यदेव की स्तुति है, जिसका उपयोग शत्रु पर विजय पाने और बाधाओं को दूर करने के लिए किया जाता है। यह मंत्र "आदित्य हृदय स्तोत्र" का हिस्सा है और इसमें विभिन्न मंत्र शामिल हैं जो सूर्य देव के विभिन्न नामों और उनके शक्तियों का आह्वान करते हैं। 

●आदित्य हृदय स्तोत्र के मंत्र

विनियोग: यह मंत्र की शुरुआत में पढ़ा जाता है।

"ॐ अस्य आदित्यहृदय स्तोत्रस्य अगस्त्यऋषिः अनुष्टुप्छन्दः, आदित्यहृदयभूतो भगवान् ब्रह्मा देवता निरस्ताशेष-विघ्नतया ब्रह्मविद्यासिद्धौ सर्वत्र जयसिद्धौ च विनियोगः"


★★★मूल मंत्र:

"ॐ भूर्भुवः स्वः तत्सवितुर्वरेण्यं भर्गो देवस्य धीमहि धियो यो नः प्रचोदयात्"



★★सूर्य देव के विभिन्न नाम और स्तुति:

"रश्मिमन्तं समुद्यन्तं देवासुरनमस्कृतम्‌"

"एष ब्रह्मा च विष्णुश्च शिव: स्कन्द: प्रजापति:"

"आदित्य: सविता सूर्य: खग: पूषा गभस्तिमान्‌"

"नम: पूर्वाय गिरये पश्चिमायाद्रये नम:"

"तमोघ्नाय हिमघ्नाय शत्रुघ्नायामितात्मने"



★★  विजय के लिए प्रार्थना:---

"पूजयस्वैनमेकाग्रो देवदेवं जगप्ततिम्‌"

"एतच्छ्रुत्वा महातेजा नष्टशोकोऽभवत्‌ तदा" 


●इस जप से फायदे::--

यह मंत्र शत्रु पर विजय दिलाने वाला माना जाता है।

यह बाधाओं को दूर करने और कष्टों से बचाने में सहायक है।

इसका पाठ करने से मन में साहस और स्पष्टता आती है। 

=================

★★घृणि आदित्य हृदय मंत्र::::


घृणि आदित्य हृदय मंत्र" के दो प्रमुख रूप हैं: "ॐ घृणिः सूर्य आदित्यः" और "ॐ घृणि सूर्याय नमः"। इन मंत्रों का जाप सूर्य देव की कृपा पाने, बाधाओं को दूर करने और जीवन में सुख-समृद्धि के लिए किया जाता है। 


★★★★★★मुख्य मंत्र★★★★★


★★ॐ घृणिः सूर्य आदित्यः: यह आदित्य हृदय स्तोत्र का एक अंश है और सूर्य देव को समर्पित है।

★★ॐ घृणि सूर्याय नमः: यह सूर्य देव का एक प्रसिद्ध मंत्र है, जिसका अर्थ है "हे सूर्य देव, मैं आपको नमस्कार करता हूं"। इसका जाप करने से सुख, शांति, समृद्धि और अच्छे स्वास्थ्य की प्राप्ति होती है। 


●●अन्य संबंधित मंत्र::----


  ●मनोकामना पूर्ति के लिए मंत्र::--


★ॐ ह्रीं ह्रीं सूर्याय सहस्रकिरणराय मनोवांछित फलम् देहि देहि स्वाहा।।

  

  ●सूर्य देव का तांत्रिक बीज मंत्र°::--


★ॐ ह्रां ह्रीं ह्रौं सः सूर्याय नमः: यह सूर्य देव का तांत्रिक बीज मंत्र है।


  ●सूर्य गायत्री मंत्र::---


★ॐ भास्कराय विद्महे महातेजाय धीमहि। तन्नः सूर्यः प्रचोदयात्।।: यह सूर्य देव को समर्पित गायत्री मंत्र है। 


■■■  मंत्र जाप के लाभ::---

सूर्य देव की कृपा प्राप्त होती है।

सफलता, मानसिक शांति और शक्ति मिलती है।

कुंडली में सूर्य को मजबूत करते हैं।

रोगों का नाश होता है।

मनोकामनाएं पूरी होती हैं और जीवन में सकारात्मकता बनी रहती है। 

,,==================




Monday, October 20, 2025

20>নারায়ণ অনন্ত মন্ত্র::--V V Imp

 20>নারায়ণ অনন্ত মন্ত্র::--V V Imp


"নারায়ণ অনন্ত হরে নৃসিংহ প্রহ্লাদ বাধা হরে কৃপালু" 


একটি শক্তিশালী মন্ত্র, যা ভগবান বিষ্ণুর বিভিন্ন রূপের (যেমন নারায়ণ, অনন্ত এবং নৃসিংহ) উদ্দেশ্যে উচ্চারিত হয়। 

এই মন্ত্রটি পাঠ করলে ঐশ্বরিক সুরক্ষা পাওয়া যায়, নেতিবাচক শক্তি দূর হয়, এবং প্রহ্লাদের মতো ভক্তি অনুশীলনকারীদের বাধা দূর হয়। 

এটি একটি শক্তিশালী মন্ত্র যা মানসিক শান্তি, চাপ মুক্তি এবং ইতিবাচক শক্তি আনতে সাহায্য করে। 


মন্ত্রটির অর্থ: এই মন্ত্রটি নারায়ণ, অনন্ত, হরে, নৃসিংহ—যারা প্রহ্লাদের বাধা দূর করেছিলেন, সেই কৃপালু বা দয়ালু ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা।

এর উপকারিতা:

সুরক্ষা: এটি পাঠ করলে ঐশ্বরিক সুরক্ষা পাওয়া যায় এবং নেতিবাচক শক্তি ও বাধা দূর হয়।

মানসিক শান্তি: মন্ত্র জপ করলে মন শান্ত হয় এবং চাপ কমে।

শুভ প্রভাব: এটি গ্রহের অশুভ প্রভাব, কালো জাদু এবং অশুভ দৃষ্টি দূর করতেও সহায়ক বলে মনে করা হয়।

ইচ্ছা পূরণ: এই মন্ত্রের মধ্যে সমস্ত ইচ্ছা পূরণ করার ক্ষমতা রয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়। 

======================


श्री नारायण अनंत मंत्र:-- ( नृसिंह मंत्र)

 "नारायणानन्त हरे नृसिंह प्रह्लादबाधा हरेः कृपालु"

" नारायण,अनंत, हरे नृसिंह  प्रह्लाद बाधाओं

हरने वाले दयालु हैं।" 

यह मंत्र भगवान विष्णु के नरसिंह अवतार को समर्पित है। इसका अर्थ है कि जिस प्रकार भगवान नरसिंह ने अपने भक्त प्रह्लाद के संकटों को दूर किया था, उसी तरह वह सभी भक्तों की बाधाओं को भी दूर करते हैं। 

 इस पूरे श्लोक का अर्थ है: "हे नारायण, अनंत, हरे, नृसिंह, जो प्रह्लाद की पीड़ा हरने वाले दयालु हैं! 

भय, डर और संकट से छुटकारा पाने के लिए तुरंत बोले ये शब्द, हर दुख होगा दूर ..

========================



Tuesday, September 9, 2025

19>হাততালি দিয়ে করো হরিনাম,

 19>সকাল, সন্ধ্যা,হাততালি দিয়ে করো হরিনাম,

পূর্ণ-হবে-সকল মনস্কাম।

হাততালি দিয়ে করলে হরিনাম,

পালাবে সব পাপ তাপ, মন-হবে 

আনন্দ ধাম।


যেমন গাছের নীচে দাঁড়িয়ে হাততালি দিলে গাছের সকল পাখি উড়ে যায়,

তেমনি হাততালি দিয়ে হরিনাম করলে

গাছ রুপি দেহ  থেকে সকল অবিদ্যারূপ পাখি উড়ে পালায়।

                 শ্রীশ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেব।




ঈশ্বর কে--?--তিনি সর্বসায়, তিনি নিজে

     সকল কিছু সহ্য করেণ।

  যত দুঃখ, কষ্ট,রোগ,ভোগ,তিনি সকলি

সহেন।

ঈশ্বর সকলের সকল সয়,

তিনি সর্ব শক্তি মান--সর্বসায়,

তিনিই রোগ, তিনিই ভোগ, তিনিই

সর্ব ভোগ-সর্ব সহায়।

=========================

18>ওঁ কৃষ্ণায় বাসুদেবায়

18> ওঁ কৃষ্ণায় বাসুদেবায় হরয়ে পরমাত্মনে। প্রণত ক্লেশনাশায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।। 


 হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধ জগৎপথে।

 গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধা কান্ত নমহস্তুতে ।।


হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে

হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

===================


"ॐ कृष्णाय वासुदेवाय हरये परमात्मने प्रणतः क्लेशनाशाय गोविंदाय नमो नमः।" 


श्री कृष्ण गोविंद ll हरे मुरारी ll हे नाथ नारायण ll वासुदेवा ll हरे मुरारी ll मधु कैट भारे ll गोविन्द गोपाल मुकुंद कृष्ण ll यज्ञेश नारायण कृष्ण विष्णु निराश्रियम्म मां जगदीश्वराय ll जय जय श्री कृष्ण ll राधे राधे ll

हरे कृष्ण हरे कृष्ण ।। कृष्ण कृष्ण हरे हरे ।।

हरे राम हरे राम ।। राम राम हरे हरे।।

========================

Wednesday, August 13, 2025

17>|| "ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ---"

 17>||   "ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ---"


"ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ

সর্বে ভদ্রাণী পশ্যন্তু মা কশ্চিদ দুঃখ ভাবভবেৎ।।"


অর্থ- সকলে সুখী হোন,নিরোগ হোন এবং শান্তি লাভ করুন, কেউ যেন দুঃখ ভোগ লাভ না করে।। 


ওঁ শান্তি, ওঁ শান্তি, ওঁ শান্তি।।


ওঁ স্থাপকায় চ ধর্মস্য সর্ব ধর্ম স্বরূপিণে।

অবতার বরিষ্ঠায় রামকৃষ্ণায় তে নমঃ ।।


ওঁ যথাগ্নের্দাহিকাশক্তিঃ রামকৃষ্ণে স্থিতা হি য়া।

সর্ববিদ্যাস্বরূপাং তাং সারদাং প্রণমামি-অহম্।।


ওঁ জননীং সারদাং দেবীং রামকৃষ্ণে জগদগুরুম্।

পাদপদ্মে তয়োঃ শ্রিত্বা প্রণামামি মুর্হুমুহুঃ৷।


ওঁ নমঃ শ্রীযতিরাজায় বিবেকানন্দ সুরয়ে।

সচ্চিৎ সুখস্বরূপায় স্বামিণে তাপহারিণে।।

【 এই শ্লোকের অর্থ হল: "যতিদের রাজা, বিদ্যার আলো, যিনি সত্য, চিৎ (জ্ঞান), এবং আনন্দ স্বরূপ, যিনি স্বামী এবং যিনি তাপ (কষ্ট) হরণ করেন, সেই বিবেকানন্দের উদ্দেশ্যে প্রণাম।"


এই শ্লোকে, স্বামী বিবেকানন্দকে 'যতিরাজ'---> (যতিদের রাজা), 'বিবেকানন্দ সুর'--> (বিবেকানন্দের আলো), 

'সচ্চিৎ সুখস্বরূপ'---> (যিনি সত্য, জ্ঞান ও আনন্দ স্বরূপ), 

এবং 'তাপহারী'---> (দুঃখ দূরকারী) হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। 

এই শ্লোকটি মূলত স্বামী বিবেকানন্দের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা ও ভক্তি নিবেদনের একটি মন্ত্র। 】



ওঁ পরতত্ত্বে সদালীনো রামকৃষ্ণসমাজ্ঞয়া।

যো ধর্মস্থাপনরতো বীরশং তং নমাম্যহম্।।

【এই শ্লোকটির অর্থ হল: যিনি পরতত্ত্বে (পরম সত্যে) সদা লীন এবং রামকৃষ্ণের আজ্ঞা দ্বারা ধর্ম সংস্থাপনে রত, সেই বীরকে আমি প্রণাম করি।

অর্থাৎ, শ্লোকটিতে পরম সত্যের সাথে একাত্ম হওয়া এবং শ্রীরামকৃষ্ণের আদর্শে ধর্ম সংস্থাপনে রত একজন বীরকে প্রণাম জানানোর কথা বলা হয়েছে।


এই শ্লোকের মূল শব্দগুলির অর্থ: 

ওঁ: -->একটি পবিত্র মন্ত্র যা ঈশ্বরের প্রতীক।

পরতত্ত্বে:--> পরম সত্য বা সর্বোচ্চ সত্য।

সদালীনো:--> সর্বদা নিমগ্ন বা যুক্ত।

রামকৃষ্ণসমাজ্ঞয়া:--> শ্রীরামকৃষ্ণের আজ্ঞা বা নির্দেশ অনুসারে।

যো:--> যিনি।

ধর্মস্থাপনরতো:--> ধর্ম প্রতিষ্ঠায় রত।

বীরশং:--> বীরকে, সাহসী ব্যক্তিকে।

তং:--> তাকে।

নমাম্যহম্:--> আমি প্রণাম করি।】



জয় ভগবান রামকৃষ্ণদেব কী জয়,

জয় মহামায়েকী জয়,

জয় স্বামীজি মহারাজ কী জয়,

জয় গুরু মহারাজ কী জয়,,,

=========================

Saturday, July 19, 2025

16> ★★★প্রদীপ শিখা::---

    16> প্রদীপ শিখা::---

ঠাকুর ঘরে বা যেকোন স্থানে প্রদীপ জ্বালাতে হলে দিক নির্দেশ বিশেষ জরুরি।


প্রদীপ শিখা কোন দিকে রাখবেন::---

উত্তরমুখী রাখলে::---->সম্পত্তি বৃদ্ধির 

          সহায়ক হয়।

পূর্বমুখী--->মানসিক সুখ শান্তি বৃদ্ধির 

            সহায়ক হয়।

পশ্চিমমুখী----->ধার দেনা তথা ঋণমুক্তির

             সহায়ক হয়।

দক্ষিণ মুখী----->মোটেই সুখকর নয়।

              অকল্যাণ কর হয়।

দুঃখ বেদনা অনিষ্টের কারণ হয়।

হিন্দু শাস্ত্র মতে দক্ষিণ মুখ করে কখনোই প্রদীপ জ্বালাতে নেই।

=========================


Tuesday, May 6, 2025

15>||शाक्त की शक्ति का रहस्य॥

15>||शाक्त की शक्ति का रहस्य॥


ॐ एं ह्रीं क्लीं चामुण्डायैः विच्चे॥

॥ या देवी सर्वभूतेषू शक्तिरूपेण संस्थिता।
नमस्तस्यै नमस्तस्यै नमस्तस्यै नमो नम:||


शक्ति से सृजन होता है और शक्ति से ही विध्वंस। वेद कहते हैं शक्ति से ही यह ब्रह्मांड चलायमान है।...शरीर या मन में यदि शक्ति नहीं है तो शरीर और मन का क्या उपयोग। शक्ति के बल पर ही हम संसार में विद्यमान हैं। शक्ति ही ब्रह्मांड की ऊर्जा है।


माँ पार्वती को शक्ति भी कहते हैं। वेद, उपनिषद और गीता में शक्ति को प्रकृति कहा गया है। प्रकृति कहने से अर्थ वह प्रकृति नहीं हो जाती। हर माँ प्रकृति है। जहाँ भी सृजन की शक्ति है वहाँ प्रकृति ही मानी गई है इसीलिए माँ को प्रकृति कहा गया है। प्रकृति में ही जन्म देने की शक्ति है।

अनादिकाल की परम्परा ने माँ के रूप और उनके जीवन रहस्य को बहुत ही विरोधाभासिक बना दिया है। वेदों में ब्रह्मांड की शक्ति को चिद् या प्रकृति कहा गया है। वेदों में दुर्गा का कोई उल्लेख नहीं मिलता। गीता में इसे परा कहा गया है। इसी तरह प्रत्येक ग्रंथों में इस शक्ति को अलग-अलग नाम दिया गया है, लेकिन इसका शिव की अर्धांगिनी माता पार्वती से कोई संबंध नहीं। फिर भी पुराणकारों ने सभी का संबंध दुर्गा से जोड़ दिया।

इस समूचे ब्रह्मांड में व्याप्त हैं सिद्धियाँ और शक्तियाँ। स्वयं हमारे भीतर भी कई तरह की शक्तियाँ हैं। ज्ञानशक्ति, इच्छाशक्ति, मन:शक्ति और क्रियाशक्ति आदि। अनंत हैं शक्तियाँ। वेद में इसे चित्त शक्ति कहा गया है जिससे ब्रह्मांड का जन्म होता है। यह शक्ति सभी के भीतर होती है।

माँ पार्वती : माँ पार्वती का मूल नाम सती है। ये सती शब्द बिगड़कर शक्ति हो गया। शक्ति का अब अर्थ ताकत होता है। पुराणों अनुसार माँ पार्वती के पिता का नाम दक्ष प्रजा‍पति और माता का नाम मेनका है। पति का नाम शिव और पुत्र कार्तिकेय तथा गणेश हैं।


इन्हें हिमालय की पुत्री अर्थात उमा हैमवती भी कहा जाता है। राजा दक्ष प्रजापति को हिमालय इसीलिए कहा जाता है कि उनका राज्य हिमालय क्षेत्र में ही था। दुर्गा ने महिषासुर, शुम्भ, निशुम्भ आदि राक्षसों का वध करके जनता को कुतंत्र से मुक्त कराया था। उनकी यह पवित्र गाथा मर्केण्डेय पुराण में मिलती है।

भैरव, गणेश और हनुमान : अकसर जिक्र होता है कि माँ दुर्गा के साथ भगवान भैरव, गणेश और हनुमानजी हमेशा रहते हैं। प्राचीन दुर्गा मंदिरों में आपको भैरव और हनुमानजी की मूर्तियाँ अवश्य मिलेंगी। दरअसल भगवान भैरव दुर्गा की सेना के सेनापति माने जाते हैं और उनके साथ हनुमानजी का होना इस बात का प्रमाण है कि राम और शिव का काल एक ही रहा होगा। फिर भी यह शोध का विषय है।

नवदुर्गा : मार्कण्डेय पुराण में परमगोपनीय साधन, कल्याणकारी देवी कवच एवं परम पवित्र उपाय संपूर्ण प्राणियों की रक्षार्थ बताया गया है। जो देवी की नौ मूर्तियाँ-स्वरूप हैं, जिन्हें 'नवदुर्गा' कहा जाता है, उनकी आराधना आश्विन शुक्ल पक्ष की प्रतिपदा से महानवमी तक की जाती है।

शाक्त धर्म का उद्देश्य :
सभी का उद्देश्य मोक्ष है फिर भी शक्ति का संचय करो। शक्ति की उपासना करो। शक्ति ही जीवन है। शक्ति ही धर्म है। शक्ति ही सत्य है। शक्ति ही सर्वत्र व्याप्त है और शक्ति की हम सभी को आवश्यकता है। बलवान बनो, वीर बनो, निर्भय बनो, स्वतंत्र बनो और शक्तिशाली बनो। तभी तो नाथ और शाक्त सम्प्रदाय के साधक शक्तिमान बनने के लिए तरह-तरह के योग और साधना करते रहते हैं। सिद्धियाँ प्राप्त करते रहते हैं।

शाक्त सम्प्रदाय : हिंदुओं के दो प्राचीन सम्प्रदाय हैं- शैव और वैष्णव। शाक्त सम्प्रदाय को शैव संप्रदाय के अंतर्गत माना जाता है। शाक्तों का मानना है कि दुनिया की सर्वोच्च शक्ति स्त्रेण है इसीलिए वे देवी दुर्गा को ही ईश्वर रूप में पूजते हैं।

सिंधु घाटी की सभ्यता में भी मातृदेवी की पूजा के प्रमाण मिलते हैं। शाक्त सम्प्रदाय प्राचीन सम्प्रदाय है। गुप्तकाल में यह उत्तर-पूर्वी भारत, कम्बोडिया, जावा, बोर्निया और मलाया प्राय:द्वीपों के देशों में लोकप्रीय था। बौद्ध धर्म के प्रचलन के बाद इसका प्रभाव कम हुआ।

शाक्त सम्प्रदाय में दुर्गा के संबंध में 'श्री दुर्गा भागवत पुराण' एक प्रमुख ग्रंथ है, जिसमें 108 देवीपीठों का वर्णन किया गया है। उनमें से भी 51-52 शक्तिपीठों का खास महत्व है।
=========================================================

Saturday, May 3, 2025

14>*शाबरमंत्र + সন্তান সম্বন্ধে কিছু প্রয়োগ ***( 1 to 14

 >*शाबरमंत्र + সন্তান সম্বন্ধে কিছু প্রয়োগ ***( 1 to 14 )


1----------संतान सम्बन्धी कुछ प्रयोग
2----------सर्वकार्य साधक शाबरमंत्र
3----------ॐ श्री काल भैरव बटुक भैरव शाबर स्तोत्र मंत्र
4-----------तंत्र निवारण प्रयोग
5-----------तंत्र में बलि की प्रमुख्यता क्यों?
6-----------भूत, प्रेत और मसान बाधा के लिए एक अनुभूत प्रयोग
7-----------काला जादू”
8-----------Aअघोर पंथ सनातन धर्म का एक संप्रदाय है।
9-----------अघोर पंथ हिंदू धर्म का एक संप्रदाय है।
10----------अघोरपंथ =अघोरपीठ बाबा कीनाराम स्थल
11----------अघोरियों की रहस्यमयी दुनिया के बारे में जान उनसे डरने लगेंगे आप!
12----------अघोर पंथियों के 10 तांत्रिक पीठ
13----------कैसे आती है अघोरियों में इतनी शक्ति, मुर्दे भी देते है उनके सवालो के जवाब?
14-----------शिव के उपासक होते हैं अघोरी साधु, जानिए 12 अन्य रहस्यमय तथ्य

*******************************************************************************

शाबरमंत्र
1>संतान सम्बन्धी कुछ प्रयोग

 आजकल संतान का खराब हो जाना आम समस्या हो गई उसी के लिय आज कुछ प्रयोग लिख रहा हूँ|

🌷जब ये निश्चय हो जाय की स्त्री गर्भ से है तो उसके बाजू पर लाल धागा बाँध दे जो चमकीला न हो और बच्चे के जन्म के बाद वो धागा बच्चे को बाँध दें और माता को नया धागा बाँध दें| ये धागा फिर अगले अठारह महीनों तक बंधा रहने दे|

🌷ये रक्षा बंधन कहलाता है | इस से मिस्ग्रेज होने या जन्म लेकर बच्चे की मृत्यु होने की सम्भावना काफी हद तक कम हो जाती है|

🌷ये सन्तान की आयु विरधी करता है|

केतु के अधिपति गणेश जी है इसिलिय सन्तान के विघ्न से रक्षा के लिय गणेश जी की पूजा करे|अपने परोसे गये भोजन में से तिन भाग निकालकर एक भाग गाय को एक कुत्तों को और एक भाग कवों को डाले | संतान सुख के लिय ये सबसे उत्तम उपाय है|

🌷जब प्रसव समय नजदीक हो तो एक बर्तन में दूध डालकर और कुछ चीनीकिसी पुडिया आदि में डालकर जच्चा का हाथ लगवाकर रख लें| प्रसव आसानी से हो जाएगा | जन्म के बाद वो बर्तन किसी मन्दिर में दूध और चीनी समेत रख आये|

🌷यदि वर्षफल में राहू मंदा हो और संतान से सम्बन्धित दिक्कत होने की सम्भावना हो तो एक सफेद रंग की बोतल में पानी और जो डालकर घर में रखे| बच्चा खराब नही होगा और प्रसव आसानी से होगा |

🌷यदि किसी के बच्चे न बचते हो तो जन्मदिन पर मिठाई न बांटे बलिक नमकीन बांटे|
🌷कुतिया एक समय में कई बच्चे पैदा करती है जिसमे से कुछ मर जाते है| ऐसे में किसी कुतिया का केवल एक ही पिला नर जीवित बच्चे और बिना सन्तान वाला इंसान उसे पाल लें तो उसके सन्तान होने के योग प्रबल हो जाते है|
🌷मित्रों ये साधरण से दिखने वाले कारगर उपाय है जिन्हें करकेआप लाभ प्राप्त कर सकते हैं .
================================
2>. सर्वकार्य साधक शाबरमंत्र


कई बार व्यक्ति की समृद्धि अचानक रुष्ट हो जाती है,सारे बने बनाये कार्य बिगड जाते है,जीवन की सारी खुशिया नाराज सी लगती हैं,जिस भी काम में हाथ डालो असफलता ही हाथ लगती है.घर का कोई सदस्य जब चाहे तब घर से भाग जाता है,या हमेशा गुमसुम सा पागलों सा व्यवहार करता हो,तब ये प्रयोग जीवन की विभिन्न समस्याओं का न सिर्फ समाधान करता है अपितु पूरी तरह उन्हें नष्ट ही कर देता और आने वाले पूरे जीवन में भी आपको सपरिवार तंत्र बाधा और स्थान दोष ,दिशा दोष से मुक्त कर अभय ही दे देता हैं.

जीवन मे कितनी विकट स्थिति हो ओर कितनी ही परेशानी हो

अगर आप इस मन्त्र का हर रोज केवल 10 मिंट जाप करते हो तो कोई भी संकट नहीं रहेगा.

घर मे क्लेश हो यो उपरी बढ़ा हो आप खुद को असुरक्षित मह्सुश करते हो। या ओर कोई परेशानी हो तो भी घर मे सुख समृधि के लिये इस मन्त्र का जाप करे .. .

शाबरमंत्रशक्ति का एक बहुत ही शक्तिशाली मन्त्र :

मन्त्र :
ओम नमो आदेश गुरु का।

वज्र वज्रि वज्र किवाड़ वज्र से बांधा दशो द्वार, जो घात घाले उलट वेद वाही को खात ,

पहली चोकी गणपति की, दूजी चोकी हनुमंत की ,तीजी चोकी भैरव की ,

चौथी चोकी रोम रोम रक्षा करने को नृसिंह जी आयें ,

शब्द साचा पिण्ड काचा फुरो मन्त्र ईश्वरो वाचा।।

. इस मन्त्र की महिमा अपरंपार है ..... चाहो तो आजमा कर देख लो ....... पूरे शाबर मन्त्र साहित्य मे शायद ही कोई इस मन्त्र से शक्ति शाली मन्त्र हो इस मन्त्र के 100 से अधिक प्रयोग हैं.
===========================================================

3>.ॐ श्री काल भैरव बटुक भैरव शाबर स्तोत्र मंत्र


ॐ अस्य श्री बटुक भैरव शाबर स्तोत्र मन्त्रस्य सप्त

ऋषिः ऋषयः, मातृका छंदः, श्री बटुक भैरव

देवता, ममेप्सित कामना सिध्यर्थे विनियोगः

ॐ काल भैरु बटुक भैरु ! भूत भैरु ! महा भैरव

महा भी विनाशनम देवता सर्व सिद्दिर्भवेत .

शोक दुःख क्षय करं निरंजनम, निराकरम

नारायणं, भक्ति पूर्णं त्वं महेशं. सर्व

कामना सिद्दिर्भवेत. काल भैरव, भूषण वाहनं

काल हन्ता रूपम च, भैरव गुनी.

महात्मनः योगिनाम महा देव स्वरूपं. सर्व

-सिद्ध्येत. ॐ काल भैरु, बटुक भैरु, भूत भैरु ! महा भैरव

महा भय विनाशनम देवता. सर्व सिद्दिर्भवेत.

ॐ त्वं ज्ञानं, त्वं ध्यानं, त्वं योगं, त्वं तत्त्वं, त्वं

बीजम, महात्मानम, त्वं शक्तिः, शक्ति धारणं

त्वं महा देव स्वरूपं. सर्व सिद्धिर्भवेत. ॐ काल भैरु,

बटुक भैरु, भूत भैरु ! महा भैरव महा भय विनाशनम

देवता. सर्व सिद्दिर्भवेत.

ॐ कालभैरव ! त्वं नागेश्वरम नाग हारम च त्वं वन्दे

परमेश्वरम, ब्रह्म ज्ञानं, ब्रह्म ध्यानं, ब्रह्म योगं,

ब्रह्म तत्त्वं, ब्रह्म बीजम महात्मनः, ॐ काल भैरु,

बटुक भैरु, भूत भैरु, महा भैरव महा भय विनाशनम

देवता! सर्व सिद्दिर्भवेत.

त्रिशूल चक्र, गदा पानी पिनाक धृक ! ॐ काल

भैरु, बटुक भैरु, भूत भैरु, महा भैरव महा भय विनाशनम

देवता! सर्व सिद्दिर्भवेत.

ॐ काल भैरव ! त्वं विना गन्धं, विना धूपम,

विना दीपं, सर्व शत्रु विनाशनम सर्व

सिद्दिर्भवेत विभूति भूति नाशाय, दुष्ट क्षय

कारकम, महाभैवे नमः. सर्व दुष्ट विनाशनम सेवकम

सर्व सिद्धि कुरु. ॐ काल भैरु, बटुक भैरु, भूत भैरु,

महा भैरव महा भय विनाशनम देवता! सर्व

सिद्दिर्भवेत.

ॐ काल भैरव ! त्वं महा-ज्ञानी , त्वं महा-

ध्यानी, महा-योगी, महा-बलि, तपेश्वर !

देही में सर्व सिद्धि . त्वं भैरवं भीम नादम च

नादनम. ॐ काल भैरु, बटुक भैरु, भूत भैरु, महा भैरव

महा भय विनाशनम देवता! सर्व सिद्दिर्भवेत.

ॐ आं ह्रीं ह्रीं ह्रीं ! अमुकम मारय मारय,

उच्चचाटय उच्चचाटय, मोहय मोहय, वशं कुरु कुरु.

सर्वार्थ्कस्य सिद्धि रूपम, त्वं महा कालम ! काल

भक्षणं, महा देव स्वरूपं त्वं. सर्व सिद्ध्येत. ॐ काल

भैरु, बटुक भैरु, भूत भैरु, महा भैरव महा भय विनाशनम

देवता! सर्व सिद्दिर्भवेत.

ॐ काल भैरव ! त्वं गोविन्दं गोकुलानंदम !

गोपालं गो वर्धनम धारणं त्वं! वन्दे परमेश्वरम.

नारायणं नमस्कृत्य, त्वं धाम शिव रूपं च. साधकं

सर्व सिद्ध्येत. ॐ काल भैरु, बटुक भैरु, भूत भैरु,

महा भैरव महा भय विनाशनम देवता! सर्व

सिद्दिर्भवेत.

ॐ काल भैरव ! त्वं राम लक्ष्मणं, त्वं श्रीपतिम

सुन्दरम, त्वं गरुड़ वाहनं, त्वं शत्रु हन्ता च, त्वं यमस्य

रूपं, सर्व कार्य सिद्धि कुरु कुरु. ॐ काल भैरु, बटुक

भैरु, भूत भैरु, महा भैरव महा भय विनाशनम देवता!

सर्व सिद्दिर्भवेत.

ॐ काल भैरव ! त्वं ब्रह्म विष्णु महेश्वरम, त्वं जगत

कारणं, सृस्ती स्तिथि संहार कारकम रक्त बीज

महा सेन्यम, महा विद्या, महा भय विनाशनम .

ॐ काल भैरु, बटुक भैरु, भूत भैरु, महा भैरव महा भय

विनाशनम देवता! सर्व सिद्दिर्भवेत.

ॐ काल भैरव ! त्वं आहार मध्य, मांसं च, सर्व दुष्ट

विनाशनम, साधकं सर्व सिद्धि प्रदा.

ॐ आं ह्रीं ह्रीं ह्रीं अघोर अघोर, महा अघोर,

सर्व अघोर, भैरव काल ! ॐ काल भैरु, बटुक भैरु, भूत

भैरु, महा भैरव महा भय विनाशनम देवता! सर्व

सिद्दिर्भवेत.

ॐ आं ह्रीं ह्रीं ह्रीं, ॐ आं क्लीं क्लीं क्लीं, ॐ आं

क्रीं क्रीं क्रीं, ॐ ह्रीं ह्रीं ह्रीं, रूं रूं रूं, क्रूम क्रूम

क्रूम, मोहन ! सर्व सिद्धि कुरु कुरु. ॐ आं

ह्रीं ह्रीं ह्रीं अमुकम उच्चचाटय उच्चचाटय, मारय

मारय, प्रूम् प्रूम्, प्रें प्रें , खं खं, दुष्टें, हन हन अमुकम

फट स्वाहा, ॐ काल भैरु, बटुक भैरु, भूत भैरु,

महा भैरव महा भय विनाशनम देवता! सर्व

सिद्दिर्भवेत.

ॐ बटुक बटुक योगं च बटुक नाथ महेश्वरः. बटुके वट

वृक्षे वटुकअं प्रत्यक्ष सिद्ध्येत. ॐ काल भैरु बटुक भैरु

भूत भैरु ! महा भैरव महा भय विनाशनम देवता सर्व

सिद्दयेत.

ॐ कालभैरव, शमशान भैरव, काल रूप कालभैरव !

मेरो वैरी तेरो आहार रे ! काडी कलेजा चखन

करो कट कट. ॐ काल भैरु बटुक भैरु भूत भैरु ! महा भैरव

महा भय विनाशनम देवता सर्व सिद्दयेत.

ॐ नमो हँकारी वीर ज्वाला मुखी ! तू दुष्टें बंध

करो बिना अपराध जो मोही सतावे, तेकर

करेजा चिधि परे, मुख वाट लोहू आवे. को जाने?

चन्द्र सूर्य जाने की आदि पुरुष जाने. काम रूप

कामाक्षा देवी. त्रिवाचा सत्य फुरे,

ईश्वरो वाचा . ॐ काल भैरु बटुक भैरु भूत भैरु !

महा भैरव महा भय विनाशनम देवता सर्व

सिद्दयेत.

ॐ कालभैरव त्वं डाकिनी शाकिनी भूत

पिसाचा सर्व दुष्ट निवारनम कुरु कुरु साधका-

नाम रक्ष रक्ष. देही में ह्रदये सर्व सिद्धिम. त्वं

भैरव भैरवीभयो, त्वं महा भय विनाशनम कुरु . ॐ

काल भैरु बटुक भैरु भूत भैरु ! महा भैरव महा भय

विनाशनम देवता सर्व सिद्दयेत.

ॐ आं ह्रीं. पश्चिम दिशा में सोने का मठ, सोने

का किवार, सोने का ताला, सोने की कुंजी,

सोने का घंटा, सोने की संकुली.

पहली संकुली अष्ट कुली नाग को बांधो.

दूसरी संकुली अट्ठारह कुली जाती को बांधो.

तीसरी संकुली वैरी दुष्ट्तन को बांधो,

चौथी संकुली शाकिनी डाकिनी को बांधो,

पांचवी संकुली भूत प्रेतों को बांधो,

जरती अग्नि बांधो, जरता मसान बांधो, जल

बांधो थल बांधो, बांधो अम्मरताई,

जहाँ जहाँ जाई,जेहि बाँधी मंगावू,

तेहि का बाँधी लावो. वाचा चुके, उमा सूखे,

श्री बावन वीर ले जाये, सात समुंदर तीर.

त्रिवाचा फुरो मंत्र , ईश्वरी वाचा. ॐ काल भैरु

बटुक भैरु भूत भैरु ! महा भैरव महा भय विनाशनम

देवता सर्व सिद्दयेत.

ॐ आं ह्रीं. उत्तर दिशा में रूपे का मठ, रूपे

का किवार, रूपे का ताला,रूपे की कुंजी, रूपे

का घंटा, रूपे की संकुली. पहली संकुली अष्ट

कुली नाग को बांधो. दूसरी संकुली अट्ठारह

कुली जाती को बांधो.

तीसरी संकुली वैरी दुष्ट्तन को बांधो,

चौथी संकुली शाकिनी डाकिनी को बांधो,

पांचवी संकुली भूत प्रेतों को बांधो,

जरती अग्नि बांधो, जरता मसान बांधो, जल

बांधो थल बांधो, बांधो अम्मरताई,

जहाँ जहाँ जाई,जेहि बाँधी मंगावू,

तेहि का बाँधी लावो. वाचा चुके, उमा सूखे,

श्री बावन वीर ले जाये, सात समुंदर तीर.

त्रिवाचा फुरो मंत्र , ईश्वरी वाचा. ॐ काल भैरु

बटुक भैरु भूत भैरु ! महा भैरव महा भय विनाशनम

देवता सर्व सिद्दयेत.

ॐ आं ह्रीं. पूरब दिशा में तामे का मठ, तामे

का किवार, तामे का ताला,तामे की कुंजी,

तामे का घंटा, तामे की संकुली.

पहली संकुली अष्ट कुली नाग को बांधो.

दूसरी संकुली अट्ठारह कुली जाती को बांधो.

तीसरी संकुली वैरी दुष्ट्तन को बांधो,

चौथी संकुली शाकिनी डाकिनी को बांधो,

पांचवी संकुली भूत प्रेतों को बांधो,

जरती अग्नि बांधो, जरता मसान बांधो, जल

बांधो थल बांधो, बांधो अम्मरताई,

जहाँ जहाँ जाई,जेहि बाँधी मंगावू,

तेहि का बाँधी लावो. वाचा चुके, उमा सूखे,

श्री बावन वीर ले जाये, सात समुंदर तीर.

त्रिवाचा फुरो मंत्र , ईश्वरी वाचा. ॐ काल भैरु

बटुक भैरु भूत भैरु ! महा भैरव महा भय विनाशनम

देवता सर्व सिद्दयेत.

ॐ आं ह्रीं. दक्षिण दिशा में अस्थि का मठ,

तामे का किवार,

अस्थि का ताला,अस्थि की कुंजी,

अस्थि का घंटा, अस्थि की संकुली.

पहली संकुली अष्ट कुली नाग को बांधो.

दूसरी संकुली अट्ठारह कुली जाती को बांधो.

तीसरी संकुली वैरी दुष्ट्तन को बांधो,

चौथी संकुली शाकिनी डाकिनी को बांधो,

पांचवी संकुली भूत प्रेतों को बांधो,

जरती अग्नि बांधो, जरता मसान बांधो, जल

बांधो थल बांधो, बांधो अम्मरताई,

जहाँ जहाँ जाई,जेहि बाँधी मंगावू,

तेहि का बाँधी लावो. वाचा चुके, उमा सूखे,

श्री बावन वीर ले जाये, सात समुंदर तीर.

त्रिवाचा फुरो मंत्र , ईश्वरी वाचा. ॐ काल भैरु

बटुक भैरु भूत भैरु ! महा भैरव महा भय विनाशनम

देवता सर्व सिद्दयेत.

ॐ काल भैरव ! त्वं आकाशं, त्वं पातालं, त्वं

मृत्युलोकं, चतुर भुजम, चतुर मुखं, चतुर बाहुम, शत्रु

हन्ता त्वं भैरव ! भक्ति पूर्ण कलेवरम. ॐ काल भैरु

बटुक भैरु भूत भैरु ! महा भैरव महा भय विनाशनम

देवता सर्व सिद्धिर भवेत् .

ॐ काल भैरव ! तुम जहाँ जहाँ जाहू, जहाँ दुश्मन

बेठो होए, तो बैठे को मारो, चालत होए

तो चलते को मारो, सोवत होए तो सोते

को मरो, पूजा करत होए तो पूजा में मारो,

जहाँ होए तहां मरो वयाग्रह ले भैरव दुष्ट

को भक्शो. सर्प ले भैरव दुष्ट को दसो. खडग ले

भैरव दुष्ट को शिर गिरेवान से मारो. दुष्तन

करेजा फटे. त्रिशूल ले भैरव शत्रु चिधि परे. मुख

वाट लोहू आवे. को जाने? चन्द्र सूरज जाने

की आदि पुरुष जाने. कामरूप कामाक्षा देवी.

त्रिवाचा सत्य फुरे मंत्र ईश्वरी वाचा. ॐ काल

भैरु बटुक भैरु भूत भैरु ! महा भैरव महा भय विनाशनम

देवता सर्व सिद्धिर भवेत् .

ॐ काल भैरव ! त्वं. वाचा चुके उमा सूखे, दुश्मन मरे

अपने घर में. दुहाई भैरव की. जो मूर वचन झूठा होए

तो ब्रह्म का कपाल टूटे, शिवजी के तीनो नेत्र

फूटें. मेरे भक्ति, गुरु की शक्ति फुरे मंत्र

ईश्वरी वाचा. ॐ काल भैरु बटुक भैरु भूत भैरु !

महा भैरव महा भय विनाशनम देवता सर्व

सिद्धिर भवेत् .

ॐ काल भैरव ! त्वं.भूतस्य भूत नाथासचा,भूतात्म

ा भूत भावनः, त्वं भैरव सर्व सिद्धि कुरु कुरु. ॐ

काल भैरु बटुक भैरु भूत भैरु ! महा भैरव महा भय

विनाशनम देवता सर्व सिद्धिर भवेत् .

ॐ काल भैरव ! त्वं ज्ञानी, त्वं ध्यानी, त्वं

योगी, त्वं जंगम स्थावरम त्वं सेवित सर्व काम

सिद्धिर भवेत्. ॐ काल भैरु बटुक भैरु भूत भैरु !

महा भैरव महा भय विनाशनम देवता सर्व

सिद्धिर भवेत् .

ॐ काल भैरव ! त्वं वन्दे परमेश्वरम, ब्रह्म रूपम,

प्रसन्नो भव. गुनी महात्मानं महादेव स्वरूपं सर्व

सिद्दिर भवेत्.


प्रयोग :


१. सायंकाल दक्षिणाभिमुख होकर पीपल


की डाल वाम हस्त में लेकर, नित्य २१ बार पाठ


करने से शत्रु क्षय होता है.


२. रात्रि में पश्चिमाभिमुख होकर उपरोक्त


क्रिया सिर्फ पीपल की डाल दक्षिण हस्त में


लेकर पुष्टि कर्मों की सिद्धि प्राप्त होती है,


२१ बार जपें.


३. ब्रह्म महूर्त में पश्चिमाभिमुख तथा दक्षिण हस्त


में कुश की पवित्री लेकर ७ पाठ करने से समस्त


उपद्रवों की शांति होती है.


=====================
4>तंत्र निवारण प्रयोग

यह प्रयोग बहुत ही तीक्ष्ण और प्रभावसालि है।। इसके करने से दूकान मकान या किसी भी व्यक्ति पे किया अभिचार ख़त्म हो जाता है।।रात शमशान गया तो किसी और काम से मगर इस मंत्र को सिद्ध कर डाला।। एक बुराई करने गया था वहा एक
अच्छा मंत्र मिल गया।।

किसी भी दिन लाल वस्त्र धारण करे उत्तर दिशा में मुँह करके रात्री 10 बजे के बाद ये प्रयोग करे।।रुद्राक्ष की माला और इसमें 108 रक्त गूंजा की जरुरत पड़ती है।।21 माला का प्राबधान है ।।पहले गुरु पूजन करे गणेश पूजन कर 21 माला मंत्र जाप करे।।जब जाप खत्म हो जाए तो अग्नि जलाकर 108 आहुति रक्त गूंजा की आहुति दे।। और अगले सारी सामग्री किसी बहते पानी में या कुए नदी तालाब में बहा दे ।।इस मंत्र को करने में बहुत बेचैनी हो सकती घबराहट हो सकती है लेकिन घबराये ना बस गुरु का नाम लेकर करे सबका कल्याण होगा
मंत्र---

ॐ क्रीं धू फट ।।
ॐ kreeng dhoom fat।।
मात्र यही मंत्र है

इस मन्त्र को शिद्ध करने के बाद प्रयोग किस प्रकार करना हे केवल अपने लिए करना हे या फिर सिद्ध करने के बाद दूसरे दुखी इंसान की भी मदद कर सकते हे ।

और यदि दूसरे के लिए कर सकते हे तो किस प्रकार करना हे कृपया बताए गुरूजी जिज्ञासा ख़त्म करे।
जय महाकाली
===================================
5>तंत्र में बलि की प्रमुख्यता क्यों?

हिंदू धर्म में सिर्फ़ वाम मार्ग ही ऐसा मार्ग है जिसमें त्याग की बात कम कही गई

है और बलि पर अधिक से अधिक ज़ोर दिया गया है। यहाँ मैं बलि और त्याग में

जो एक महीन अन्तर है वह पहले व्यक्त करता हूँ।
त्याग का मतलब है किस को छोड़ देना परन्तु अगर मौका मिले तो फ़िर से त्याग
की गई वस्तु वापस अपनाई जा सकती है। सनातन धर्म के अधिकतर संप्रदाय में त्याग को महत्त्व दिया गया है। परन्तु सिर्फ़ वाम मार्ग में बलि को प्राथमिकता
दी गई है। बलि क्यों?? बलि का मतलब होता है किसी का अंत। इसलिए तंत्र में
बलि की महत्वता है। क्योंकि बलि की गई वस्तु वापस नही आ सकती है। त्याग
की गई वस्तु को वापस अपनाया जा सकता है पर बलि देने के बाद हम उस वस्तु को
पहले के सामान कभी भी अपना नही सकते।
आम साधक बलि का सही भावार्थ नही समझ पाते हैं। बलि को हमेशा किसी प्राणी के अंत से ही देखा जाता है। परन्तु सही रूप में बलि तो हमें अपने अन्दर छिपे
दोष और अवगुणों का देना चाहिए। वाम मार्ग में तथा तंत्र में एक सही साधक हमेशा
अपने अवगुणों की ही बलि देता है। हमेशा भटके हुए साधक, जिन्हे तंत्र का पूरा
ज्ञान नही है वह दुसरे जीवों की बलि दे कर समझते हैं की उन्होंने इश्वर को
प्रसन्न कर दिया। पर माँ काली का कहना है की उन्हे साधक के अवगुणों की बलि
चाहिए ना की मूक जीवों की। त्यागी व्यक्ति को हमेशा यह भय रहता है की कही वह अपनी त्याग की गई वस्तु,
आदत को वापस न अपना लें। इसलिए त्यागी संत या साधक पूरी तरह से निर्भय
नही हो पाते हैं। परन्तु तांत्रिक साधक जब बलि दे देता है तो वह भयहीन हो जाता
है। इसलिए वह बलि देने के बाद माँ के और समीप हो जाते है।
यदि एक उच्च कोटि का साधक बनना है तो बलि देने की आदत जरुरी है। बलि
का मतलब यहाँ हिंसा से कभी भी नही है। एक सफल साधक साधना में लीनं होने के लिए निम्न प्रकार की बलि देता है:
१> निजी मोह की बलि देता है।
२> निजी वासना की बलि देता है।
३> लज्जा की बलि देता है।
४> क्रोध की बलि देता है।
इसलिए त्याग से उत्तम बलि देना होता है। जो मनुष्य गृहस्थ आश्रम में है तथा सामान्य भक्ति करते हैं वह अपने जीवन में अगर कुछ हद तक मोह,वासना,ईष्या, और
क्रोध की बलि दें तो वह इश्वर के समीप जा सकते है और उनका जीवन सफल होता
है।

=================================
6>भूत, प्रेत और मसान बाधा के लिए एक अनुभूत प्रयोग

मित्रो अक्सर बहुत सारे ग्रुप्स में लोगो को भूत प्रेत या मसान बाधा से सम्बंधित प्रश्न पूछते देखता हूँ । आज उसके लिए ही एक ऐसा अनुभूत प्रयोग प्रस्तुत कर रहा हूँ जो यदि अपने ठीक से किया तो कुछ ही दिनों में पीड़ित व्यक्ति इन बाधाओं से मुक्त हो जायेगा नहीं तो जब तक आपको कोई सही व्यक्ति उपचार करने के लिए नहीं मिल जाता यानि कोई असली साधक या तांत्रिक तब तक ये फर्स्ट ऐड का काम अवश्य करेगा इसकी १००% गारंटी है ।

अपने इष्ट कार्य की सिद्धि के लिए मंगल अथवा शनिवार का दिन चुन लें और यदि पीड़ित ज्यादा कष्ट में हो तो किसी भी दिन कर सकते हैं । इसके लिए हनुमानजी का एक चित्र या मूर्ति जप करते समय सामने रख लें। ऊनी अथवा कुशासन बैठने के लिए प्रयोग करें। । घर में यदि यह सुलभ न हो तो कहीं एकान्त स्थान अथवा एकान्त में स्थित हनुमानजी के मन्दिर में प्रयोग करें।

हनुमान जी के अनुष्ठान मे अथवा पूजा आदि में दीपदान का विशेष महत्त्व है। पाँच अनाजों (गेहूँ, चावल, मूँग, उड़द और काले तिल) को अनुष्ठान से पूर्व एक-एक मुट्ठी लेकर गंगाजल में भिगो दें। अनुष्ठान वाले दिन इन अनाजों को पीसकर उनका दीया बनाएँ। बत्ती के लिए अपनी लम्बाई के बराबर कलावा लें अथवा एक कच्चे सूत को लम्बाई के बराबर काटकर लाल रंग में रंग लें। इस धागे को पाँच बार मोड़ लें। इस बत्ती को तिल के तेल थोडा सा चमेली का तेल मिलकर दिए में डालकर प्रयोग करें। समस्त पूजा काल में यह दिया जलता रहना चाहिए। हनुमानजी के लिये गूगुल की धूप भी जलाएं ।

जप के प्रारम्भ में यह संकल्प अवश्य लें कि आपका कार्य जब भी सिद्ध होगा, हनुमानजी के निमित्त नियमित कुछ भी करते रहेंगे या प्रसाद चढ़ाएंगे सुन्दरकाण्ड का पाठ कराएँगे आदि । फिर हनुमान जी की पंचोपचार पूजा करें फिर जो आटे का दिया अपने बनाया था वो जलाएं , गुग्गुल की धूप दें गुलाब के पुष्प हनुमानजी को अर्पित करें । अब अपनी सुरक्षा के लिए एकादश मुख हनुमान कवच का पाठ करें और फिर शुद्ध उच्चारण से यानि जोर जोर से बोलते हुए हनुमान जी की छवि पर ध्यान केन्द्रित करके बजरंग बाण का जाप प्रारम्भ करें। “श्रीराम–” से लेकर “–सिद्ध करैं हनुमान” तक एक बैठक में ही इसकी एक माला जप करनी है अर्थात १०८ जप करने हैं । कुछ भी हो जाये पाठ बीच में छोड़कर उठाना नहीं है साथ में एक लोटे में जल रख लें । जप पूर्ण होने के पश्चात् इस जल के छींटे पीड़ित व्यक्ति पर डालें, उसे पिलायें, पूरे घर में डालें और घर के सब सदस्य इसे पियें इसमें समय अवश्य लगेगा पर इसका असर अतुलनीय है । बजरंगबली की कृपा हुई तो पीड़ित व्यक्ति या आपका घर उस पीड़ा से मुक्त हो जायेगा यदि कहीं कुछ कमी रह गयी हो फिर भी ये इतना असर करेगा की आपकी समस्या में फर्स्ट ऐड का कम करेगा इसके बाद जब तक कोई उचित ज्ञानी व्यक्ति न मिल जाये प्रतिदिन बजरंग बन का तीन बार नियमित पाठ करते रहें ।

गूगुल की सुगन्धि देकर जिस घर में बगरंग बाण का नियमित पाठ होता है, वहाँ दुर्भाग्य, दारिद्रय, भूत-प्रेत का प्रकोप और असाध्य शारीरिक कष्ट आ ही नहीं पाते। समयाभाव में जो व्यक्ति नित्य पाठ करने में असमर्थ हो, उन्हें कम से कम प्रत्येक मंगलवार को यह जप अवश्य करना चाहिए।

यदि किसी असाध्य रोग से ग्रसित हों या कोई भी पीड़ा या कष्ट जिसका समाधान न मिल रहा हो उसके लिए ये प्रयोग अवश्य करें ।

इस प्रयोग से सम्बंधित किसी जानकारी या अन्य किसी भी प्रकार की जानकारी अथवा समस्या निराकरण के लिए
================================
7>काला जादू”

अफ्रीका के जुलू कबीले में शताब्दियों पहले से एनर्जी को अपनी इच्छानुसार चला सकने की कला मौज़ूद रही है। अगर आपका इस कबीले की पुरानी पीढ़ी से कभी संयोगवश मुलाकात हो जाए तो आप उनकी इस अनोखी कला से प्रभावित हुए बगैर नहीं रह सकेंगे। क्या करते हैं इस कबीले के लोग, जिससे उनसे मिलने वाला इंसान अचरज में पड़ जाता है?
“काला जादू” हां सही सुना आपने काला जादू करते हैं यहां के लोग। लेकिन ये काला जादू उनके लिए कोई करिश्मा नहीं केवल मौज़-मज़े की बात है। ये बात दिगर है कि बाहरी दुनिया से यहां आने वाले लोग इसके पूर्ण असर में आकर इसे कला न मान कोई दैवीय शक्ति समझ बैठते हैं।

काले जादू के संदर्भ में हमसे कई लोग पूछते हैं। उनकी जिज्ञासा कई बार बड़ी भोली होती है, जैसे कि क्या ऐसी कोई विधा वाकई मौज़ूद है? क्या काले जादू के इस्तेमाल से किसी की जान ली सकती है या फिर काले जादू से वशीकरण-सम्मोहन किया जा सकता है आदि-आदि.....

ऐसे सभी जिज्ञासुओं को हमारा एक जवाब हमेशा मिलता रहा है कि आप काला जादू को किसी करिश्मे की तरह देखने की बजाय एक बेहतरीन कला की तरह देखो तभी जाकर आप इसके लाभ को समझ सकोगे अन्यथा की स्थिति में आप केवल भ्रमित होकर अपना नुकसान कर बैठोगे।

ऊर्जा चक्रण एक वर्तुल की तरह होता है जिसे आप अपने प्रयासों से गति दे सकते हैं। अपनी इच्छानुसार इस वर्तुल को संचालित करने के लिए कुछ विशिष्ट क्रिया विधियों की अनिवार्यता होती है। एनर्जी के फ्लो को आप अपनी सहूलियत से कैसे प्रवाहित करने में सफल हो सकते है, यही सबसे बड़ी कला है।

एक और महत्वपूर्ण बात इस मुद्दे के बाबत हमें अवश्य जाननी चाहिए। ऊर्जा कभी सकारात्मक या नकारात्मक नहीं होती वरन् इसे संचालित करने की मंशा निगेटिव या पॉजिटिव होती है। जैसे आप विद्युत या अग्नि को कभी निगेटिव या पॉजिटिव नहीं मान सकते ठीक वैसे ही काले जादू को भी आप निगेटिव या पॉजिटिव कैसे मान लेंगे?

यह पूरी तरह इस्तेमाल करने वाले की नीयत पर निर्भर करता है कि वह इन्हें किस प्रकार के उपयोग में लाता है। डाइनामाइट के अन्वेषक एल्फ्रेड नोबल के नाम पर शांति का नोबल प्राइज़ प्रदान किया जाता है। लेकिन उनके इस आविष्कार का व्यापक स्तर पर दुरुपयोग हुआ। हर तरह के विनाश के लिए इस महान खोज का इस्तेमाल हुआ तथा आज भी हो रहा है। किंतु इसका उपयोग कुछ रचनात्मक कार्यों के लिए भी हुआ, और यही उद्देश्य इसके आविष्कारक का भी था।

ठीक इसी भांति काला जादू भी है, जिसका नकारात्मक व सकारात्मक दोनों ही रूपों में प्रयोग हो सकता है। ये पूरी तरह इसके एक्सपर्ट की मंशा पर निर्भर करता है कि वह इससे क्या हासिल करना चाहता है। इसके साथ एक और जरूरी बात ये जुड़ी है कि इनका ज्यादातर अंश मनोवैज्ञानिक प्रयोगों पर आधारित है। यानि यदि आप पूर्ण जागरण अवस्था में हों तो आपको काले जादू का कोई भी चमत्कारिक भाग नहीं दिखेगा। लेकिन आपकी तन्द्रा यानि उनींदी अवस्था इसके चमत्कार से आपको अभीभूत करने में सक्षम है।

इसी सिलसिले में एक बात आपको और मालूम होनी चाहिए कि काले जादू के नाम पर हाथ की सफाई की कला से भी आपको विस्मित किया जा सकता है। बंगाल का काला जादू हाथ की सफाई यानि एक अलग तरह का आर्ट है, जिसका तंत्र-मंत्र-यंत्र आदि से कोई संबंध नहीं होता है। इसके लिए जितने भी उपक्रम आजमाए जाते हैं, वे केवल दर्शकों को बांध कर अपनी कला को सार्थकता तक पहुंचाने के लिए होते हैं।
============================================================
8>Aअघोर पंथ सनातन धर्म का एक संप्रदाय है।

अघोरियों का जीवन जितना कठिन है, उतना ही रहस्यमयी भी। अघोरियों की दुनिया ही नहीं, उनकी हर बात निराली होती है। अघोरियों की रहस्यमयी जिंदगी की कुछ खास बातें:

अघोरी मूलत: तीन तरह की साधनाएं करते हैं। शिव साधना, शव साधना और श्मशान साधना। शिव साधन और शव साधना में प्रसाद के रूप में मांस और मदिरा चढ़ाई जाती है। तीसरी साधना होती है श्मशान साधना, जिसमें आम परिवारजनों को भी शामिल किया जा सकता है। श्मशान में पूजा की जाती है। यहां गंगा जल और प्रसाद के रूप में मांस-मदिरा की जगह दूध से बना मावा चढ़ाया जाता है।

ऐसा कहा जाता है कि अघोरी साधना बल से मुर्दों से भी बात कर सकते हैं। अघोरी गाय का मांस छोड़ कर मानव मल से लेकर मुर्दे का मांस तक खा लेते हैं। अघोरपंथ में श्मशान साधना का विशेष महत्व है। इसलिए वे श्मशान में रहना ही ज्यादा पंसद करते हैं। श्मशान में साधना करना शीघ्र ही फलदायक होता है। श्मशान में साधारण मानव जाता ही नहीं। इसीलिए साधना में विध्न पडऩे का कोई प्रश्न ही नहीं उठता। उनके मन से अच्छे बुरे का भाव निकल जाता है।

कहा जाता है कि आज भी ऐसे अघोरी और तंत्र साधक हैं जो पराशक्तियों को अपने वश में कर सकते हैं। ये साधनाएं श्मशान में होती हैं और दुनिया में सिर्फ चार श्मशान घाट ही ऐसे हैं जहां तंत्र क्रियाओं का परिणाम बहुत जल्दी मिलता है। ये हैं तारापीठ का श्मशान (पश्चिम बंगाल), कामाख्या पीठ (असम) का श्मशान, त्र्र्यम्बकेश्वर (नासिक) और उज्जैन (मध्य प्रदेश) का श्मशान
==================================
9अघोर पंथ हिंदू धर्म का एक संप्रदाय है।

इसका पालन करने वालों को अघोरी कहते हैं। अघोर पंथ की उत्पत्ति के काल के बारे में अभी निश्चित प्रमाण नहीं मिले हैं, परन्तु इन्हें कपालिक संप्रदाय के समकक्ष मानते हैं। ये भारत के प्राचीनतम धर्म "शैव" (शिव साधक) से संबधित हैं। अघोर संप्रदाय के व्यक्ति अपने विचित्र व्यवहार, एकांतप्रियता और रहस्यमय क्रियाओं की वजह से जाने जाते हैं। अघोर संप्रदाय की सामाजिक उदासीनता और निर्लिप्ति के कारण इसे उतना प्रचार नहीं मिला है

अघोर पंथ की उत्पत्ति और इतिहास[संपादित करें]
शैव सम्प्रदाय का विकास तथा अघोर पन्थ

अघोर पंथ के प्रणेता भगवान शिव माने जाते हैं। कहा जाता है कि भगवान शिव ने स्वयं अघोर पंथ को प्रतिपादित किया था। अवधूत भगवान दत्तात्रेय को भी अघोरशास्त्र का गुरू माना जाता है। अवधूत दत्तात्रेय को भगवान शिव का अवतार भी मानते हैं। अघोर संप्रदाय के विश्वासों के अनुसार ब्रह्मा, विष्णु और शिव इन तीनों के अंश और स्थूल रूप में दत्तात्रेय जी ने अवतार लिया। अघोर संप्रदाय के एक संत के रूप में बाबा किनाराम की पूजा होती है। अघोर संप्रदाय के व्यक्ति शिव जी के अनुयायी होते हैं। इनके अनुसार शिव स्वयं में संपूर्ण हैं और जड़, चेतन समस्त रूपों में विद्यमान हैं। इस शरीर और मन को साध कर और जड़-चेतन और सभी स्थितियों का अनुभव कर के और इन्हें जान कर मोक्ष की प्राप्ति की जा सकती है।

अघोर दर्शन और साधना[संपादित करें]

अघोर साधनाएं मुख्यतः श्मशान घाटों और निर्जन स्थानों पर की जाती है। शव साधना एक विशेष क्रिया है जिसके द्वारा स्वयं के अस्तित्व के विभिन्न चरणों की प्रतीकात्मक रूप में अनुभव किया जाता है। अघोर विश्वास के अनुसार अघोर शब्द मूलतः दो शब्दों 'अ' और 'घोर' से मिल कर बना है जिसका अर्थ है जो कि घोर न हो अर्थात सहज और सरल हो। प्रत्येक मानव जन्मजात रूप से अघोर अर्थात सहज होता है। बालक ज्यों ज्यों बड़ा होता है त्यों वह अंतर करना सीख जाता है और बाद में उसके अंदर विभिन्न बुराइयां और असहजताएं घर कर लेती हैं और वह अपने मूल प्रकृति यानी अघोर रूप में नहीं रह जाता। अघोर साधना के द्वारा पुनः अपने सहज और मूल रूप में आ सकते हैं और इस मूल रूप का ज्ञान होने पर ही मोक्ष की प्राप्ति संभव है। अघोर संप्रदाय के साधक समदृष्टि के लिए नर मुंडों की माला पहनते हैं और नर मुंडों को पात्र के तौर पर प्रयोग भी करते हैं। चिता के भस्म का शरीर पर लेपन और चिताग्नि पर भोजन पकाना इत्यादि सामान्य कार्य हैं। अघोर दृष्टि में स्थान भेद भी नहीं होता अर्थात महल या श्मशान घाट एक समान होते हैं।

भारत के कुछ प्रमुख अघोर स्थान[संपादित करें]
भारत मैं सबसे ज्यादा अघोरी असम के कामख्या मंदिर में रहते है हिन्दू धर्म की मान्यता के अनुसार जब माता सती भस्म हुई थी तो उनकी योनि इसी स्थान पर गिरी थी, असम के अलावा ये अघोरी बाबा पश्चिम बंगाल के तारापीठ, नासिक के अर्धज्योतिर्लिंग और उज्जैन के महाकाल के आस पास देखें जाते है ऐसा भी कहा जाता है की इन स्थानो पर सबसे जल्दी सिद्धिया हासिल होती है इनके अलावा वाराणसी या काशी को भारत के सबसे प्रमुख अघोर स्थान के तौर पर मानते हैं। भगवान शिव की स्वयं की नगरी होने के कारण यहां विभिन्न अघोर साधकों ने तपस्या भी की है। यहां बाबा कीनाराम का स्थल एक महत्त्वपूर्ण तीर्थ भी है। काशी के अतिरिक्त गुजरात के जूनागढ़ का गिरनार पर्वत भी एक महत्त्वपूर्ण स्थान है। जूनागढ़ को अवधूत भगवान दत्तात्रेय के तपस्या स्थल के रूप में जानते हैं।
अघोर पंथ, नर भक्षण और भ्रांतियां[संपादित करें]

अघोर संप्रदाय के साधक मृतक के मांस के भक्षण के लिए भी जाने जाते हैं। मृतक का मांस जहां एक ओर सामान्य जनता में अस्पृश्य होता है वहीं इसे अघोर एक प्राकृतिक पदार्थ के रूप में देखते हैं और इसे उदरस्थ कर एक प्राकृतिक चक्र को संतुलित करने का कार्य करते हैं। मृत मांस भक्षण के पीछे उनकी समदर्शी दृष्टि विकसित करने की भावना भी काम करती है। कुछ प्रमाणों के अनुसार अघोर साधक मृत मांस से शुद्ध शाकाहारी मिठाइयां बनाने की क्षमता भी रखते हैं। लोक मानस में अघोर संप्रदाय के बारे में अनेक भ्रांतिया और रहस्य कथाएं भी प्रचलित हैं। अघोर विज्ञान में इन सब भ्रांतियों को खारिज कर के इन क्रियाओं और विश्वासों को विशुद्ध विज्ञान के रूप में तार्किक ढ़ंग से प्रतिष्ठित किया गया है
======================================================
10=अघोरपंथ
अघोरपीठ बाबा कीनाराम स्थल

पुष्प दन्त जी ने ‘शिव महिम्न’ में कहा है- “अधोरान्ना परो मंत्रों नास्ति तत्वं, गुरौः परम।” अघोर कोई तंत्र-मंत्र या तांत्रिक क्रिया नहीं है। यह तो गुरु के माध्यम से आत्मा का परमात्मा से मिलन की साधना है। यह धर्म, सम्प्रदाय, परम्परा या पंथ नहीं है, यह मनुष्य की एक मानसिक स्थिति की अवस्था है जिसे प्राप्त कर मनुष्य मृत्यु लोक के माया के कुचक्र से मुक्त होकर परमात्मा को स्वयं में समाहित कर लेता है। अघोर का अर्थ है अनघोर। अर्थात जो घोर, कठिन, जटिल न होकर सभी के लिए सहज, सरल, मधुर और सुगम हो। अघोरेश्वर बाबा भगवान राम ने कहा है “जो अघ को दूर कर दे वह अघोर है।” अघ का अर्थ है पाप। अतः अघोर व्यक्ति को पाप से मुक्त कर पवित्र बना देता है। मनुष्य के इस अवस्था में पहुंचने पर विभिन्न स्थानों पर भिन्न-भिन्न भाषाओं में अनेक नामों से सुशोभित या सम्बोधित किया जाता है जैसे- औघड़, अवधूत, कापालिक, औलिया, मलंग इत्यादि। अघोर साधना करने और समझने की प्रक्रिया है न कि इसे तर्क से ग्रहण किया जा सकता है। अघोरेश्वर साधक संशय से दूर रहते हैं। वह संसार के सभी प्राणियों से परस्पर स्नेह रखते हैं। इनका एकमात्र लक्ष्य होता है ‘सर्वे भवन्तु सुखिन’ के माध्यम से पराशक्ति परमात्मा से मिलन। इनकी कोई भेषभूषा नहीं होती और न ही कोई जातिधर्म। साधना पथ पर जो भी मिला उसे ग्रहण कर लिया। अघोरी घृणित से घृणित कार्य करने वाले और चरित्र वाले को स्नेहपूर्वक अपने पास घेर कर रखते हैं ताकि वह समाज को इससे बचा सकें। अघोर साधकों के रहन-सहन, खान-पान के प्रति सामान्य मनुष्य के मन की जो सोच है, वह मात्र एक भ्रम है। अघोरी साधक ऐसा इसलिए करते है ताकि वह संसार में ही सांसारिक मोह माया से दूर रहकर अपने लक्ष्य को प्राप्त कर सकें। अघोर साधना के लिए ब्रह्मचर्य एवं वाणी पर नियत्रंण आवश्यक है। भगवान शिव ही अघोर साधना के प्रथम गुरू है। पिड़ितों के पीड़ा पर रूदन करने वाले और अत्याचारियों को अपने रौद्र रूप से रूलाने के कारण ही शिव ‘रूद्र’ कहलाये। यह रूद्र रूप अघोर का है। लिंगपुराण के अनुसार शिव के पांच रूपों में एक अघोर का स्वरूप है। ब्रह्माण्ड को पाप से मुक्त करने के लिए शिव ने यह रूप धारण किया। काशी में अघोर साधना को केन्द्र शिवाला स्थित क्रीं-कुण्ड है। शिवाला अर्थात शिव का आलय। जहां शिव औघड़ दानी के रूप में सदैव विराजमान रहते हैं। प्राचीन समय में यहा ‘हिंग्वाताल’ नाम का एक सरोवर था। बनारस गजेटियर 1883 के बन्दोबस्ती नक्सा में भी भदैनी मुहल्ले में ‘हिंग्वाताल’ को दर्शाया गया है। सरोवर का नाम क्रि-कुण्ड माँ हिंग्लाज के बीज मंत्र क्रीं से अभिमंत्रित होने के कारण पड़ा। ऐसा माना जाता है कि सत्यवादी राजा हरिश्चन्द्र के पुत्र रोहित को इसी सरोवर के तट पर सर्प ने कांटा था। अघोर साधना का यह केन्द्र कीनाराम के कारण प्रसिद्ध हुआ। इस अघोर साधना केन्द्र को कीनाराम-स्थल भी कहते है। सम्वत 1684 में चन्दौली जिले के रामगढ में कीनाराम का जन्म हुआ था, माँ हिंग्लॉज देवी की आज्ञा से काशी के शिवाला क्षेत्र में स्थित क्रीं-कुण्ड को उन्होने अपनी साधना का केन्द्र बनाया। श्री आदिगुरु दत्तात्रेय जी ने ही औघड़ बाबा कालूराम के स्वरूप में कीनाराम को अघोर साधना की दीक्षा प्रदान की थी।

क्रीं-कुण्ड के मुख्य द्वार से प्रतीत होता है कि यह तंत्र साधना का केन्द्र है जबकि ऐसा कुछ भी नहीं है। कीनाराम स्थल के मुख्यद्वार के उपर दो नर-मुण्ड स्थापित किये गये है, ऐसा माना जाता है की जब कीनाराम माँ हिंग्लॉज देवी के आज्ञा से काशी में आये तो हरिश्चन्द्र घाट पर आदिगुरू दत्तात्रेय जी औघड़ कालूराम जी के स्वरूप में पहले से ही विराजमान थे और अपने चारों ओर नरमुण्डों को चना खिला रहे थे, कीनाराम को समझते देर न लगी की यह मेरी परीक्षा है और उन्होंने उन नर मुण्डों को चना खाने से रोक दिया। इन्हीं किंवदंतियों के स्मृति में यह नर मुण्ड स्थापित किये गये हैं, जबकी मुख्य द्वार पर दोनों ओर एक के उपर एक तीन नर मुण्ड का निर्माण हुआ है जो अभेद का प्रतीक है और कार्य के अनुसार तीन स्वरूप में दर्शाये गये हैं। मुख्य द्वार से प्रवेश करने पर सामने लाल पत्थर से निर्मित विशाल मंदिरनुमा समाधि है, जिसमें जाने के लिये गुफानुमा रास्ता है। गुफा के अन्दर मां हिंग्लॉज देवी की यन्त्रवत उपस्थिति है, जिसके बगल में कीनाराम की समाधि स्थित है। यहां तक पहुंचने के सकरे मार्ग के एक तरफ कालूराम जी की समाधि और दूसरी तरफ औघड़ बाबा राजेश्वर राम जी की सफेद प्रतिमा स्थापित है। यह मार्ग वर्ष में दो बार ही खुलता है। पहला लोलार्क षष्ठी को और दूसरी बार अभिषेक और निर्वाण दिवस(दस फरवरी) पर। क्रीं-कुण्ड परिसर में ही दाहिनी तरफ एक प्राचीन कुआं है, जिसके जल को ग्रहण करने से सभी तरह के रोग दूर होते हैं। इस कुंए पर कीनाराम के पदचिह्न स्थापित किये गये हैं। कहा जाता है कि कीनाराम जी इसी कुयें में कुद कर अदृश्य हो गये थे, भक्तों के अनुरोध पर उन्होंने कहां- ‘तुम जाओं मैं आऊगां’। इसी के प्रतीक स्वरूप यह पदचिह्न स्थापित किया गया है। परिसर में एक सफेद आसन स्थित है जिस पर महाराज कीनाराम विशेष अवसरों पर आसन ग्रहण करते थे। कीनाराम के समाधि ग्रहण करने के पश्चात इस आसन को तत्कालीन गुरु ने इसे बारादरी में स्थिर कर दिया। इस आसन से उत्तर दिशा की ओर ही क्रीं-कुण्ड है। रविवार और मंगलवार को मिलाकर कुल पांच दिन कुण्ड में स्नान करने के पश्चात वस्त्रों को त्यागकर वहां स्थित समाधि का तीन बार परिक्रमा करने के बाद विभूति ग्रहण करने से व्यक्ति को विपत्ति, आपदा और भवबाधा से मुक्ति मिलती है। श्माशान घाट से लाई गई लकड़ियों से यहां सदैव घुनि की अखण्ड अलख जलती रहती है। इस धुनि को साक्षात आग्नेय रूद्र का स्वरूप माना जाता है, इस धुनि की राख (विभूति) ही यहां का एकमात्र प्रसाद है। क्रि-कुण्ड परिसर में दक्षिण की ओर विशाल और भव्य समाधि कीनाराम के साथ ही ग्यारह अघोर पीठाधीशों के समाधियो की श्रृंखला है जिसे एकाशद रूद्र का स्वरूप माना जाता है। इन समाधियों के उपरी भाग पर भगलिंगात्मक यंत्र बना हुआ है जिसकी अर्चना करने से सिद्धियां प्राप्त होती है। इस अघोर साधना केन्द्र में मछली, चावल एवं शराब का प्रसाद ही चढाया जाता है तथा प्रत्येक शनिवार को श्रद्धालुओं को प्रसाद स्वरूप इसे वितरीत भी किया जाता है।

सिद्धपीठ औघड़नाथ का तकिया

कबीरचौरा मुहल्ले में स्थित औघड़ नाथ की तकिया प्रसिद्ध अघोर सिद्ध पीठ है। इस पीठ पर गुरु गोरखनाथ के समकालीन अवघूत महाराज ब्रम्हनाथ जी ने सिद्धि प्राप्त कर समाधि ग्रहण की थी। उनके पश्चात उन्ही के परम्परा के तेरह औघड़ संतों ने यहाँ सिद्धि प्राप्त की, इन तेरह औघड़ संतों की भी समाधिया परिसर में स्थापित हैं। यही के एक औघड़ संत मसाननाथ नाम से जाने जाते थे, जिनके समय मे मसान से लकड़ियाँ लाकर यहा पर धुनि जलाई जाती थी। इस सिद्धपीठ परिसर में ही एक अद्भुत कुआँ है, जिसके चारों किनारे के पानी का स्वाद अलग-अलग है तथा इस पानी का सेवन करने से पेट से जुड़ी सभी तरह की बिमारिया दूर हो जाती है। इस सिद्धपीठ में दूर-दूर से श्रद्धालुओं का आवागमन होता रहता है।

सिद्धपीठ सर्वेश्वरी समूह आश्रम

सन 1961 में अघोरेश्वर भगवान राम ने राजघाट पुल के पास, पड़ाव पर सर्वेश्वरी समूह की स्थापना की। बाबा अवधूत भगवान राम ने अघोर परम्परा में एक नया अध्याय आरम्भ किया, यज्ञ- अनुष्ठान, मंत्र-जाप के साथ ही मानव कल्याणार्थ कार्य के स्थान को भी सिद्धपीठ बताया। उनका विचार था कि औघड़ी साधना को समाजोन्मुखी बनाया जाय। लगभग चौदह-पन्द्रह वर्ष की अवस्था में काशी के अघोर साधना के केन्द्र क्रीं-कुण्ड में तत्कालीन पीठाधीश्वर राजेश्वर राम से अघोर दीक्षा ग्रहण करने के पश्चात साधना के लिये अनेक गुफाओं, कन्दराओं, श्मशानों पर भ्रमण किया। इन यात्राओं से उन्हें समझ में आया कि लोग अघोरियों से भय रखते है, अतः अघोर साधना से समाज को बहुत कम लाभ ही मिल पाता है। उन्होंने तत्कालीन सामाजिक स्थितियों के अनुसार तथा अघोर साधकों एवं साधना को समाज के समीप लाने के लिये सर्वेश्वरी समूह की स्थापना कर समाज के सम्मुख एक आदर्श प्रस्तुत किया। उन्होने सर्वेश्वरी समूह के आश्रम में उन सभी क्रिया-कलापों जैसे- शराब,भांग,गाँजा के सेवन व अघोरियों के विकट और उद्दंड स्वभाव प्रदर्शित करने तक को प्रतिबन्धित कर दिया जिससे समाज अघोरियो से भय रखता था, इसके स्थान पर कुष्ठ रोगियों के इलाज के लिये एक चिकित्सालय की स्थापना की, जहाँ देशी उपचारों के आधार पर जड़ी-बुटियों के द्वारा इलाज किया जाता है। इस चिकित्सालय में इतने अधिक कुष्ठ रोगियों का सफल इलाज किया गया है कि इसका नाम गिनिज एवं लिम्का बुक में शामिल हो गया है। इसके साथ ही इस समूह द्वारा समाज में व्याप्त दहेज एवं अन्य विभिन्न आडम्बरों से मुक्ति के लिये सार्थक प्रयास किये जाते हैं। सर्वेश्वरी समूह के देश-विदेश में लगभग 130 शाखाएँ सक्रिय हैं। वर्तमान में इस पीठ के पीठाधीश्वर औघड़ गुरूपद सम्भवराम जी हैं, जो सर्वेश्वरी समूह के अध्यक्ष भी हैं। पड़ाव स्थित सर्वेश्वरी समूह के पास ही अघोरेश्वर भगवान राम की समाधि है, सर्वेश्वरी समूह आश्रम में आने के पश्चात श्रद्धालु समाधि का दर्शन करना नही भूलते हैं।
===============================================
11=अघोरियों की रहस्यमयी दुनिया के बारे में जान उनसे डरने लगेंगे आप!

अघोरी हमेशा ही आम लोगों के लिए एक रहस्यमयी व्यक्तित्व होते है, वैसे तो उनकी उत्पति की कोई व्याख्या हमारे पास नही है, लेकिन भगवन शिव का एक रूप अघोरी भी है तब से उनके अनुयायी इस रूप में उनके स्वरुप में रहते है. उनकी जीवन चर्या और दिनचर्या बेहद ही अजीब और रहस्यमयी होती है, जो की उनके नाम से ही छलकती है.

हालाँकि उन्हें कुम्भ के मेले और आम लोगों में देख कर हमें वो भोले भले लगते है, हालाँकि उनकी वेशभूषा से बच्चे हो या बड़े सब डर जाते है लेकिन वो स्वाभाव से बेहद सरल होते है. वो लोग झुण्ड में रहते है बावजूद इसके उनमे आपस में कभी भी किसी तरह का द्वेष भाव या झगड़ा भारत के इतिहास में देखा और सुना नही गया है.

अब आपको उनके दिनचर्या की वो खास बातें बताते है जो आपको डरा देगी, जिस तरह माँ काली ने गुस्से में अपने पति शिव पर ही पैर रख दिया था और उनका गुस्सा तब शांत हुआ था वैसे ही अघोरी मृत शव पे खड़े होके फिर साधना करते है. मुर्दे को प्रसाद स्वरुप मांसाहार और दारू चढ़ाई जाती है कई मामलो में वो शमशान में पूजा करते है पर वंहा कुछ मीठा चढ़ाया जाता है.

हमारे पहले के लेखों में आप दुनिया के भयंकर रिवाज में आप इसके बारे में पढ़ चुके है की वो शव कंहा से लाते है.
उनकी साधना से वो इतने बलशाली हो जाते है जिसकी हम लोग कल्पना भी नही कर सकते है, लोग तो इतना तक कहते है की वो मुर्दो से भी बातें करने में सक्षम हो जाते है. आप उनकी शक्तियों को भूल के भी आजमाने की कोशिश न करें नही तो आप बड़ी मुसीबत में फंस सकते है.

वो अनजान और वीरान जगहों जैसे की शमशान में ही रहते है, उनके आस पास सिर्फ कुक्कर(कुत्ता) जानवर ही देखा जा सकता है. उनकी ऑंखें लाल ही रहती है जो उन्हें और भी डरावना बनाती है, वो स्वाभाव से जिद्दी होते है और वो अपनी हर बात मनवाने की ताकत भी रखते है.

बीफ पर देश में घमासान है लेकिन जान ले की खुद अघोरी भी गाय का मांस नही खाते है, लेकिन वो इंसानो तक का मांस खा जाते है जिनसे उन्हें काफी बल मिलता है और उनका मौत का भय जाता रहता है. रक्षशो की तरह ही वो लोग दिन में सोते है और रात में अपनी साधना में तल्लीन रहते है.

सबसे ज्यादा ये अघोरी असम के कामख्या मंदिर( जन्हा सती के भस्म होने पर उनकी योनि गिरी थी), पश्चिम बंगाल के तारापीठ, नासिक के अर्धज्योतिर्लिंग और उज्जैन के महाकाल के आस पास ही देखें जाते है. कहा जाता है की इन स्थानो पर सबसे जल्दी सिद्धिया हासिल होती है, हालाँकि हमने थोड़े में ज्यादा बताया है लेकिन उनके रहश्यमयी संसार का ज्ञान खुद उनको ही है किसी भी आम इंसान को नही.

12>अघोर पंथियों के 10 तांत्रिक पीठ

अघोर पंथ को शैव और शाक्त संप्रदाय की एक तांत्रिक शाखा माना गया है। अघोर पंथ की उत्पत्ति काल के बारे में कोई निश्चित प्रमाण नहीं है, लेकिन इन्हें कपालिक संप्रदाय के समकक्ष मानते हैं। वाराणसी या काशी को भारत के सबसे प्रमुख अघोर स्थान के तौर पर मानते हैं।

मान्यता है कि भगवान शिव ने स्वयं की इस पंथ की स्थापना की थी। अघोर पंथ का प्रारंभिक गढ़ शिव की नगरी काशी को माना गया है, लेकिन आगे चलकर यह शक्तिपीठों में साधना करने लगे। आओ जानते हैं कुछ प्रमुख अघोर तीर्थ के बारे में...

सबसे कठिन साधना का स्थल, अगले पन्ने पर...

तारापीठ :

तारापीठ को तांत्रिकों, मांत्रिकों, शाक्तों, शैवों, कापालिकों, औघड़ों आदि सबमें समान रूप से प्रमुख और पूजनीय माना गया है। इस स्थान पर सती पार्वती की आंखें भगवान विष्णु के सुदर्शन चक्र से कटकर गिरी थीं इसलिए यह शक्तिपीठ बन गया।

यह स्थल तारा साधन के लिए जगत प्रसिद्ध रहा है। यहां सती के रूप में तारा मां का मंदिर है और पार्श्व में महाश्मशान। सबसे पहले इस मंदिर की स्थापना महर्षि वशिष्ठ ने की थी। पुरातन काल में उन्होंने यहां कठोर साधना की थी।

मान्यता है कि वशिष्ठजी मां तारा को प्रसन्न नहीं कर पाए थे। कारण कि चीनाचार को छोड़कर अन्य किसी साधना विधि से भगवती तारा प्रसन्न नहीं होतीं। माना जाता है कि यह साधना भगवान बुद्ध जानते थे। बौधों में वज्रयानी साधक इस विद्या के जानकार बतलाए जाते हैं। अघोर साधुओं को भी इस विद्या की सटीक जानकारी है।

प्रमुख अघोराचार्य में बामा चट्टोपाध्याय का नाम प्रमुखता से लिया जाता है। इन्हें बामाखेपा कहा जाता था।

शताब्दियों से साधकों, सिद्धों में प्रसिद्ध यह स्थल पश्चिम बंगाल के बीरभूम अंचल में रामपुर हाट रेलवे स्टेशन के पास द्वारका नदी के किनारे स्थित है। कोलकाता से तारापीठ की दूरी लगभग 265 किलोमीटर है। यह स्थल रेल एवं सड़क मार्ग दोनों से जुड़ा है।

दूसरा प्रमुख तीर्थ 'नानी का हज',

हिंगलाज धाम :

हिंगलाज धाम अघोर पंथ के प्रमुख स्थलों में शामिल है। हिंगलाज धाम वर्तमान में विभाजित भारत के हिस्से पाकिस्तान के बलूचिस्तान राज्य में स्थित है। यह स्थान सिंधु नदी के मुहाने से 120 किलोमीटर और समुद्र से 20 किलोमीटर तथा कराची नगर के उत्तर-पश्चिम में 125 किलोमीटर की दूरी पर हिंगोल नदी के किनारे स्थित है।

माता के 52 शक्तिपीठों में इस पीठ को भी गिना जाता है। यहां हिंगलाज स्थल पर सती का सिरोभाग कट कर गिरा था। यह अचल मरुस्थल होने के कारण इस स्थल को मरुतीर्थ भी कहा जाता है। इसे भावसार क्षत्रियों की कुलदेवी माना जाता है।
अब यह क्षेत्र मुसलमानों के अधिकार में चला गया है। यहां के स्थानीय मुसलमान हिंगलाज पीठ को 'बीबी नानी का मंदर' कहते हैं। अप्रैल के महीने में स्थानीय मुसलमान समूह बनाकर हिंगलाज की यात्रा करते हैं और इस स्थान पर आकर लाल कपड़ा चढ़ाते हैं, अगरबत्ती जलाते है और शिरीनी का भोग लगाते हैं। वे इस यात्रा को 'नानी का हज' कहते हैं।

हिंगलाज देवी की गुफा रंगीन पत्थरों से निर्मित है। माना जाता है कि इस गुफा का निर्माण यक्षों द्वारा किया गया था, इसीलिए रंगों का संयोजन इतना भव्य बन पड़ा है। पास ही एक भैरवजी का भी स्थान है। भैरवजी को यहां पर 'भीमालोचन' कहा जाता है।

* यह हिस्सा पाकिस्तान के हिस्से में चले जाने के बाद वाराणसी की एक गुफा क्रीं कुण्ड में बाबा कीनाराम हिंगलाज माता की प्रतिमूर्ति स्थापित की गई है।

* इन दो स्थलों के अलावा हिंगलाज देवी एक और स्थान पर विराजती हैं, वह स्थान उड़ीसा प्रदेश के तालचेर नामक नगर से 14 किलोमीटर की दूरी पर स्थित है।

जनश्रुति की मानें तो विदर्भ क्षेत्र के राजा नल माता हिंगलाज के परम भक्त थे। अतः माता हिंगलाज अग्नि रूप में जगन्नाथ मंदिर के रंधनशाला में भी विराजमान हैं। उन्हीं अग्निरूपा माता हिंगलाज का मंदिर तालचेर के पास स्थापित है।

 महिषासुर के वध के बाद जहां ठहरी थी माता...
विंध्याचल : 

विंध्याचल की पर्वत श्रृंखला जगप्रसिद्ध है। यहां पर विंध्यवासिनी माता का एक प्रसिद्ध मंदिर है। इस स्थल में तीन मुख्य मंदिर हैं- विंध्यवासिनी, कालीखोह और अष्टभुजा। इन मंदिरों की स्थिति त्रिकोण यंत्रवत है। इनकी त्रिकोण परिक्रमा भी की जाती है।

यहां छोटे-बड़े सैकड़ों मंदिर हैं और तीन प्रमुख कुंड हैं। प्रथम है सीताकुंड जहां से ऊपर सीढ़ियों से यात्रा शुरू होती है। यात्रा में पहले अष्टभुजा मंदिर है, जहां माता सरस्वती की मूर्ति विराजमान है। उससे ऊपर कालीखोह है, जहां माता काली विराजमान हैं। फिर आता है और ऊपर विंध्याचल का मुख्य मंदिर माता विंध्यवासिनी मंदिर।

स्थान का महत्व : 

कहा जाता है कि महिषासुर वध के पश्चात माता दुर्गा इसी स्थान पर निवास हेतु ठहर गई थीं। भगवान राम ने यहां तप किया था और वे अपनी पत्नी सीता के साथ यहां आए थे। इस पर्वत में अनेक गुफाएं हैं जिनमें रहकर साधक साधना करते हैं। आज भी अनेक साधक, सिद्ध, महात्मा, अवधूत, कापालिक आदि से यहां भेंट हो सकती है।

भैरवकुंड के पास यहां की एक गुफा में अघोरेश्वर रहते थे। गुफा के भीतर भक्तों, श्रद्धालुओं के दर्शनार्थ अघोरेश्वर की चरण पादुका एक चट्टान में जड़ दी गई है। यहां कई साधक आकर नाना प्रकार की साधनाएं करते और अघोरेश्वर की कृपा से सिद्धि पाकर कृतकृत्य होते हैं।

विंध्याचल पर्वत से किलोमीटर की दूरी पर मिरजापुर में रेलवे स्टेशन है। सड़क मार्ग से यह स्थान बनारस, इलाहाबाद, मऊनाथभंजन, रीवा और औरंगाबाद से जुड़ा हुआ है। बनारस से 70 किलोमीटर तथा इलाहाबाद से 83 किलोमीटर की दूरी पर विंध्याचल धाम स्थित है।

 भगवान दत्तात्रेय की जन्म स्थली...
चित्रकूट :

अघोर पथ के अन्यतम आचार्य दत्तात्रेय की जन्मस्थली चित्रकूट सभी के लिए तीर्थस्थल है। औघड़ों की कीनारामी परंपरा की उ‍त्पत्ति यहीं से मानी गई है। यहीं पर मां अनुसूया का आश्रम और सिद्ध अघोराचार्य शरभंग का आश्रम भी है।
यहां का स्फटिक शिला नामक महाश्मशान अघोरपंथियों का प्रमुख स्थल है। इसके पार्श्व में स्थित घोरा देवी का मंदिर अघोर पंथियों का साधना स्थल है। यहां एक अघोरी किला भी है, जो अब खंडहर बन चुका है।

 प्रसिद्ध अघोर तीर्थ...

कालीमठ: 
हिमालय की तराइयों में नैनीताल से आगे गुप्तकाशी से भी ऊपर कालीमठ नामक एक अघोर स्थल है। यहां अनेक साधक रहते हैं। यहां से 5,000 हजार फीट ऊपर एक पहाड़ी पर काल शिला नामक स्थल है, जहां पहुंचना बहुत ही मुश्किल है। कालशिला में भी अघोरियों का वास है।
माना जाता है कि कालीमठ में भगवान राम ने एक बहुत बड़ा खड्ग स्थापित किया है।
.
जगन्नाथ पुरी:

जगतप्रसिद्ध जगन्नाथ मंदिर और विमला देवी मंदिर, जहां सती का पाद खंड गिरा था, के बीच में एक चक्र साधना वेदी स्थित है जिसे वशिष्ठ कहते हैं।

इसके अलावा पुरी का स्वर्गद्वार श्मशान एक पावन अघोर स्थल है। इस श्मशान के पार्श्व में मां तारा मंदिर के खंडहर में ऋषि वशिष्ठ के साथ अनेक साधकों की चक्रार्चन करती हुई प्रतिमाएं स्थापित हैं।
जगन्नाथ मंदिर में भी श्रीकृष्णजी को शुभ भैरवी चक्र में साधना करते दिखलाया गया है।

मदुरई का कपालेश्वर मंदिर...

मदुरई :दक्षिण भारत में औघड़ों का कपालेश्वर का मंदिर है। आश्रम के प्रांगण में एक अघोराचार्य की मुख्य समाधि है और भी समाधियां हैं। मंदिर में कपालेश्वर की पूजा औघड़ विधि-विधान से की जाती है।

सबसे प्रसिद्ध कोलकाता का काली मठ...

कोलकाता का काली मंदिर : रामकृष्ण परमहंस की आराध्या देवी मां कालिका का कोलकाता में विश्वप्रसिद्ध मंदिर है। कोलकाता के उत्तर में विवेकानंद पुल के पास स्थित इस मंदिर को दक्षिणेश्वर काली मंदिर कहते हैं। इस पूरे क्षेत्र को कालीघाट कहते हैं। इस स्थान पर सती देह की दाहिने पैर की 4 अंगुलियां गिरी थीं इसलिए यह सती के 52 शक्तिपीठों में शामिल है।
यह स्थान प्राचीन समय से ही शक्तिपीठ माना जाता था, लेकिन इस स्थान पर 1847 में जान बाजार की महारानी रासमणि ने मंदिर का निर्माण करवाया था। 25 एकड़ क्षेत्र में फैले इस मंदिर का निर्माण कार्य सन् 1855 पूरा हुआ।

नेपाल में अघोर कुटी...
नेपाल : नेपाल में तराई के इलाके में कई गुप्त औघड़ स्थान पुराने काल से ही स्थित हैं। अघोरेश्वर भगवान राम के शिष्य बाबा सिंह शावक रामजी ने काठमांडू में अघोर कुटी स्थापित की है।
उन्होंने तथा उनके बाद बाबा मंगलधन रामजी ने समाजसेवा को नया आयाम दिया है। कीनारामी परंपरा के इस आश्रम को नेपाल में बड़ी ही श्रद्धा से देखा जाता है।

अफगानिस्तान में लालजी पीर...

अफगानिस्तान : अफगानिस्तान के पूर्व शासक शाह जहीर शाह के पूर्वजों ने काबुल शहर के मध्य भाग में कई एकड़ में फैला जमीन का एक टुकड़ा कीनारामी परंपरा के संतों को दान में दिया था। इसी जमीन पर आश्रम, बाग आदि निर्मित हैं। औघड़ रतनलालजी यहां पीर के रूप में आदर पाते हैं। उनकी समाधि तथा अन्य अनेक औघड़ों की समाधियां इस स्थल पर आज भी श्रद्धा-नमन के लिए स्थित हैं।

उपरोक्त स्थलों के अलावा अन्य जगहों पर भी जैसे रामेश्वरम, कन्याकुमारी, मैसूर, हैदराबाद, बड़ौदा, बोधगया आदि अनेक औघड़, अघोरेश्वर लोगों की साधना स्थली, आश्रम, कुटिया पाई जाती हैं।
जानिए अघोरियों की रहस्यमयी दुनिया की कुछ अनजानी और रोचक बातें-

अघोर पंथ हिंदू धर्म का एक संप्रदाय है। इसका पालन करने वालों को अघोरी कहते हैं। अघोर पंथ की उत्पत्ति के काल के बारे में अभी निश्चित प्रमाण नहीं मिले हैं, परन्तु इन्हें कपालिक संप्रदाय के समकक्ष मानते हैं। ये भारत के प्राचीनतम धर्म “शैव” (शिव साधक) से संबधित हैं। अघोरियों को इस पृथ्वी पर भगवान शिव का जीवित रूप भी माना जाता है। शिवजी के पांच रूपों में से एक रूप अघोर रूप है। अघोरी हमेशा से लोगों की जिज्ञासा का विषय रहे हैं। अघोरियों का जीवन जितना कठिन है, उतना ही रहस्यमयी भी। अघोरियों की साधना विधि सबसे ज्यादा रहस्यमयी है। उनकी अपनी शैली, अपना विधान है, अपनी अलग विधियां हैं। अघोरी उसे कहते हैं जो घोर नहीं हो। यानी बहुत सरल और सहज हो। जिसके मन में कोई भेदभाव नहीं हो। अघोरी हर चीज में समान भाव रखते हैं। वे सड़ते जीव के मांस को भी उतना ही स्वाद लेकर खाते हैं, जितना स्वादिष्ट पकवानों को स्वाद लेकर खाया जाता है।

अघोरियों की दुनिया ही नहीं, उनकी हर बात निराली है। वे जिस पर प्रसन्न हो जाएं उसे सब कुछ दे देते हैं। अघोरियों की कई बातें ऐसी हैं जो सुनकर आप दांतों तले अंगुली दबा लेंगे। हम आपको अघोरियों की दुनिया की कुछ ऐसी ही बातें बता रहे हैं, जिनको पढ़कर आपको एहसास होगा कि वे कितनी कठिन साधना करते हैं। साथ ही उन श्मशानों के बारे में भी आज आप जानेंगे, जहां अघोरी मुख्य रूप से अपनी साधना करते हैं। जानिए अघोरियों के बारे में रोचक बातें-

1. अघोरी मूलत: तीन तरह की साधनाएं करते हैं। शिव साधना, शव साधना और श्मशान साधना। शिव साधना में शव के ऊपर पैर रखकर खड़े रहकर साधना की जाती है। बाकी तरीके शव साधना की ही तरह होते हैं। इस साधना का मूल शिव की छाती पर पार्वती द्वारा रखा हुआ पैर है। ऐसी साधनाओं में मुर्दे को प्रसाद के रूप में मांस और मदिरा चढ़ाई जाती है।
शव और शिव साधना के अतिरिक्त तीसरी साधना होती है श्मशान साधना, जिसमें आम परिवारजनों को भी शामिल किया जा सकता है। इस साधना में मुर्दे की जगह शवपीठ (जिस स्थान पर शवों का दाह संस्कार किया जाता है) की पूजा की जाती है। उस पर गंगा जल चढ़ाया जाता है। यहां प्रसाद के रूप में भी मांस-मदिरा की जगह मावा चढ़ाया जाता है।

अघोरी शव साधना के लिए शव कहाँ से लाते है?

हिन्दू धर्म में आज भी किसी 5 साल से कम उम्र के बच्चे, सांप काटने से मरे हुए लोगों, आत्महत्या किए लोगों का शव जलाया नहीं जाता बल्कि दफनाया या गंगा में प्रवाहित कर कर दिया जाता है। पानी में प्रवाहित ये शव डूबने के बाद हल्के होकर पानी में तैरने लगते हैं। अक्सर अघोरी तांत्रिक इन्हीं शवों को पानी से ढूंढ़कर निकालते और अपनी तंत्र सिद्धि के लिए प्रयोग करते हैं।

2. बहुत कम लोग जानते हैं कि अघोरियों की साधना में इतना बल होता है कि वो मुर्दे से भी बात कर सकते हैं। ये बातें पढऩे-सुनने में भले ही अजीब लगे, लेकिन इन्हें पूरी तरह नकारा भी नहीं जा सकता। उनकी साधना को कोई चुनौती नहीं दी जा सकती।
अघोरियों के बारे में कई बातें प्रसिद्ध हैं जैसे कि वे बहुत ही हठी होते हैं, अगर किसी बात पर अड़ जाएं तो उसे पूरा किए बगैर नहीं छोड़ते। गुस्सा हो जाएं तो किसी भी हद तक जा सकते हैं। अधिकतर अघोरियों की आंखें लाल होती हैं, जैसे वो बहुत गुस्सा हो, लेकिन उनका मन उतना ही शांत भी होता है। काले वस्त्रों में लिपटे अघोरी गले में धातु की बनी नरमुंड की माला पहनते हैं।
3. अघोरी अक्सर श्मशानों में ही अपनी कुटिया बनाते हैं। जहां एक छोटी सी धूनी जलती रहती है। जानवरों में वो सिर्फ कुत्ते पालना पसंद करते हैं। उनके साथ उनके शिष्य रहते हैं, जो उनकी सेवा करते हैं। अघोरी अपनी बात के बहुत पक्के होते हैं, वे अगर किसी से कोई बात कह दें तो उसे पूरा करते हैं।

4. अघोरी गाय का मांस छोड़ कर बाकी सभी चीजों को खाते हैं। मानव मल से लेकर मुर्दे का मांस तक। अघोरपंथ में श्मशान साधना का विशेष महत्व है। इसलिए वे श्मशान में रहना ही ज्यादा पंसद करते हैं। श्मशान में साधना करना शीघ्र ही फलदायक होता है।
श्मशान में साधारण मानव जाता ही नहीं। इसीलिए साधना में विध्न पडऩे का कोई प्रश्न ही नहीं उठता। उनके मन से अच्छे बुरे का भाव निकल जाता है, इसलिए वे प्यास लगने पर खुद का मूत्र भी पी लेते हैं।

5. अघोरी अमूमन आम दुनिया से कटे हुए होते हैं। वे अपने आप में मस्त रहने वाले, अधिकांश समय दिन में सोने और रात को श्मशान में साधना करने वाले होते हैं। वे आम लोगों से कोई संपर्क नहीं रखते। ना ही ज्यादा बातें करते हैं। वे अधिकांश समय अपना सिद्ध मंत्र ही जाप करते रहते हैं।

6. आज भी ऐसे अघोरी और तंत्र साधक हैं जो पराशक्तियों को अपने वश में कर सकते हैं। ये साधनाएं श्मशान में होती हैं और दुनिया में सिर्फ चार श्मशान घाट ही ऐसे हैं जहां तंत्र क्रियाओं का परिणाम बहुत जल्दी मिलता है। ये हैं तारापीठ का श्मशान (पश्चिम बंगाल), कामाख्या पीठ (असम) काश्मशान, त्र्र्यम्बकेश्वर (नासिक) और उज्जैन (मध्य प्रदेश) का श्मशान।

तारापीठ

यह मंदिर पश्चिम बंगाल के वीरभूमि जिले में एक छोटा शहर है। यहां तारा देवी का मंदिर है। इस मंदिर में मां काली का एक रूप तारा मां की प्रतिमा स्थापित है। रामपुर हाट से तारापीठ की दूरी लगभग 6 किलोमीटर है। पौराणिक मान्यताओं के अनुसार यहां पर देवी सती के नेत्र गिरे थे। इसलिए इस स्थान को नयन तारा भी कहा जाता है।
तारापीठ मंदिर का प्रांगण श्मशान घाट के निकट स्थित है, इसे महाश्मशान घाट के नाम से जाना जाता है। इस महाश्मशान घाट में जलने वाली चिता की अग्नि कभी बुझती नहीं है। यहां आने पर लोगों को किसी प्रकार का भय नहीं लगता है। मंदिर के चारों ओर द्वारका नदी बहती है। इस श्मशान में दूर-दूर से साधक साधनाएं करने आते हैं।
कामाख्या पीठ
असम की राजधानी दिसपुर के पास गुवाहाटी से 8 किलोमीटर दूर कामाख्या मंदिर है। यह मंदिर एक पहाड़ी पर बना है व इसका तांत्रिक महत्व है। प्राचीन काल से सतयुगीन तीर्थ कामाख्या वर्तमान में तंत्र सिद्धि का सर्वोच्च स्थल है।
पूर्वोत्तर के मुख्य द्वार कहे जाने वाले असम राज्य की राजधानी दिसपुर से 6 किलोमीटर की दूरी पर स्थित नीलांचल अथवा नीलशैल पर्वतमालाओं पर स्थित मां भगवती कामाख्या का सिद्ध शक्तिपीठ सती के इक्यावन शक्तिपीठों में सर्वोच्च स्थान रखता है। यहीं भगवती की महामुद्रा (योनि-कुण्ड) स्थित है। यह स्थान तांत्रिकों के लिए स्वर्ग के समान है। यहां स्थित श्मशान में भारत के विभिन्न स्थानों से तांत्रिक तंत्र सिद्धि प्राप्त करने आते हैं।

नासिक

त्र्र्यम्बकेश्वर ज्योतिर्लिंग मन्दिर महाराष्ट्र के नासिक जिले में है। यहां के ब्रह्म गिरि पर्वत से गोदावरी नदी का उद्गम है। मंदिर के अंदर एक छोटे से गड्ढे में तीन छोटे-छोटे लिंग है, ब्रह्मा, विष्णु और शिव- इन तीनों देवों के प्रतीक माने जाते हैं। ब्रह्मगिरि पर्वत के ऊपर जाने के लिये सात सौ सीढिय़ां बनी हुई हैं।

इन सीढिय़ों पर चढऩे के बाद रामकुण्ड और लक्ष्मण कुण्ड मिलते हैं और शिखर के ऊपर पहुँचने पर गोमुख से निकलती हुई भगवती गोदावरी के दर्शन होते हैं। भगवान शिव को तंत्र शास्त्र का देवता माना जाता है। तंत्र और अघोरवाद के जन्मदाता भगवान शिव ही हैं। यहां स्थित श्मशान भी तंत्र क्रिया के लिए प्रसिद्ध है।

उज्जैन
महाकालेश्वर मंदिर 12 ज्योतिर्लिंगों में से एक है। यह मध्य प्रदेश के उज्जैन जिले में है। स्वयंभू, भव्य और दक्षिणमुखी होने के कारण महाकालेश्वर महादेव की अत्यन्त पुण्यदायी माना जाता है। इस कारण तंत्र शास्त्र में भी शिव के इस शहर को बहुत जल्दी फल देने वाला माना गया है। यहां के श्मशान में दूर-दूर से साधक तंत्र क्रिया करने आते हैं।
                                   *********8
वाराणसी या काशी को भारत के सबसे प्रमुख अघोर स्थान के तौर पर मानते हैं।

भगवान शिव की स्वयं की नगरी होने के कारण यहां विभिन्न अघोर साधकों ने तपस्या भी की है। यहां बाबा कीनाराम का स्थल एक महत्वपूर्ण तीर्थ भी है। काशी के अतिरिक्त गुजरात के जूनागढ़ का गिरनार पर्वत भी एक महत्वपूर्ण स्थान है। जूनागढ़ को अवधूत भगवान दत्तात्रेय के तपस्या स्थल के रूप में जानते हैं।

अघोरी श्‍मशान घाट में तीन तरह से साधना करते हैं -
श्‍मशान साधना, शिव साधना, शव साधना। ऐसी साधनाएँ अक्सर तारापीठ के श्‍मशान, कामाख्या पीठ के श्‍मशान, त्र्यम्‍बकेश्वर और उज्जैन के चक्रतीर्थ के श्‍मशान में होती है।

अघोरपन्थ की तीन शाखाएँ प्रसिद्ध हैं -
औघड़, सरभंगी, घुरे। इनमें से पहली शाखा में कल्लूसिंह व कालूराम हुए, जो किनाराम बाबा के गुरु थे। कुछ लोग इस पन्थ को गुरु गोरखनाथ के भी पहले से प्रचलित बतलाते हैं और इसका सम्बन्ध शैव मत के पाशुपत अथवा कालामुख सम्प्रदाय के साथ जोड़ते हैं।

बाबा किनाराम अघोरी वर्तमान बनारस ज़िले के समगढ़ गाँव में उत्पन्न हुए थे

और बाल्यकाल से ही विरक्त भाव में रहते थे। बाबा किनाराम ने 'विवेकसार' , 'गीतावली', 'रामगीता' आदि की रचना की। इनमें से प्रथम को इन्होंने उज्जैन में शिप्रा नदी के किनारे बैठकर लिखा था। इनका देहान्त संवत 1826 में हुआ।
'विवेकसार' इस पन्थ का एक प्रमुख ग्रन्थ है,

जिसमें बाबा किनाराम ने 'आत्माराम' की वन्दना और अपने आत्मानुभव की चर्चा की है। उसके अनुसार सत्य पुरुष व निरंजन है, जो सर्वत्र व्यापक और व्याप्त रूपों में वर्तमान है और जिसका अस्तित्व सहज रूप है। ग्रन्थ में उन अंगों का भी वर्णन है, जिनमें से प्रथम तीन में सृष्टि रहस्य, काया परिचयय, पिंड ब्रह्मांड, अनाहतनाद एवं निरंजन का विवरण है।

अगले तीन में योगसाधना,

निरालंब की स्थिति, आत्मविचार, सहज समाधि आदि की चर्चा की गई है तथा शेष दो में सम्पूर्ण विश्व के ही आत्मस्वरूप होने और आत्मस्थिति के लिए दया, विवेक आदि के अनुसार चलने के विषय में कहा गया है। बाबा किनाराम ने इस पन्थ के प्रचारार्थ रामगढ़, देवल, हरिहरपुर तथा कृमिकुंड पर क्रमश: चार मठों की स्थापना की। जिनमें से चौथा प्रधान केनद्र है।

असम, जिसे कभी कामरूप प्रदेश के नाम से भी जाना जाता था,

ऐसा ही एक स्थान है जहां रात के अंधेरे में शमशाम भूमि पर तंत्र साधना कर पारलौकिक शक्तियों का आह्वान किया जाता है। यहां होने वाली तंत्र साधनाएं पूरे भारत में प्रचलित हैं। यूं तो अभी भी कुछ समुदायों में मातृ सत्तात्मक व्यवस्था चलती है लेकिन कामरूप में इस व्यवस्था की महिलाएं तंत्र विद्या में बेहद निपुण हुआ करती थीं।

तारापीठ :

तारापीठ को तांत्रिकों, मांत्रिकों, शाक्तों, शैवों, कापालिकों, औघड़ों आदि सबमें समान रूप से प्रमुख और पूजनीय माना गया है। इस स्थान पर सती पार्वती की आंखें भगवान विष्णु के सुदर्शन चक्र से कटकर गिरी थीं इसलिए यह शक्तिपीठ बन गया।

हिंगलाज धाम :
हिंगलाज धाम अघोर पंथ के प्रमुख स्थलों में शामिल है। हिंगलाज धाम वर्तमान में विभाजित भारत के हिस्से पाकिस्तान के बलूचिस्तान राज्य में स्थित है। यह स्थान सिंधु नदी के मुहाने से 120 किलोमीटर और समुद्र से 20 किलोमीटर तथा कराची नगर के उत्तर-पश्चिम में 125 किलोमीटर की दूरी पर हिंगोल नदी के किनारे स्थित है। माता के 52 शक्तिपीठों में इस पीठ को भी गिना जाता है। यहां हिंगलाज स्थल पर सती का सिरोभाग कट कर गिरा था। यह अचल मरुस्थल होने के कारण इस स्थल को मरुतीर्थ भी कहा जाता है। इसे भावसार क्षत्रियों की कुलदेवी माना जाता है।

विंध्याचल :

विंध्याचल की पर्वत श्रृंखला जगप्रसिद्ध है। यहां पर विंध्यवासिनी माता का एक प्रसिद्ध मंदिर है। इस स्थल में तीन मुख्य मंदिर हैं- विंध्यवासिनी, कालीखोह और अष्टभुजा। इन मंदिरों की स्थिति त्रिकोण यंत्रवत है। इनकी त्रिकोण परिक्रमा भी की जाती है। कहा जाता है कि महिषासुर वध के पश्चात माता दुर्गा इसी स्थान पर निवास हेतु ठहर गई थीं। भगवान राम ने यहां तप किया था और वे अपनी पत्नी सीता के साथ यहां आए थे। इस पर्वत में अनेक गुफाएं हैं जिनमें रहकर साधक साधना करते हैं। आज भी अनेक साधक, सिद्ध, महात्मा, अवधूत, कापालिक आदि से यहां भेंट हो सकती है।

चित्रकूट :

अघोर पथ के अन्यतम आचार्य दत्तात्रेय की जन्मस्थली चित्रकूट सभी के लिए तीर्थस्थल है। औघड़ों की कीनारामी परंपरा की उ‍त्पत्ति यहीं से मानी गई है। यहीं पर मां अनुसूया का आश्रम और सिद्ध अघोराचार्य शरभंग का आश्रम भी है। यहां का स्फटिक शिला नामक महाश्मशान अघोरपंथियों का प्रमुख स्थल है।

कालीमठ :

हिमालय की तराइयों में नैनीताल से आगे गुप्तकाशी से भी ऊपर कालीमठ नामक एक अघोर स्थल है। यहां अनेक साधक रहते हैं। यहां से 5,000 हजार फीट ऊपर एक पहाड़ी पर काल शिला नामक स्थल है, जहां पहुंचना बहुत ही मुश्किल है। कालशिला में भी अघोरियों का वास है। माना जाता है कि कालीमठ में भगवान राम ने एक बहुत बड़ा खड्ग स्थापित किया है।

कोलकाता का काली मंदिर : रामकृष्ण परमहंस की आराध्या देवी मां कालिका का कोलकाता में विश्वप्रसिद्ध मंदिर है। कोलकाता के उत्तर में विवेकानंद पुल के पास स्थित इस मंदिर को दक्षिणेश्वर काली मंदिर कहते हैं। इस पूरे क्षेत्र को कालीघाट कहते हैं। इस स्थान पर सती देह की दाहिने पैर की 4 अंगुलियां गिरी थीं इसलिए यह सती के 52 शक्तिपीठों में शामिल है।
========================================================
13=कैसे आती है अघोरियों में इतनी शक्ति, मुर्दे भी देते है उनके सवालो के जवाब?

अघोरी हमेशा ही आम लोगों के लिए एक रहस्यमयी व्यक्तित्व होते है, वैसे तो उनकी उत्पति की कोई व्याख्या हमारे पास नही है, लेकिन भगवन शिव का एक रूप अघोरी भी है तब से उनके अनुयायी इस रूप में उनके स्वरुप में रहते है. उनकी जीवन चर्या और दिनचर्या बेहद ही अजीब और रहस्यमयी होती है, जो की उनके नाम से ही छलकती है.

हालाँकि उन्हें कुम्भ के मेले और आम लोगों में देख कर हमें वो भोले भले लगते है, हालाँकि उनकी वेशभूषा से बच्चे हो या बड़े सब डर जाते है लेकिन वो स्वाभाव से बेहद सरल होते है. वो लोग झुण्ड में रहते है बावजूद इसके उनमे आपस में कभी भी किसी तरह का द्वेष भाव या झगड़ा भारत के इतिहास में देखा और सुना नही गया है.

अब आपको उनके दिनचर्या की वो खास बातें बताते है जो आपको डरा देगी, जिस तरह माँ काली ने गुस्से में अपने पति शिव पर ही पैर रख दिया था और उनका गुस्सा तब शांत हुआ था वैसे ही अघोरी मृत शव पे खड़े होके फिर साधना करते है. मुर्दे को प्रसाद स्वरुप मांसाहार और दारू चढ़ाई जाती है कई मामलो में वो शमशान में पूजा करते है पर वंहा कुछ मीठा चढ़ाया जाता है.

उनकी साधना से वो इतने बलशाली हो जाते है जिसकी हम लोग कल्पना भी नही कर सकते है, लोग तो इतना तक कहते है की वो मुर्दो से भी बातें करने में सक्षम हो जाते है. आप उनकी शक्तियों को भूल के भी आजमाने की कोशिश न करें नही तो आप बड़ी मुसीबत में फंस सकते है.

वो अनजान और वीरान जगहों जैसे की शमशान में ही रहते है, उनके आस पास सिर्फ कुक्कर(कुत्ता) जानवर ही देखा जा सकता है. उनकी ऑंखें लाल ही रहती है जो उन्हें और भी डरावना बनाती है, वो स्वाभाव से जिद्दी होते है और वो अपनी हर बात मनवाने की ताकत भी रखते है

बीफ पर देश में घमासान है लेकिन जान ले की खुद अघोरी भी गाय का मांस नही खाते है, लेकिन वो इंसानो तक का मांस खा जाते है जिनसे उन्हें काफी बल मिलता है और उनका मौत का भय जाता रहता है. रक्षशो की तरह ही वो लोग दिन में सोते है और रात में अपनी साधना में तल्लीन रहते है.

सबसे ज्यादा ये अघोरी असम के कामख्या मंदिर( जन्हा सती के भस्म होने पर उनकी योनि गिरी थी), पश्चिम बंगाल के तारापीठ, नासिक के अर्धज्योतिर्लिंग और उज्जैन के महाकाल के आस पास ही देखें जाते है. कहा जाता है की इन स्थानो पर सबसे जल्दी सिद्धिया हासिल होती है, हालाँकि हमने थोड़े में ज्यादा बताया है लेकिन उनके रहश्यमयी संसार का ज्ञान खुद उनको ही है किसी भी आम इंसान को नही
===============================================================
14>शिव के उपासक होते हैं अघोरी साधु, जानिए 12 अन्य रहस्यमय तथ्य

अघोर पंथ हिन्दू धर्म का एक संप्रदाय है। इसका पालन करने वालों को अघोरी कहते हैं। अघोर पंथ की उत्पत्ति के काल के बारे में अभी निश्चित प्रमाण नहीं मिले हैं, लेकिन इन्हें कपालिक संप्रदाय के समकक्ष माना जाता है।
इस पंथ का पालन करने वाले साधुओं की जीवनचर्या अप्रचलित और सभ्य समाज से अलग होती है। यही वजह है कि लोगों में इनके प्रति जिज्ञासा का भाव अधिक होता है। जानिए इनके कुछ हैरान कर देने वाले अन्य तथ्य।
1. शिव भक्ति
अघोरी साधुओं को शैव संप्रदाय का माना जाता है, यानी कि वे शिव जी के उपासक हैं। उनका मानना है कि शिव ही वह एकमात्र ताकत है, जो इस दुनिया को अपने नियंत्रण में रखता है और निर्वाण का आखिरी सारथी है।
2. सार्वलौकिक दवा
अघोरियों का मानना है कि उनके पास इंसान की सारी बीमारियों और रोगों का इलाज है। वे लाशों में से असाधारण तेल निकालकर उनसे दवाइयां बनाते हैं, जिन्हें अत्यंत प्रभावी माना जाता है।
3. कठोर परिस्थितियों में जीवन
अघोरी साधु दुनिया के सबसे कठोर और सख्त प्राणियों में से हैं। निर्जन-भूमि की झुलसाने वाली गर्मी हो या बर्फ से ढकी हुई कड़कड़ाती हिमालय की ठंड, वे हर मौसम में कपड़ों के बिना जीते हैं।
4. कोई विकर्षण नहीं
अघोरियों का मलिन रहने के पीछे एक बहुत बड़ा कारण है। उनका मानना है कि परमात्मा के पास पहुंचने के लिए उन्हें छोटी-छोटी चीज़ों से विकर्षित नहीं होना चाहिए, जैसे की सफाई रखना और बदन ढकना। यही कारण है कि वे बाल कटाने को भी आवश्यक नहीं समझते हैं।
5. लाशों पर ध्यान करना
मन्त्र उच्चारण से मोहावस्था की स्थिति में आने के बाद, अघोरी श्मशान में ध्यान लीन हो जाते है। उनका मानना है कि इसी से उन्हें मोक्ष का मार्ग प्राप्त होगा।
6. वस्त्र हीनता
अघोरी साधु बहुत ही कम कपड़े पहनते हैं और अपने नंगे शरीर से शर्माते नहीं हैं। वे दुनिया के सारे सांसारिक सुखों को ईश्वर से मिलन के लिए त्याग देते हैं और मानते हैं कि वस्त्र-हीनता भी उसी ईश्वर को पाने का एक ज़रिया है।
7. किसी से लिए कोई घृणा नहीं
अघोरी सांसारिक घृणाओं से कोसों दूर रहते हैं। अपने कर्म के आधार पर भगवान शिव के द्वारा दी गई सभी चीज़ों को सद्भावना के साथ स्वीकार करते हैं। उनके अनुसार मोक्ष पाने के लिए यह करना आवश्यक है।
8. वस्त्र और आभूषण
अघोरी भले ही कपड़ों का त्याग कर देते हैं, परन्तु वे अपने शरीर को जलती चिता से बनी हुई राख से ढकते हैं। वे इंसान की हड्डी और कपाल को आभूषण की तरह पहनते हैं।
9. यौन अनुष्ठान
वे स्त्रियों के साथ सम्भोग करते तो हैं, लेकिन उनकी मर्ज़ी के बगैर उन्हें छूते भी नहीं। उनके साथ यौन क्रियाएं वे सिर्फ शमशान भूमि में लाशों के ऊपर करते हैं। यौन संबंध जब बनाए जाते हैं, उस वक्त ढोल बजाए जाते हैं। वे यह आनंद के लिए नहीं, बल्कि मोहावस्था की स्थिति में आने के लिए करते हैं।
10. नरमांस-भक्षण तथा मांस-भक्षण
अघोरियों को मनुष्य का मांस-कच्चा एवं पका हुआ खाते देखा गया है। यह प्रथा आश्चर्यजनक और ग़ैरकानूनी होने के बावजूद वाराणसी के गांठ पर खुलेआम प्रचलित है।
11. तांत्रिक शक्तियां
कहा जाता है कि ज़्यादातर अघोरियों के पास तांत्रिक शक्तियां होती हैं। वे काले जादू में माहिर होते हैं और जब वे मंत्रों का जाप आरंभ कर दे, तब उनमें अलौकिक शक्तियां आ जाती हैं।
12. गांजे का उपयोग
अघोरियों को खुले आम गांजे का दम लेते देखा जा सकता है। वे गांजे को नशे में चूर होने के लिए नहीं, बल्कि भक्ति और ध्यान में मदमस्त होकर परमेश्वर के निकट पहुंचने के लिए उपयोग करते हैं।
====================================================================